উত্তর : গোনাহগার হ’তে হবে। কারণ এর মাধ্যমে দু’টি পর্যায়ে পাপ হয়। ১. অশ্লীল পোষাক তৈরি করা ২. অশ্লীল মূর্তির গায়ে পোষাক পরিয়ে পরীক্ষা করা। আর আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তোমরা পাপ ও সীমালঙ্ঘনের কাজে একে অপরকে সহযোগিতা করো না’ (মায়েদাহ ৫/২)। ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, ‘আর এমন পোষাক, যা সম্পর্কে প্রবল ধারণা থাকে যে, তা কোন পাপ কাজে ব্যবহার করা হবে, এমন ব্যক্তির কাছে তা বিক্রি করা এবং তার জন্য তা সেলাই করা জায়েয নয় (শরহুল ঊমদাহ ৪/৩৮৬)। শায়েখ বিন বায (রহঃ) বলেন, ‘হ্যাঁ, তার গোনাহ হবে; কারণ সে পাপ ও সীমালঙ্ঘনের কাজে সহযোগিতা করছে... অশ্লীলতা ও তার উপকরণে সহযোগিতা করা তার জন্য বৈধ নয়, সেলাইয়ের মাধ্যমে নয়, ডিজাইন/কাটিংয়ের মাধ্যমেও নয়’ (ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ১৮/৪২৩)। অতএব জেনে-শুনে অশালীন ও সতর-প্রকাশকারী পোষাকের ডিজাইন করা, বিশেষত তার বাজারজাতকরণে সরাসরি সহযোগিতা করা জায়েয নয় বরং হারাম (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৩/১০৯)।
প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ আল-আনাম, আশুলিয়া, ঢাকা।