স্বদেশ

প্রিয় নবী (ছাঃ) যে নূর এ কথা যারা স্বীকার করে না, তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।

-আল্লামা কবি রূহুল আমীন খান

দৈনিক ইনকিলাবের নির্বাহী সম্পাদক, জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সিনিয়র সহ-সভাপতি, মসজিদে গাউসুল আজম-এর  খতীব  আল্লামা কবি রূহুল আমীন খান বলেন, আজকে একশ্রেণির আলেম নামধারী আমাদের প্রিয় নবী (ছাঃ)-কে সাধারণ মানুষের মতো মনে করে। প্রিয় নবী (সাঃ) যে নূর এ কথা তারা স্বীকার করে না। তারা কথায় কথায় প্রিয় নবী (সাঃ)-এর শানে ও মানে আঘাত হানছে। তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি ফরিদগঞ্জ মজিদিয়া কামিল মাদরাসার দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত বার্ষিক তাফসীরুল কুরআন মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

[আল্লাহ বলেন, তুমি বল : আমি তোমাদেরই মত একজন মানুষ মাত্র’... (কাহফ ১৮/১১০)। তিনি মানুষের নবী হিসাবে মানুষই ছিলেন। তিনি পিতা-মাতার মাধ্যমে দুনিয়াতে এসেছিলেন। তাঁর বিয়ে-শাদী ও সন্তানাদি হয়েছিল। তাঁর মৃত্যু হয়েছিল এবং কাফন-দাফন কয়েছিল। এগুলি সবই বাস্তব। তাহ’লে কিভাবে তিনি ‘নূর’ হলেন? আল্লাহ বলছেন তিনি আমাদেরই মত মানুষ ছিলেন। অথচ এইসব আল্লামাগণ বলছেন তিনি নূর ছিলেন। আমরা তাহ’লে কি কুরআন-হাদীছ ছেড়ে তাঁদের কথা শুনব? মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন (স.স.)]

শরী‘আহ আইন ছাড়াই চলছে ইসলামী বীমা ব্যবসা

দেশে চলমান বীমা ব্যবস্থায় শরী‘আহ আইনের কোন বালাই নেই। তবু নামের আগে ইসলাম যোগ করে অবাধে চলছে ব্যবসা। নতুন আইনের একটি খসড়া হলেও তা অনুমোদন হয়নি। আর ধর্মের ব্যবহারে বীমা ব্যবসা লাভজনক হওয়ায় শরীয়াহ উইংয়ের প্রতি দেশী-বিদেশী বীমা প্রতিষ্ঠানগুলির আগ্রহ দিন দিন বেড়েই চলেছে।

ইসলামী চিন্তাবিদ ও বীমা বিশ্লেষকদের মতে, এ দেশের অধিকাংশ জনগোষ্ঠী মুসলিম এবং তারা ধর্মপ্রাণ। এটাকে পুঁজি করে ব্যবসারত কতিপয় বীমা কোম্পানী ইসলামী শরী‘আহ নামে বীমা গ্রাহকের সঙ্গে প্রতারণা করছে। শরী‘আহ বীমার নামে একদিকে যেমন মুনাফা কম দেয়ার সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। অন্যদিকে নানা ফাঁক -ফোকর দিয়ে সুকৌশলে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এই বীমাকে বিশ্বাস কেন্দ্রে দাঁড় করিয়ে প্রকারান্তরে ধর্মপ্রাণ মানুষের বিশ্বাসের সাথেই প্রতারণা করছে প্রতিষ্ঠানগুলি। বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৯ সাল থেকে শরী‘আহ মোতাবেক নন-লাইফ ও লাইফ বীমা পরিচালনার জন্য বীমা কোম্পানিগুলোকে অনুমোদন দেয়া শুরু করে। অনুমোদনের প্রায় ১৫ বছর পার হলেও তৈরী হয়নি ইসলামী বীমা পরিচালনার জন্য পৃথক কোন নীতিমালা কিংবা আইন। কবে নাগাদ এ আইন চূড়ান্ত হতে পারে তারও কোন নিশ্চয়তা নেই।

কোম্পানীগুলি নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান ‘আইডিআরএর’ চেয়ারম্যান এম শেফাক আহমাদ বলেন, বিদ্যমান ইসলামী বীমা কোম্পানিগুলো যেভাবে ব্যবসা করছে, তা শরী‘আহভিত্তিক নয়।

‘আইডিআরএ’-এর সদস্য কুদ্দূস খান বলেন, ‘আইডিআরএ’ তাকাফুল বিধি এখনো তৈরী করেনি। এক্ষেত্রে প্রত্যেক ইসলামী বীমা কোম্পানীর নিজস্ব কথিত শরী‘আহ বোর্ড রয়েছে বলে তাদের দাবী। কিন্তু এ বোর্ডগুলো শরী‘আহ আইন মানার পরিবর্তে কোম্পানীর স্বার্থকেই বেশী প্রাধান্য দেয়।

দেশে মোট ১১টি ইসলামী বীমা কোম্পানী ব্যবসা করছে। এছাড়া বিদেশী কোম্পানিগুলোও আলাদা উইং খুলে ব্যবসা করে আসছে।

প্রাইম ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর শামসুল হুদা স্বীকার করে বলেন, শরী‘আহ আইন ছাড়াই ইসলামী বীমা ব্যবসা করছে সবাই। তবে কিছুটা নিয়ম-কানুন পৃথক আছে।

দেশে পরিবেশ বান্ধব ‘বায়োচার’ চুল্লি উদ্ভাবন

জ্ঞান-বিজ্ঞানে নিত্যনতুন কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখছেন বাংলাদেশের উদ্ভাবনী চিন্তাশক্তির মানুষেরা। এবার 'বায়োচার' উৎপাদনের চুল্লি উদ্ভাবন করলেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শামীম মিয়া।

এ উদ্ভাবনের ফলে বাংলাদেশের কৃষি খাতের সামনে উন্মোচিত হয়েছে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার। একই সঙ্গে নগরজীবনকে আবর্জনার দুর্গন্ধযুক্ত অভিশাপ থেকে মুক্তির পথও খুলে গেছে। ‘বায়োচার’ এক ধরনের চার কোনাকার কয়লা, যা সীমিত অক্সিজেনের উপস্থিতিতে তাপের সাহায্যে জৈব পদার্থ থেকে তৈরী করা হয়। কাঠ, কাঠের গুঁড়া, আগাছা বা শহরের আবর্জনা থেকে তৈরী করা যায় বায়োচার। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে- বায়োচার মাটিতে প্রায় ১০০ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হয়ে মাটির উর্বরা শক্তি বৃদ্ধি করে নানাভাবে। বায়োচার মাটিতে রাসায়নিক সারের কার্যকারিতা বাড়ায়, গাছের খাদ্য উপাদানগুলোকে ধরে রাখে এবং মাটির অম্লত্ব দূর করে।

এছাড়া বায়োচার তৈরীর সময় যে তাপ উৎপন্ন হয়, তা রান্নার কাজেও ব্যবহার করা যায়। চুল্লির উদ্ভাবক শামীম মিয়া জানিয়েছেন, বাংলাদেশে ঢাকাসহ অন্যান্য শহরের আবর্জনা ব্যবহার করে বায়োচার উৎপন্ন করা গেলে একদিকে যেমন দূষণ কমে যাবে, অন্যদিকে সার হিসেবে জমিতে ব্যবহার করা যাবে। ৩ বছরেরও অধিক সময় ধরে গবেষণার পর তিনি এটি উদ্ভাবন করতে সক্ষম হন। বর্তমানে এর কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণা চলছে।

দেশে প্রতিবছর কিডনী রোগে মারা যাচ্ছে ৪০ হাযার মানুষ

দেশের ২ কোটি মানুষ কোন না কোনভাবে কিডনঅ-সংক্রান্ত রোগে আক্রান্ত। প্রতিবছর প্রায় ৪ লাখ মানুষ নতুন করে এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এদের মধ্যে প্রায় ৪০ হাযার রোগী কিডনি  বিকল হয়ে মৃত্যুবরণ করছে। প্রতিদিনই বাড়ছে এই কিডনি রোগীর সংখ্যা। কিডনি রোগ সম্পর্কিত বিভিন্ন পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে এসেছে। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, এ রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে পারলে এবং সময়মতো চিকিৎসা সম্ভব হলে এ ঘাতকব্যাধি অনেকাংশেই রোধ করা সম্ভভব। এছাড়া ওষুধের যথেচ্ছ ব্যবহার ও ভেজাল খাবারের জন্য কিডনি বিকল অনেকাংশেই দায়ী বলে উল্লেখ করেন।

কিডনিকে একটি নীরব ঘাতক উল্লেখ করে ঢাকা মেডিকেলের কিডনি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. সহেলী আহমাদ বলেন, শিশু বয়স থেকেই কিডনি সংরক্ষণে উদ্যোগ নিতে হবে। সব ধরনের ফাস্ট ফুড, কোমল পানীয় এবং পরবর্তীতে ধূমপান পরিহার করতে হবে। একই সঙ্গে একজন মানুষের কোনভাবেই একদিনে ৬ চামচ চিনি এবং ৫ চামচ লবণের বেশি খাওয়া ঠিক নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

অপর কিডনি  বিশেষজ্ঞ ডা. এম এ ছামাদ বলেন, কিডনি  রোগ অত্যন্ত ভয়াবহ। কিডনি সচল ও সুস্থ রাখতে তিনি অধিক পানি পান ও ব্যায়াম করার ওপর সবচেয়ে গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে তিনি কয়েকটি বিষয় মেনে চলার পরামর্শ দেন। সেগুলো হলো- কায়িক পরিশ্রম, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়েবেটিকস নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণ, ওযন নিয়ন্ত্রণে রাখা, ধূমপান থেকে বিরত থাকা, ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন ওষুধ সেবন না করা এবং নিয়মিত কিডনির কার্যকারিতা পরীক্ষা করা।


বিদেশ

ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ১০ সহস্রাধিক

ইবোলো ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ১০ হাযারের বেশী লোকের মৃত্যু হয়েছে। এদের অধিকাংশই পশ্চিম আফ্রিকার বাশিন্দা। ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’ একথা জানিয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী সিয়েরালিওন, গিনি ও লাইবেরিয়ায় প্রাণঘাতী এই রোগের সবচেয়ে বেশী প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এই তিন দেশে ২৪ হাযার ৩৫০ জনের শরীরে ইবোলা ভাইরাস ধরা পড়েছে। এক বছরের বেশী সময় আগে শুরু হওয়া এই মহামারীতে এখন পর্যন্ত ১০ হাযার ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ইবোলায় আক্রান্ত হয়ে মালিতে ৬ জন, যুক্তরাষ্ট্রে একজন ও নাইজেরিয়ায় আটজনের মৃত্যু হয়েছে।

৯০ বছর পর জামা‘আতে ছালাত আদায়ের সুযোগ পেলেন তুর্কী সেনা সদস্যরা

দীর্ঘ ৯০ বছর পর জামা‘আতে ছালাত আদায়ের সুযোগ পেল তুর্কী সেনাবাহিনী। প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোগান ৯০ বছর ধরে চলা এই নিষেধাজ্ঞা গত ১৮ই মার্চ রাতে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। কামাল আতাতুর্ক উছমানীয় খেলাফত উচ্ছেদের পর সৈন্যদের জামা‘আতে ছালাত আদায়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারী করেছিলেন। তিনি সৈনিকদের মধ্যে ইসলাম অনুসারীদের ওপর বেশ বিরূপ ছিলেন। তার উত্তরসূরীরাও কড়াভাবে নযর রাখতেন যাতে কেউ ইসলামী অনুশাসন পালন না করে। এমনকি ছালাত আদায় করলে এতদিন চাকরিচ্যুত পর্যন্ত করা হ’ত তুর্কী সেনা সদস্যদের। এরদোগান ক্ষমতায় আসার পর ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে।

[আলহামদুলিল্লাহ! মোর্দা সুন্নাত যিন্দা করার মহা পুরস্কারে তিনি ভূষিত হবেন। তুরস্ক তার হারানো খেলাফতী ঐতিহ্য ফিরে পাক। আমরা আল্লাহর নিকট সেই প্রার্থনা করব (স.স.)]

