উত্তর : এমতাবস্থায় সে ধারাবাহিকভাবে ক্বাযা আদায় করবে। খন্দকের যুদ্ধের দিন বাধ্যগত অবস্থায় পরপর চার ওয়াক্ত ছালাত ক্বাযা হয়ে যায়। তখন রাসূল (ছাঃ) ধারাবাহিকভাবে ক্বাযা আদায় করেন (‘সীরাতুর রাসূল (ছাঃ) ‘খন্দক যুদ্ধের উল্লেখযোগ্য বিষয় সমূহ’-৯)। ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বলেন, নিশ্চয়ই খন্দকের যুদ্ধের দিন মুশরিকরা নবী করীম (ছাঃ)-কে চার ওয়াক্ত ছালাত (আদায়ে) বাধাগ্রস্ত করেছিল। অতঃপর তিনি বেলালকে নির্দেশ দিলেন, ফলে তিনি আযান দিলেন। এরপর তিনি এক্বামত দিলেন এবং যোহর পড়লেন। এরপর এক্বামত দিলেন এবং আছর পড়লেন। এরপর এক্বামত দিলেন এবং মাগরিব পড়লেন। এরপর ইকামত দিলেন এবং এশা পড়লেন’ (নাসাঈ হা/৬৬২)। এতে বুঝা যায় যে, পাঁচ ওয়াক্ত ক্বাযা ছালাত এক সাথে পরপর পৃথক এক্বামত দিয়ে পড়া যায় অথবা প্রতি ওয়াক্ত ছালাতের আগে বা পরে পড়া যায়।
ছালাত তরক করাকে হাদীছে ‘কুফরী’ হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে (মুসলিম, মিশকাত হা/৫৬৯)। অতএব যারা ইচ্ছাকৃতভাবে ছালাত ছেড়ে দিবে, তাদের অনুতপ্ত হয়ে খালেছ অন্তরে তওবা করতে হবে এবং কখনই একাজ করব না বলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হ’তে হবে (ইবনু তায়মিয়াহ, মিনহাজুস সুন্নাহ, ৫/২৩৩; ইবনুল ক্বাইয়িম, আছ-ছালাত ৬৭-১০৯; শাওকানী, নায়লুল আওত্বার ২/২৬)।
প্রশ্নকারী : আব্দুর রহমান, লালবাগ, দিনাজপুর।