উত্তর : ব্যভিচার এবং ধর্ষণ দু’টি ভিন্ন অপরাধ। ব্যভিচারের ক্ষেত্রে চারজন পুরুষ সাক্ষীর যে শর্ত রয়েছে, ধর্ষণের ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য নয়। কারণ ধর্ষণ একটি সহিংস অপরাধ ও যুলুম। তাই তার প্রমাণ ও অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য বিচারক পরিস্থিতি অনুযায়ী যে কোন পন্থা অবলম্বন করতে পারেন। যেমন অপরাধীর স্বীকারোক্তি, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সাক্ষ্য, শক্তিশালী পারিপার্শ্বিক প্রমাণ, চিকিৎসা প্রতিবেদন ও শারীরিক আলামত, আধুনিক যুগে ডিএনএ পরীক্ষা সহ অন্যান্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ গ্রহণযোগ্য, যদি বিচারক তা নির্ভরযোগ্য মনে করেন (দ্র. বুখারী হা/৬৮৩০; মুসলিম হা/১৬৯১; মিশকাত হা/৩৫৫৭)।
প্রশ্নকারী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক।