কোন ধরনের সাজা ছাড়াই ৩০ বছর হবিগঞ্জ কারাগারে বন্দী ছিলেন কানু মিয়া (৫০)। মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় মাকে হত্যা মামলায় তিনি কারাগারে ছিলেন। দুই দশক আগে আদালত মামলার কার্যক্রম স্থগিত করলেও কানু মিয়া মুক্তি পাননি। সম্প্রতি কারাগার পরিদর্শনে গিয়ে বিষয়টি যেলা লিগ্যাল এইড কর্মকর্তার নযরে আসে। পরে তাদের সহায়তায় ও আদালতের নির্দেশে সম্প্রতি কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।

জানা যায়, কানু মিয়া মানসিক রোগী ছিলেন। তিনি ১৯৯৫ সালে তার মাকে ঘরে থাকা একটি কোদাল দিয়ে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। তখন গ্রামবাসী তাকে আটক করে পুলিশে দেয়। এ ঘটনায় মামলা চলাকালে কানু মিয়া আরও ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। ২০০৩ সালের দিকে আদালত এক আদেশে বলেন, কানু মিয়া সুস্থ হওয়ার আগ পর্যন্ত মামলার কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। সেই থেকে কারাগারে আছে কানু মিয়া।

সম্প্রতি যেলা লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা কারাগার পরিদর্শনে গেলে কানু মিয়া তাঁর নযরে আসে। জানতে পারেন মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত। এমনকি মামলার বাদীরও কোন সন্ধান নেই। পরে তার ব্যবস্থাপনায় কানু মিয়ার যামিন হয়।

কানু মিয়ার মুক্তির খবর পেয়ে বড় দুই ভাই মামলার বাদী মুনু মিয়া ও নাসু মিয়া কারা ফটকে আসেন। নাসু মিয়া বলেন, আমরা ধরে নিয়েছিলাম, আমাদের ভাই হয়তো আর বেঁচে নেই। যে কারণে আমরা তার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারিনি।

 [দেশে ইসলামী বিচার ব্যবস্থা থাকলে হয়ত এরূপ অবস্থা হ’ত না (স.স.)।]







তামার কয়েন বিক্রি দু’লক্ষাধিক ডলারে
স্বদেশ-বিদেশ
পশ্চিমবঙ্গের অনেক মানুষ উন্নত জীবনের আশায় বাংলাদেশে আসতে চান
জাপানে জনসংখ্যা কমে যাচ্ছে উদ্বেগজনক হারে
বোরক্বা না খোলায় মেট্রোয় উঠতে বাধা
সঊদীতে ওষুধ উৎপাদনে যাচ্ছে বেক্সিমকো
হেফাজতে ইসলামের নতুন আমীর মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরী
মুসলিম হয়ে জীবনের মর্ম বুঝেছি - -জাপানী তরুণী
হৃদরোগীদের ভরসার জায়গা সরকারী হাসপাতাল হাইপার অ্যাকিউট স্ট্রোক কেয়ার সেন্টার
ডাঃ যাকির নায়েকের সম্পত্তি বাযেয়াফত করা যাবে না, জানিয়ে দিলেন বিচারপতি
ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের কবলে লাখ লাখ মানুষ (মানচিত্র থেকে মুছে যাচ্ছে দক্ষিণ সুদান)
চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে ঘরে কুরআন রাখতে নিষেধাজ্ঞা
আরও
আরও
.