উত্তর : আল্লাহ তা‘আলা তাঁর বান্দাদের সুখ-দুঃখ এবং সচ্ছলতা-অসচ্ছলতা দিয়ে পরীক্ষা করেন। কখনও তিনি তাদের পরীক্ষা করেন তাদের মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য, সুখ্যাতি ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য এবং নেকী বহুগুণে বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য। যেমনটি তিনি নবী-রাসূল ও নেককার বান্দাদের ক্ষেত্রে করে থাকেন। নবী করীম (ছাঃ) বলেছেন, ‘মানুষের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হন নবীগণ, তারপর যারা তাদের নিকটবর্তী (মর্যাদাবান), এরপর যারা তাদের নিকটবর্তী’ (তিরমিযী হা/২৩৯৮; মিশকাত হা/১৫৬২, সনদ হাসান)। আবার কখনও আল্লাহ এটি করেন গুনাহ ও পাপাচারের কারণে, যাতে দুনিয়াতেই দ্রুত শাস্তি প্রদান করা হয়। যেমনটি আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, ‘তোমাদের ওপর যেসব বিপদ-আপদ পতিত হয়, তা তোমাদেরই কর্মফল এবং তিনি তোমাদের অনেক গুনাহ ক্ষমা করে দেন’ (শূরা ৪২/৩০)

সারকথা হ’ল, পরীক্ষা বা বালা-মুছীবত কখনও মর্যাদা বৃদ্ধি ও বিপুল ছওয়াবের জন্য হয়, যেমনটি আল্লাহ নবীগণ এবং একনিষ্ঠ নেককারদের সাথে করেন। আবার কখনও এটি গুনাহ মাফের জন্য হয়, যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘যে কেউ মন্দ কাজ করবে তাকে তার ফল দেওয়া হবে’ (নিসা ৪/১২৩)। আর নবী করীম (ছাঃ) বলেন, ‘মুসলিম ব্যক্তির ওপর যে কোন দুশ্চিন্তা, দুঃখ-কষ্ট, ক্লান্তি, রোগ, শোক কিংবা যাতনা আসুক না কেন, এমনকি তার গায়ে যদি একটি কাঁটাও ফোটে, তার বিনিময়ে আল্লাহ তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন’ (আহমাদ হা/১১২০৪, সনদ ছহীহ)। নবী করীম (ছাঃ) আরও বলেছেন, ‘আল্লাহ যার মঙ্গল চান, তাকে তিনি বিপদে ফেলেন’ (বুখারী হা/৫৬৪৫; মিশকাত হা/১৫৩৬)

আবার কখনও এই পরীক্ষা গুনাহের কারণে এবং দ্রুত তওবা না করার ফলে দ্রুত শাস্তি হিসাবে নেমে আসে। যেমনটি নবী করীম (ছাঃ) বলেছেন, ‘আল্লাহ যখন তাঁর কোন বান্দার কল্যাণ চান, তখন দুনিয়াতেই তার (গুনাহের) শাস্তি দিয়ে দেন। আর যখন তিনি তাঁর কোন বান্দার অকল্যাণ চান, তখন তার গুনাহের শাস্তি থেকে তাকে বিরত রাখেন, যাতে ক্বিয়ামতের দিন তাকে পূর্ণ শাস্তি প্রদান করতে পারেন’ (তিরমিযী হা/২৩৯৬; ছহীহুল জামে‘ হা/৩০৮)

প্রশ্নকারী : আল-আমীন, টাঙ্গাইল।








বিষয়সমূহ: বিবিধ
প্রশ্ন (৫/৫) : পিতার নির্দেশে স্বীয় অসম্মতিতে বিবাহ করায় স্ত্রীর প্রতি স্বামী চরম বিতৃষ্ণ। কিন্তু তালাক প্রদানে সম্মত নয়। এমতাবস্থায় স্ত্রী যদি উক্ত স্বামী থেকে পৃথক থাকতে বা ডিভোর্স দিতে চায় তাতে শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৬/৭৬) : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আঙ্গুল ও খাদ্যপাত্র চেটে খাওয়া এবং পাত্র হ’তে খাদ্য পড়ে গেলে উঠিয়ে খাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন, এর কারণ কি? - -ওবায়দুল্লাহ, ধামরাই, ঢাকা।
প্রশ্ন (১১/৯১) : কারো উপর অন্যায়ভাবে আক্রমণ করা হ’লে সেক্ষেত্রে প্রতিহত করা না ছবর করা উত্তম হবে?
প্রশ্ন (২৮/৬৮) : ওযূ করার ক্ষেত্রে সতর ঢাকতে হবে কি?
প্রশ্ন (১৫/২৯৫) : বিভিন্ন স্থানে লেখা দেখা যায়, ‘নবী করীম (ছাঃ) গাছ লাগিয়েছেন, তাই আমাদেরকে গাছ লাগাতে হবে’। এটা কি সঠিক?
প্রশ্ন (২৯/২৯) : আমি ৩ মাস বয়স থেকে আমার নিঃসন্তান পালক পিতা-মাতার নিকটে লালিত-পালিত হয়েছি। এক্ষণে আমার আসল পিতা-মাতার সাথে আমার সম্পর্ক ক্ষীণ হওয়ায় তারা আমার নামে সম্পত্তি লিখে দিতে চায়। প্রশ্ন হ’ল- এ সম্পত্তি গ্রহণ করা কি জায়েয হবে এবং আসল পিতা-মাতার সম্পত্তিতে কি আমার কোন অধিকার আছে?
প্রশ্ন (৩০/৩৯০) : ‘আল্লাহ যা করেন মঙ্গলের জন্য করেন’ একথার কোন শারঈ ভিত্তি আছে কি?
প্রশ্ন (১৮/২৯৮) : আমাদের মসজিদে ছালাত শেষে দলবদ্ধ মুনাজাত করিয়ে নেওয়ার জন্য মূর্খ ইমাম দ্বারা ছালাত আদায় করানো হয়। এক্ষণে আমরা তাদের পরে আলাদা জামা‘আত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটি কি সঠিক হবে? - -আসমাউল আলমতেরখাদিয়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৫/২০৫) : শিশুরা বিভিন্ন বিপদাপদে পতিত হ’লে যেমন উঁচু স্থান থেকে পড়ে গেলে ফেরেশতারা তাদের রক্ষা করে- এ কথার কোন সত্যতা আছে কি? - -আমীনুল ইসলাম, কামরাঙ্গীর চর, ঢাকা।
প্রশ্নঃ (৯/২০৯): মুহাম্মাদ (ছাঃ) মি‘রাজে গিয়ে বায়তুল মুক্বাদ্দাসে সমস্ত নবী-রাসূলের ইমামতি করেছিলেন। উক্ত বক্তব্যের প্রমাণ জানতে চাই। উক্ত ছালাত সুন্নাত ছিল না ফরয ছিল?
প্রশ্ন (১০/৯০) : বিদ্যুৎ বিল নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দিতে না পারলে গ্রাহকের কাছ থেকে সূদ হিসাবে কিছু টাকা নেওয়া হয়। এজন্য গ্রহীতা বা দাতা উভয়েই কি গুনাহগার হবে?
প্রশ্ন (৩৪/৩৫৪) : জনৈক নারীর সাথে জনৈক পুরুষের অনৈতিক সম্পর্ক ছিল। এক্ষণে উক্ত নারীর মেয়েকে সে বিবাহ করতে পারবে কি?
আরও
আরও
.