বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার গঙ্গা নদীর ওপর নির্মিত বহুল বিতর্কিত ফারাক্কা বাঁধকে পুরোপুরি সরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। গত ২৩শে আগস্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করে তিনি এ প্রস্তাব দেন। খবরে বলা হয়েছে, বিহারের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন বিহারের তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার। বৈঠকের আগে তিনি বলেন, ফারাক্কা বাঁধের কারণে গঙ্গায় বিপুল পরিমাণ পলি জমছে। আর এ কারণে প্রতিবছর বিহারে বন্যা হচ্ছে। তিনি বলেন, এর একটা স্থায়ী সমাধান হ’ল ফারাক্কা বাঁধটাই তুলে দেওয়া। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বিহার সরকারের পক্ষ থেকে একটি তালিকা তুলে দেওয়া হয়। এতে ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ হওয়ার আগে ও পরে বিহারে গঙ্গার গভীরতা বা নাব্যতা কতটা কমেছে, তার হিসাব তুলে ধরা হয়।

উল্লেখ্য, ভারতের ফারাক্কা বাঁধ নিয়ে বাংলাদেশের আপত্তি দীর্ঘদিনের। এই প্রথম ভারতের একজন প্রভাবশালী রাজনীতিক ও মুখ্যমন্ত্রী ফারাক্কা বাঁধ তুলে দেওয়ার কথা বললেন। এসব প্রতিক্রিয়া হবে তা অনেক বিশেষজ্ঞই বলেছিলেন। এখন সমস্যা চোখের সামনে ঘটতে শুরু করায় ভারতীয় রাজনীতিবিদরাও টের পেলেন।

[ধন্যবাদ বিহারের মুখ্যমন্ত্রীকে। আমরা আমাদের বহু নিবন্ধে এ বাঁধের প্রতিবাদ জানিয়েছি। অতি সম্প্রতি জুন’১৬ সংখ্যায় ‘ভারতের আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্প চালু’ শীর্ষক সম্পাদকীয়তে আমরা আমাদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছি। কেবল গঙ্গা নয়, সকল নদী স্বাভাবিকভাবে প্রবাহিত হৌক- এটাই আমাদের কাম্য। এর মধ্যেই রয়েছে দু’দেশের জনগণের কল্যাণ (স.স)।]






যে পথ ধরে আজকের পদ্মা সেতু
সংসদে ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকার বাজেট পাস (গত ৪০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বাজেট)
পৃথিবীর সামনে মহাবিপদ : থেমে যেতে পারে আটলান্টিকের স্রোত, জমে যেতে পারে ইউরোপ
দেশে মানসিক রোগী ৩ কোটি (প্রতি চারজনে একজনের মানসিক সমস্যা)
ফিলিস্তীনী বন্দীদের পলায়ন রোধে কুমিরবেষ্টিত কারাগার বানাচ্ছে ইস্রাঈল
এসএসসি পরীক্ষায় রেজাল্ট আশানুরূপ না হওয়ায় ২২ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার চেষ্টা, ৮ জনের মৃত্যু
মসজিদে গেলেন ছালাত বন্ধ করতে, ফিরে এলেন ইসলাম গ্রহণ করে
সরকারী কর্মচারীদের পাঁচ বছরের বেশী দায়িত্বে থাকা ঠিক নয় : ড. ইউনুস
দেশের ৮০ শতাংশ তরুণ ভোটারের অপসন্দ রাজনীতি
যুদ্ধের চেয়ে আত্মহত্যা করেছে ৪ গুণ বেশী মার্কিন সেনা
স্বদেশ-বিদেশ
৪৪ বছর ধরে অসহায় মানুষের চক্ষুসেবা দিচ্ছে রাজশাহীর ‘তাহেরপুর রিক্রিয়েশন ক্লাব’
আরও
আরও
.