ইউরোপে ২০৫০ সাল নাগাদ ২০ শতাংশ মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাবে

আগামী ২০৫০ সালের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোতে মুসলিম জনসংখ্যার হার ২০ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে। সম্প্রতি এমন ভবিষ্যদ্বাণী করেছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে ইউরোপে মুসলিম জনসংখ্যার হার মোট জনসংখ্যার চার শতাংশের মতো। তবে অভিবাসী এবং ইউরোপীয় মুসলিমদের উচ্চ জন্মহার মিলিয়ে যেটা দাঁড়াচ্ছে সেটা হ’ল ইউরোপের অন্যান্য ধর্মীয় সম্প্রদায়ের চেয়ে মুসলিমদের বৃদ্ধির হার গাণিতিক হারে বাড়ছে। এতে করে আশা করা যায়, ৪০ বছর পর ইউরোপের মোট জনসংখ্যার এক পঞ্চমাংশ হবে মুসলিম। সম্প্রতি ব্রিটেনে কয়েকটি সংবাদ মাধ্যম মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধিকে মুসলিম জন্যসংখ্যা বোমা হিসাবে আখ্যা দিয়েছে।

সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর সিঙ্গাপুর, কম ব্যয়বহুল করাচী

বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর হিসাবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সিঙ্গাপুর। ইকোনোমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট প্রকাশিত এক গবেষণার ফলাফলে এ তথ্য উঠে এসেছে। বিশ্বের সবচেয়ে কম ব্যয়বহুল শহর হিসাবে তালিকার শীর্ষে আছে পাকিস্তানের করাচী। এরপর আছে ভারতের ব্যাঙ্গালুর। ভারতের আরো দু’টি শহর শীর্ষ অবস্থানে থাকলেও তিন নাম্বারে আছে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, এক বছর ধরে বিশ্বের শীর্ষ ব্যয়বহুল শহরগুলোর অবস্থান অপরিবর্তিত রয়ে গেছে। প্রথমে সিঙ্গাপুর, এরপর প্যারিস, তারপর যথাক্রমে অসলো, জুরিখ ও সিডনী। ২০১৪ সালে টোকিওকে সরিয়ে সিঙ্গাপুর সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর হিসাবে শীর্ষস্থান দখল করে।

প্রতিবেদনে উঠে আসা বিভিন্ন দিকগুলি বিশ্লেষণে দেখা যায় দৈনন্দিন মুদী পণ্যের মূল্য বিবেচনায় নিউইয়র্ক থেকে সিঙ্গাপুর ১১ শতাংশ বেশী ব্যয়বহুল। পোশাকের জন্য সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর সিউল। নিউইয়র্ক থেকে এখানে পোশাকের মূল্য ৫০ শতাংশ বেশী। অপরদিকে সিঙ্গাপুরের জীবনযাত্রায় পরিবহন খরচ অত্যন্ত বেশী, যা নিউইয়র্কের তুলনায় প্রায় তিনগুণ।

ইরাকে আমেরিকান সেনা অভিযানই ‘আইএসআইএল’ সৃষ্টি করেছে

-বারাক ওবামা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা স্বীকার করেছেন, ইরাকে মার্কিন সেনা অভিযানের ফলেই ‘আইএসআইএল’ বা ‘আইএস’-এর সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি এমন মন্তব্য করেন। ওবামা বলেন, আল-কায়েদা থেকে সরাসরি ‘আইএসআইএল’-এর সৃষ্টি হয়েছে এবং ইরাকে আমেরিকার সেনা অভিযানের ফলেই এর উদ্ভব ঘটেছে। তিনি তার ভাষায় ইরাকসহ মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনা অভিযানের অনাকাংখিত প্রতিক্রিয়া হিসাবে উল্লেখ করে বলেন, এ কারণেই আমেরিকার উচিত কোনো বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার আগে লক্ষ্যবস্ত্ত সঠিকভাবে নির্ধারণ করা।

