সাবেক বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত চুক্তি পর্যালোচনা জাতীয় কমিটি ভারতের আদানি পাওয়ারের সঙ্গে সম্পাদিত ২৫ বছর মেয়াদী বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিকে দেশের বিদ্যুৎ খাতের ‘দুর্নীতির সবচেয়ে বড় প্রতীক’ হিসাবে চিহ্নিত করেছে। যেখানে ২০১০ সালের বিশেষ বিধান আইনের অপব্যবহার করে রাষ্ট্রস্বার্থবিরোধী শর্ত আরোপের প্রমাণ মিলেছে। তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, মহেশখালীর পরিবর্তে ভারতের গোড্ডায় কেন্দ্র স্থাপন এবং ভারতীয় গ্রিডের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ দামে বিদ্যুৎ কেনার ফলে এই চুক্তির মাধ্যমে আগামী ২৫ বছরে প্রায় ১,০০০ কোটি ডলার বা ১ লাখ ২০ হাযার কোটি টাকা দেশ থেকে পাচারের আশঙ্কা রয়েছে। এমতাবস্থায় ভারতের অন্যতম শীর্ষ বাণিজ্য ও শিল্পগোষ্ঠী আদানি গ্রুপসহ বিদ্যুৎ খাতের অসাধু চক্র ও অসম চুক্তির হাত থেকে রাষ্ট্রকে বাঁচাতে দ্রুত আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ, চুক্তি সংশোধন এবং প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক মানদন্ডে দুর্নীতি প্রমাণ করে চুক্তি বাতিলের কঠোর সুফারিশ করেছে কমিটি।

[রক্ষক হয়ে যারা ভক্ষকের ভূমিকায় কাজ করেন, তারা পরকালে জাহান্নামের কঠিন শাস্তি ভোগ করবেন। কেবল আখেরাতেই নয়, দুনিয়াতেও তাদের শাস্তি ভোগ করতে হয়। তৎকালীন সময়ের রাষ্ট্র নেতারা এখন পলাতক জীবন যাপন করছেন। দেশবাসীর ঘৃণা কুড়াচ্ছেন। এর মধ্যে বর্তমান রাষ্ট্রনেতাদের জন্য সাবধান বাণী রয়েছে। (স.স.)]







আরও
আরও
.