উত্তর : মৃত ব্যক্তির কবরে লাল ক্বাতীফা (قَطِيفَة) বা মখমল কাপড় বিছানো সুন্নাত নয়। বরং অধিকাংশ বিদ্বানের মতে এটি অপ্রয়োজনীয় এবং মাকরূহ। কারণ রাসূল (ছাঃ)-এর কবরে সেটা দেওয়া হয়েছিল বিশেষ কারণে। ইমাম নববী বলেন, বিজ্ঞ আলেমদের মতে, রাসূল (ছাঃ)-এর মুক্তদাস শুক্বরান (রাঃ) মূলত নিজের ব্যক্তিগত মতের ভিত্তিতেই এটি করেছিলেন। ছাহাবীগণের মধ্য থেকে কেউ তাঁর এই সিদ্ধান্তের সাথে একমত হননি এবং তাঁরা তার এই কাজটির কথা জানতেনও না (মির‘আত ৫/৪২৭)। তিনি আরো বলেন, এই মখমলের চাদরটি শুক্বরান (রাঃ) কবরের নীচে ফেলেছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন, ‘রাসূল (ছাঃ)-এর পর এটি অন্য কেউ পরিধান বা ব্যবহার করুক তা আমি পসন্দ করি না’ (শরহ মুসলিম ৭/৩৪)। আবার কোন কোন বিদ্বান এটাকে রাসূলের জন্য খাছ মনে করেন। আবার কেউ বলেন, এটা বের করে নেওয়া হয়েছিল (মির‘আত ৫/৪২৭)। ইবনে আববাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি মৃত ব্যক্তির নীচে তার কবরে কোন কাপড় বা চাদর বিছানোকে অপসন্দ করতেন (বায়হাকবী, হা/৬৭২২; তোহফা ৪/১২৭)। অতএব উক্ত হাদীছ দ্বারা কবরে চাদর বিছানোর দলীল নেওয়া যাবে না।

প্রশ্নকারী : তাজমুল খান, পূর্ব বর্ধমান, ভারত।








বিষয়সমূহ: কবর
প্রশ্ন (২০/১৮০) : রাসূল (ছাঃ)-এর কবরকে রওযা বা মাযার বলা যাবে কি? - -তাওহীদুল ইসলামরহনপুর, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (৩৮/১১৮) : ঘরে কোন বই বা পত্র-পত্রিকার ভিতরে বা বাইরে যদি মানুষ বা প্রাণীর ছবি থাকে, তাহ’লে সেই ঘরে ছালাত হবে কি?
প্রশ্ন (১৭/৩৭৭) : জুম‘আর ছালাত আদায়রত অবস্থায় মাইকের লাইন বন্ধ হয়ে গেলে এবং কিছু মুছল্লী ইমাম ছাহেবের আওয়ায শুনতে না পেলে তাদের জন্য করণীয় কি?
প্রশ্ন (১৪/৪১৪) : নিষিদ্ধ সময়ে ঘুম থেকে উঠলে ছালাত আদায় করা যাবে কি? না উক্ত সময় অতিক্রান্ত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে?
প্রশ্ন (৩৪/৪৩৪) : জনৈক আলেম বলেন, কোন নারী যদি কাউকে বালেগ হওয়ার পরেও স্বীয় দুগ্ধ পান করায়, সে উক্ত নারীর জন্য হারাম হয়ে যাবে। এর সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (২০/৩০০) : মৃত্যু যন্ত্রণা ও কবরের আযাব থেকে বাঁচার উপায় জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২৮/৩৪৮) : অনেকে ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় ‘আসসালামু আলাইকুম’ না বলে ‘সলামালাইকুম’ বলে ফেলে। এভাবে বিকৃত উচ্চারণের কারণে গুনাহগার হ’তে হবে কি?
প্রশ্ন (২৪/৪৬৪) : প্রথম আলো ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ইং সংখ্যায় দারুল এহসান বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা-এর অধ্যাপক আবুল মনিম খান এক নিবন্ধে বলেন, যে ব্যক্তির কাছে ঈদের দিন সুবহে সাদিকের সময় জীবিকা নির্বাহের অত্যাবশ্যকীয় উপকরণ ব্যতীত সাড়ে সাত তোলা সোনা অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা অথবা সমমূল্যের অন্য কোন সম্পদ থাকে তার উপর ছাদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব। এই পরিমাণ সম্পদকে শরীয়তের পরিভাষায় নিছাব বলা হয়। প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের উপর ছাদাকাতুল ফিৎর আদায় করা ওয়াজিব। উক্ত দাবী কি সঠিক?
প্রশ্ন (২/২৮২) : ‘হিন্দুস্থানে একটি যুদ্ধ হবে এবং সেখানে শাহাদতবরণকারীগণ জান্নাতে যাবে’ মর্মের বর্ণনাটির কোন সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (৩/২৪৩) : সূরা ‘আলাক্ব ছালাতে তেলাওয়াত করলে শেষ আয়াতে তেলাওয়াতের সিজদা ও ছালাতের সিজদার মধ্যে কিভাবে পার্থক্য করা হবে?
প্রশ্ন (৭/২৪৭) : জমির বর্গাচাষীর ফসল নষ্ট হ’লে কি উভয়ে ক্ষতির অংশীদার হবে? - -ডা. শামসুল হক, পবা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৪/৪০৪) : রাস্তার পাশে অবস্থিত গাছে সুবহানাল্লাহ, আল-হামদুলিল্লাহ ও আল্লাহু আকবারের ফেস্টুন টাঙানো যাবে কী?
আরও
আরও
.