এছাড়া পূর্ববর্তী প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের নীতিও তিনি অনুসরণ করছেন না বলেও জানান ওবামা। তিনি বলেন, ৬০টি দেশকে নিয়ে জোট গঠন করা হয়েছে এবং এ জোট ধীরে ধীরে ইরাক থেকে আইএসআইএলকে হটিয়ে দেবে। ইরাকে মার্কিন

আগ্রাসনের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে চরমপন্থী মতবাদের উদ্ভবের সম্পর্কের কথা এই প্রথম স্বীকার করলেন কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট। জাতিসংঘকে পাশ কাটিয়ে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ ২০০৩ সালে ইরাকে আগ্রাসন চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।

[একেই বলে ভূতের মুখে রাম রাম। কিন্তু প্রশ্ন হ’ল এইসব ভূতেরা কি দায়মুক্ত? এরা কি বিশ্বব্যাপী যুলুম চালিয়ে যাবার একচ্ছত্র লাইসেন্স পেয়ে গেছে? আন্তর্জাতিক আদালত কি এদের ব্যাপারে অপারগ? (স.স.)]

প্রথমবারের মত আকাশে উড়ল সৌরচালিত বিমান

প্রথমবারের মত জ্বালানী ছাড়াই সফলভাবে আকাশে উড়ল বিমান। সৌরশক্তিচালিত ‘দ্য সোলার ইমপালস ২’ নামের বিমানটি আরব আমিরাতের আবুধাবি থেকে যাত্রা শুরু করেছে। আগামী পাঁচ মাসে এই বিমানে করে গোটা বিশ্ব ভ্রমণ করবেন বিমানটির দুই চালক আন্দ্রে ও বার্নার্ড। অতিক্রম করবেন প্রায় ৩৫ হাযার কিলোমিটার। পাড়ি দিবেন প্রশান্ত ও আটলান্টিকের মত বিশাল মহাসাগর। সেই সঙ্গে বিশ্বে প্রচারিত হবে অপ্রচলিত শক্তি হিসাবে সৌরশক্তির এই অভাবনীয় সাফল্যের কথা। তবে বিশ্ব প্রদক্ষিণে বিমানটির মহাকাব্যিক এই যাত্রার সাফল্যের অনেকটাই নির্ভর করছে এর দুই পাখায় বসানো মোট ১৭ হাযার সৌর প্যানেলের ওপর।






উড়োজাহায বিধ্বস্তের ৪০ দিন পর আমাজন জঙ্গল থেকে ৪ শিশুকে জীবিত উদ্ধার
যুক্তরাষ্ট্রের মত বন্ধু থাকলে আর কোন শত্রুর দরকার নেই : টুস্ক
যেলা পরিষদ নির্বাচন (টাকা ফেরত পেতে বাড়ি বাড়ি ধরণা পরাজিতদের)
ক্ষুধার্ত শিশুকে বুকের দুধ দিয়ে মানবিকতার নযীর সৃষ্টি করল আর্জেন্টিনার নারী পুলিশ
ভারত ও মিয়ানমার থেকে আসছে ভয়ংকর মাদক (দেশে দেড় কোটি মাদকাসক্তের ৮০ ভাগের বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছর)
ফারাক্কা ও গজলডোবা বাঁধ ভেঙ্গে দাও - -বাপা
৬২% প্রক্রিয়াজাত প্যাকেট খাবারে অতিরিক্ত লবণ
চীনে ক্লোনের মাধ্যমে জন্মলাভ করা ‘সুপার কাউ’ এক লাখ লিটার দুধ দেবে!
২০২২ সালে ক্যান্সারে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ১ কোটি মানুষের (২০৫০ সালের মধ্যে ক্যান্সার বাড়বে ৭৭ শতাংশ!)
পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক সম্পদের মালিক ৮ জন
যুদ্ধের চেয়ে আত্মহত্যা করেছে ৪ গুণ বেশী মার্কিন সেনা
জাদুকরী মাছের ব্যাংক হালদা সংরক্ষণে চাই সম্মিলিত উদ্যোগ
আরও
আরও
.