বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কক্সবাজারের উখিয়া থেকে সরিয়ে নোয়াখালীর হাতিয়ায় পুনর্বাসনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সম্প্রতি এ কথা জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। এছাড়া আগামী তিন মাসের মধ্যে রোহিঙ্গাদের বিস্তারিত তথ্য নিয়ে একটি ডাটাবেজ তৈরী করা হবে বলেও জানান তিনি।
গত তিন দশক ধরেই মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের কূটনীতিক পর্যায়ে অন্যতম সংকটের নাম রোহিঙ্গা ইস্যু। এ দীর্ঘ সময় প্রতিবেশী দেশটি থেকে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা। এছাড়া গত কয়েক মাসেই আশ্রয় নিয়েছে প্রায় ৬৭ হাযার রোহিঙ্গা।
এ ব্যাপারে প্রতিমন্ত্রী বলেন, হাতিয়ার ঠেঙ্গারচরে জমি উপযোগী করে আস্তে আস্তে তাদেরকে সেখানে সরিয়ে নেয়া হবে।
নোয়াখালীর হাতিয়া উপযেলায় সাগরবেষ্টিত ১১ বছর আগে জেগে ওঠে নিঝুম দ্বীপ ও সন্দীপের নিকটবর্তী এই দ্বীপটি। তবে সেখানে কোন ঘর নেই, মোবাইল নেটওয়ার্ক নেই, লোকজনও নেই। বর্ষা মৌসুমে জায়গাটি বেশীর ভাগ সময় বন্যার পানিতে ভেসে যায়। ফলে দ্বীপটি কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ। ঘূর্ণিঝড় ও বন্যাপ্রবণ। বর্ষা মৌসুমে দেশের অন্যান্য স্থানের তুলনায় সেখানে দ্বিগুণ বৃষ্টি হয়ে থাকে। জনশূন্য এলাকাটি কর্দমাক্ত। এ ছাড়া জলদস্যুদের উৎপাত তো রয়েছেই। সেকারণ রোহিঙ্গাদের সাময়িকভাবে ঠেঙ্গারচরে আশ্রয় দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনাকে বাস্তবসম্মত নয় বলে সমালোচনা করা হয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে।
[এই ফালতু সিদ্ধান্ত বাতিল করুন। বরং তাদেরকে তাদের দেশে সসম্মানে ফেরৎ পাঠানোর ব্যবস্থা করুন (স.স.)]