আলেম হ’তে হ’লে,
নিয়ম কিছু বলছি শোন! যাবে না কখনো ভুলে।
আলেম হওয়া সাধনার নাম দীর্ঘ দিনের শ্রম,
সময় নিয়েই করতে হবে রাস্তা অতিক্রম।
অল্প দিনে আলেম হওয়া তোমার জন্য নয়,
অল্প দিনে হয় না আলেম ইলমী যালেম হয়।
রাখবে মনে, ওস্তায তব সবচে’ হিতকামী,
যত বেশী পারো ছোহবত নাও ওস্তায বড় দামী।
ছোহবত থেকে এমন কিছু শিখে যাবে অজানায়,
যে জ্ঞান কোন গ্রন্থাগারের বইয়ের পাতাতে নাই।
সুযোগ হ’লে খিদমত কর খিদমতে পাবে দো‘আ,
দো‘আয় তুমি যতদূর যাবে, শ্রমে যাবে না তো যাওয়া।
প্রতিষ্ঠানের ছুটি ব্যতীত যাবে না কখনো বাড়ি,
প্রয়োজনে কভু বাইরে গেলে ফিরে এসো তাড়াতাড়ি।
মাদ্রাসা সেতো ফুলের বাগান তুমি সে বাগের অলি,
কোনদিনও তব হাযিরায় যেন না পড়ে লাল কালি।
দারসে যেন থাকে মনোযোগ নোটখাতা থাকে হাতে,
যতটুকু দেন ওস্তায যেন পূর্ণটা পারো নিতে।
এতটুকু বুঝো যেন পড়াটা অপরকে বোঝাতে পারো,
সহপাঠীদের নিয়ে পড়া তাকরার করো।
সবাই অনেক পড়ছে পড়ুক কম হোক তব পড়া,
এক শব্দও পড়বে না তুমি তাহক্বীক্ব করা ছাড়া।
তাহক্বীক্ব কভু যোগ্যতা নয় এটা তো মানসিকতা,
তাহক্বীক্বী মেজাযই গড়ে দেবে তোমার যোগ্যতা।
এই সবকিছু মানার পরে জেগে ওঠো শেষ রাতে,
ঝরাও চোখের তপ্ত অশ্রু নিভৃত মুনাজাতে।
বল, হে কারীম! শেষ করেছি সামর্থ্য ছিল যত,
মেহনত মোর কবূল কর খিদমতে কর রত।
যত যাই কর সেই দফতরে মাকবূল হ’লে তবে,
ইসলাম যাকে আলেম বলে তেমন আলেম হবে।
-সারওয়ার মিছবাহ
নওদাপাড়া, রাজশাহী।