বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে লোনাপানি, আর্সেনিক দূষণ এবং সুপেয় পানির সংকট মানুষের নিত্যদিনের সঙ্গী। এই চরম বাস্তবতার মাঝেই আন্তর্জাতিক একদল গবেষক শুনিয়েছেন আশাজাগানিয়া সংবাদ। তাঁদের দাবী, এই অঞ্চলের মাটির গভীর স্তরে লুকিয়ে আছে দু’টি বিশাল মিঠাপানির আধার। যা হাযার বছর ধরে প্রায় অক্ষত অবস্থায় টিকে আছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, নিউ মেক্সিকো ইনস্টিটিউট অব মাইনিং অ্যান্ড টেকনোলজি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের যৌথ গবেষণায় গত ২৮শে অক্টোবর শুক্রবার বিখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার কমিউনিকেশনসয়ে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। গবেষকরা খুলনা শহর থেকে সুন্দরবনের দক্ষিণ সীমানা পর্যন্ত ১২০ কিলোমিটার এলাকায় আধুনিক ভূ-তড়িৎ-চৌম্বকীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভূগর্ভের গঠন পরীক্ষা করেন।
গবেষকদের বিশ্লেষণে দু’টি প্রধান উৎসের সন্ধান পাওয়া গেছে। একটি খুলনার উত্তরাংশে। এখানে প্রায় ২০০ থেকে ৮০০ মিটার গভীরে ৪০ কিলোমিটার বিস্তৃত একটি বিশাল মিঠাপানির স্তর রয়েছে। যা সরাসরি সুপেয় পানি হিসাবে ব্যবহার করা যাবে। দ্বিতীয়টি সুন্দরবনের অভ্যন্তরে, যা আকারে ছোট ও গভীরতা কম। সুন্দরবন বিষয়ক গবেষক ইসমে আযম এই আবিষ্কারকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন।
[আমরা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি। আল্লাহ বলেন, তোমরা কি দেখ না, নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে সবকিছুকে আল্লাহ তোমাদের বশীভূত করেছেন এবং তোমাদের প্রতি তাঁর প্রকাশ্য ও গোপন নে’মত সমূহ পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন? অথচ লোকদের মধ্যে এমন কিছু লোক আছে, যারা কোনরূপ জ্ঞান, পথনির্দেশ বা উজ্জ্বল কিতাব ছাড়াই আল্লাহ সম্পর্কে বিতন্ডা করে’ (লোকমান ৩১/২০)।]