উত্তর : স্ত্রীসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব স্বামীর উপরে। আল্লাহ তা‘আলা নারীর ওপর পুরুষকে দায়িত্বশীল ও কর্তৃত্বশীল করেছেন দু’টি কারণে। এর একটি হ’ল আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রদত্ত বিশেষ মর্যাদা আর অপরটি হ’ল পুরুষের নিজস্ব উপার্জন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘পুরুষেরা নারীদের অভিভাবক। এজন্য যে, আল্লাহ একের উপর অন্যকে প্রাধান্য দান করেছেন এবং এজন্য যে, তারা (নারীদের ভরণ-পোষণের জন্য) তাদের মাল-সম্পদ হ’তে ব্যয় করে থাকে’ (নিসা ৪/৩৪)। এক্ষণে স্বামীর দ্বারা পরিবারের খরচ চালানো কঠিন হয়ে পড়লে বাধ্যগত অবস্থায় স্ত্রী পর্দার বিধান মেনে নিরাপদ পরিবেশে চাকরী করতে পারে। তবে অবশ্যই স্বামীর অধিকার সংরক্ষণ, সন্তান পালনে যথাযথ ভূমিকা রাখা এবং ইসলামী পরিবেশের গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ অর্থ উপার্জন গুরুত্বপূর্ণ হ’লেও সন্তানদের ঈমান, চরিত্র ও তারবিয়াতের ক্ষতি করে অর্জিত অতিরিক্ত অর্থ প্রকৃত কল্যাণ বয়ে আনবে না। এক্ষেণে স্বামী পরিবারের খরচ বহনে সক্ষম হওয়ার পরেও স্ত্রীকে পর্দাহীন পরিবেশে চাকুরী করতে দিলে এবং পারিবারিক হক আদায়ে ক্ষতি হ’লে স্বামী-স্ত্রী উভয়ে দায়ী থাকবেন।
প্রশ্নকারী : জাহিদ হাসান, খিলক্ষেত, ঢাকা।