১২৮১টি মাদ্রাসাকে স্কুলে পরিণত করেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী নেতা আসামের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মার নেতৃত্বাধীন সরকার। গত ১৪ই ডিসেম্বর আসামের শিক্ষামন্ত্রী রানোজ পাগুে এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট করেন। এতে বলা হয়, আসাম মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের (এসইবিএ) অধীনস্থ সরকারী ও প্রাদেশিক সকল মাদ্রাসাকে জেনারেল স্কুলে রূপান্তরিত করার অংশ হিসাবে আসাম স্কুল শিক্ষা বিভাগ আজ ১,২৮১টি মাদ্রাসার নাম পরিবর্তন করে মিডল ইংলিশ স্কুল (এমই) নামকরণ করেছে। রাজ্য সরকারের অনুমোদনের ফলে কার্যত এখন থেকেই মাদ্রাসারগুলোকে এমই স্কুল হিসাবে বিবেচনা করা হবে।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের জানুয়ারীতে উগ্র হিন্দুত্ববাদী আসামের প্রাদেশিক সরকার কর্তৃক একটি বিল পাশ রাজ্য সরকার পরিচালিত মাদ্রাসাগুলোকে স্কুলে রূপান্তরের দুয়ার খুলে দেয়। যার প্রভাব প্রাইভেট মাদ্রাসা ব্যতীত মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে থাকা রাজ্যের সকল মাদ্রাসা ও আরবী কলেজগুলোতে পড়ে। প্রকৃতপক্ষে মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিহ্ন করে দিতেই রাজ্য সরকার মাদ্রাসাগুলোকে স্কুলে রূপান্তর করছে।

[কথিত গণতন্ত্রের নামে সংখ্যাগুরুর অত্যাচার এখন বিশ্বব্যাপী। কেবলমাত্র ইসলামেই রয়েছে সার্বজনীন মানবাধিকার রক্ষার গ্যারান্টি। সে অধিকার রক্ষার ফলেই পুরা ভারতবর্ষে মুসলমানরা ৬৫০ বছর সসম্মানে রাজত্ব করেছে। কিন্তু শাসকজাতি মুসলমানদের মধ্যেই এসেছে গণতন্ত্রপূজা। যার ফল তাদেরকে ভোগ করতে হচ্ছে। ইসলামী শিক্ষার সূতিকাগার মাদ্রাসার শিক্ষা বন্ধ করার বিরুদ্ধে নির্দেশ মূলত মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার নস্যাৎ করার শামিল। আমরা এর তীব্র নিন্দা করছি এবং দ্রুত মাদ্রাসাগুলিকে পুনরায় পূর্বমর্যাদায় ফিরিয়ে দেওয়ার জোর দাবী জানাচ্ছি (স.স.)]






রোহিঙ্গা প্রসঙ্গ তুলতেই ক্ষেপে গেলেন সুচি
দেশে আক্রান্তদের ৮০ শতাংশই ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট
নরওয়ের প্রধানমন্ত্রীকে জরিমানা করল পুলিশ
যানজট কমানোর আইডিয়া দিলেই ১৬ লাখ টাকা বৃত্তি
অভিনয় ছেড়ে দিলেন বলিউড তারকা জায়রা ওয়াসিম
বাংলাদেশসহ ৫ দেশে ভারত গ্রাউন্ড স্পেস স্টেশন করবে
বৃটেনে শিক্ষিত তরুণীরা ব্যাপক সংখ্যায় ইসলাম গ্রহণের দিকে ঝুঁকছে
এক ভাষণেই ২০টি মিথ্যা কথা বললেন ট্রাম্প!
দেশে অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যেও তিন মাসে কোটিপতি বেড়েছে ২৪৫ জন
ব্রিটেনের ‘সেরা স্কুল’ নির্বাচিত হ’ল দু’টি ইসলামিক স্কুল
এভারেস্ট থেকে বেরিয়ে আসছে একের পর এক মৃতদেহ
সামাজিক অবিচার ও অর্থের পূজাই বিশ্বব্যাপী চলমান সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের জন্য দায়ী - পোপ ফ্রান্সিস
আরও
আরও
.