উত্তর : এরূপ কোন বিধান শরী‘আতে নেই। বরং সর্বাবস্থায় কুরআন-হাদীছে বর্ণিত দো‘আ সমূহের মাধ্যমে মাইয়েতের জন্য মাগফেরাতের দো‘আ করবে। যেমন পিতা-মাতার জন্য দো‘আ করবে, ‘রবিবরহাম্হুমা কামা রববাইয়া-নী ছগীরা’ (হে আমার প্রতিপালক! তুমি তাদের উপরে দয়া কর, যেমন তারা আমাকে শৈশবে দয়ার সাথে প্রতিপালন করেছিলেন (বনু ইস্রাঈল ২৪)। এছাড়াও অন্যদের উদ্দেশ্যে ‘রববানাগফিরলী ওয়ালিওয়া-লিদাইয়া ওয়া লিলমু’মিনীনা ইয়াওমা ইয়াক্বূমুল হিসা-ব’ (হে আমাদের প্রভু! আমাকে ও আমার পিতা-মাতাকে এবং সকল ঈমানদারকে ক্ষমা কর যেদিন হিসাব অনুষ্ঠিত হবে’ (ইব্রাহীম ৪১)।
উল্লেখ্য যে, ধর্মের নামে যত বিদ‘আত সৃষ্টি হয়েছে, তার প্রায় সবই মাইয়েতের উদ্দেশ্যে দিন-তারিখ ঠিক করে মাগফেরাত কামনার দোহাই দিয়ে হয়েছে। মৃত্যুবার্ষিকী, জন্মবার্ষিকী, ৩ দিনে তীজা, ১০ দিনে দাসওয়াঁ, ৪০ দিনে চল্লিশা সবই বিদ‘আতের অন্তর্ভুক্ত। অতএব এসব হ’তে বিরত থাকা আবশ্যক (দ্র. ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) ‘মৃত্যু পরবর্তী শিরক ও বিদ‘আত সমূহ’ অধ্যায়)।
প্রশ্নকারী : রামীম*, নীলফামারী।
* রামীম অর্থ ‘পচা-গলা’। এরূপ নাম রাখা হ’তে বিরত থাকুন। দ্র. ‘মাসায়েলে কুরবানী, ‘আক্বীক্বা’ অধ্যায় (স.স.)]