উত্তর :প্রথমত যদি কোন নারী নিফাস শেষ হওয়া বুঝতে না পারার কারণে ২-৩ ওয়াক্ত ছালাত আদায় না করেন, তাহ’লে তিনি যখন নিশ্চিতভাবে পবিত্র হওয়ার বিষয়টি জানতে পারবেন, তখন ঐ ছালাতগুলোর ক্বাযা আদায় করবেন। কারণ পবিত্র হওয়ার পর থেকেই ছালাত ফরয হয়ে যায়। অজ্ঞতা বা ভুলবশত সময়মতো আদায় না করলে স্মরণ হওয়ার পর তা আদায় করতে হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোন ছালাত ভুলে যায় বা ঘুমিয়ে যায়, তার কাফফারা হ’ল যখন স্মরণ হবে তখনই তা আদায় করা (মুসলিম হা/৬৮৪; মিশকাত হা/৬০৩)। নববী বলেন, হায়েয বন্ধ হওয়া এবং পবিত্রতা অর্জিত হওয়ার লক্ষণ হ’ল: রক্ত নিঃসরণ এবং হলুদ ও ঘোলাটে স্রাব সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়া। সুতরাং যখন এগুলো বন্ধ হয়ে যাবে, তখন সে মহিলা পবিত্র বলে গণ্য হবে, চাই এরপর সাদা স্রাব বের হোক কিংবা না হোক (আল-মাজমূ‘ ২/৫৬২)দ্বিতীয়ত যদি ফজরের আগে, এমনকি গভীর রাতেও হায়েয বা নিফাস শেষ হয়ে যায় এবং এশার সময় তখনো অবশিষ্ট থাকে, তাহ’লে গোসল করে এশার ছালাত আদায় করবে। ফজর পর্যন্ত বিলম্ব করা বৈধ নয়। কারণ পবিত্র হওয়ার পর ছালাতের সময় অবশিষ্ট থাকলে তা আদায় করা ফরয। আর যদি ফজরের ওয়াক্তে পবিত্র হন এবং এশার সময় ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গিয়ে থাকে, তবে কেবল ফজরের ছালাত আদায় করবেন (ইবনু কুদামাহ, আল-মুগনী ১/২৮৭)

প্রশ্নকারী : সালমা অখতার, পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।








প্রশ্ন (২৮/৩৪৮) : দীর্ঘ বিবাহিত জীবনে স্বামীর সমস্যার কারণে সন্তান হচ্ছে না। এমতাবস্থায় স্বামীর নিকট থেকে তালাক নিয়ে অন্যত্র বিবাহ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৫/১১৫) : পাত্রের পিতা-মাতা উভয়ে মৃত। অভিভাবক হওয়ার মত কেউ নেই। এক্ষণে পাত্রীর পিতা-মাতার সম্মতি ও ব্যবস্থাপনায় বিবাহ সম্পন্ন করা যাবে কি? - -নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, ঢাকা।
প্রশ্ন (১৮/১৩৮) : আমার বন্ধু একজন সরকারী কর্মচারী। সরকারী নির্দেশমতে তাকে মন্দির ও মাযারে ব্লিচিং পাউডার ছড়াতে হয়। শিরকের কেন্দ্রে এসব কাজ করতে তার ঈমানে বাধা দেয়। কিন্তু বাধ্য হয়ে করেন। এজন্য তিনি গোনাহগার হবেন কি?
প্রশ্ন (৬/২০৬) :কুরআন হাত থেকে পড়ে গেলে তার ওযনে চাউল ছাদাক্বা করতে হবে কি?
প্রশ্ন (১/৩২১) : ‘সকল বিধান বাতিল কর, অহি-র বিধান কায়েম কর’ কেবল এই শ্লে­াগান দিলেই কি দ্বীন কায়েম হয়ে যাবে? না দ্বীন কায়েমের জন্য আরো কিছু করণীয় আছে? বুলেট বা ব্যালট ব্যতীত কেবল দাওয়াতের মাধ্যমে দ্বীন প্রতিষ্ঠার কোন সম্ভাবনা আছে কি?
প্রশ্ন (৮/৪০৮) : আল্লাহ তা‘আলা রামাযান মাসে কোন ধরনের জাহান্নামীকে মুক্তি দেন? এটা কি তাকদীর অনুসারে হয়ে থাকে? এ মাসে সকল মুমিনের কবর আযাব ক্ষমা করে দেওয়া হয় কি? কবর আযাব ক্ষমা করা হলে তাকি কেবল রামাযানের ৩০ দিনের জন্য, না ক্বিয়ামত পর্যন্ত?
প্রশ্ন (১৬/২৫৬) : ‘সৌভাগ্যবান হওয়ার চারটি জিনিস (১) সতী-সাধ্বী স্ত্রী (২) প্রশস্ত বাসস্থান বা বাড়ি (৩) সৎ প্রতিবেশী (৪) আরামদায়ক যানবাহন। আর দুর্ভাগা হওয়ার চারটি জিনিস (১) খারাপ প্রতিবেশী (২) মন্দ স্ত্রী (৩) বিপদজনক যানবাহন (৪) সংকীর্ণ বাসস্থান (সিলসিলা ছহীহাহ হা/২৮৩ ও ১৯০৩)। উক্ত হাদীছের ব্যাখ্যা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৫/২৭৫) : রামাযান মাসে একই ব্যক্তি সাহারী ও ফজরের আযান দিতে পারবে কি? - -নযরুল ইসলাম, কালাইবাড়ী, নিয়ামতপুর, নওগাঁ।
প্রশ্ন (১৯/৫৯) : কোন স্থানে মুসলিম-অমুসলিম উভয় শ্রেণীর লোক থাকলে সেখানে সালাম দেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (১৪/৪১৪) : পাত্রী দেখার সময় পাত্র, পাত্রীর শরীরের কতটুকু অংশ দেখতে পারবে?
প্রশ্ন (৬/২৮৬) : ক্বাযা ছালাত নিষিদ্ধ সময়ে আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২১/২১): রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, তোমরা রসুন খাও, এতে আরোগ্য রয়েছে; কিন্তু অন্যদের ওপর গন্ধ ছড়াবে না’। হাদীছটি কি ছহীহ?
আরও
আরও
.