পৃথিবীর বুকে আল্লাহ তা‘আলার সবচেয়ে প্রিয় স্থান হ’ল মসজিদ। এটি মহান আল্লাহর উদ্দেশ্যে মুমিনের সর্বোচ্চ আনুগত্য নিবেদনের স্থান। এটি মুমিনের হৃদয়ের প্রশান্তির ঠিকানা, দুনিয়ার শত ব্যস্ততা ও কোলাহলের মাঝে এক টুকরো জান্নাত। আমরা যখন কোন সম্মানিত ব্যক্তির বাড়িতে অতিথি হয়ে যাই, তখন প্রথমেই তাকে সালাম বা অভিবাদন জানাই। ঠিক তেমনি মহান রাববুল ‘আলামীনের ঘরে প্রবেশ করার পর সেই ঘরে বসার জন্য দুই রাক‘আত ‘তাহিইয়াতুল মসজিদ’ ছালাত আদায় করতে হয়। খুব সহজ ও ছোট্ট এই আমলটির মাঝে লুকিয়ে আছে আল্লাহর প্রতি বান্দার অগাধ প্রেম, বিনয় এবং আত্মিক প্রস্ত্ততির এক গভীর দর্শন।
‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ পরিচিতি : ‘তাহিইয়াতুন’ শব্দের অর্থ উপহার, অভিবাদন, উপঢৌকন বা সালাম। আর ‘মাসজিদ’ অর্থ সিজদার স্থান। পারিভাষিক অর্থে, মসজিদে প্রবেশ করার পর বসার পূর্বেই মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির লক্ষ্যে যে দুই রাক‘আত নফল ছালাত আদায় করা হয়, তাকে ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ ছালাত বলা হয়। এই ছালাতকে অন্য নামে ‘দুখূলুল মাসজিদ’ বা মসজিদে প্রবেশের ছালাতও বলে।
‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’-এর হুকুম : ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ দুই রাক‘আত ছালাত আদায় করা সুন্নাতে মুওয়াক্কাদাহ। সুতরাং মসজিদে প্রবেশ করলে দুই রাক‘আত ছালাত আদায় করার পূর্বে বসা উচিত নয়।[1] এমনকি জুম‘আর খুৎবা চলাকালীন সময়েও কেউ মসজিদে প্রবেশ করলে রাসূল (ছাঃ) ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন।[2] অন্য হাদীছে রাসূল (ছাঃ) ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ আদায় না করাকে ক্বিয়ামতের অন্যতম আলামত সাব্যস্ত করেছেন। যেমন তিনি বলেন, إِنَّ مِنْ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ أَنْ يَمُرَّ الرَّجُلُ فِي الْمَسْجِدِ لاَ يُصَلِّي فِيهِ رَكْعَتَيْنِ. ‘ক্বিয়ামতের অন্যতম নিদর্শন হ’ল, মানুষ মসজিদে প্রবেশ করবে, অথচ দু’রাক‘আত ছালাত আদায় করবে না’।[3]
তাহিইয়াতুল মাসজিদ আদায়ের সময় : মসজিদে প্রবেশ করার পর বসার পূর্বে এই ছালাত পড়তে হয়। তবে বসে পড়ার পর মনে পড়লে বা কেউ ভুলক্রমে বসে পড়লে সাথে সাথে দাঁড়িয়ে ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ দুই রাক‘আত ছালাত আদায় করে নেওয়া উত্তম।
তাহিইয়াতুল মাসজিদ আদায়ের তাৎপর্য :
তাহিইয়াতুল মাসজিদ কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর গভীরে রয়েছে চমৎকার কিছু আধ্যাত্মিক ও মানসিক তাৎপর্য।
১. দুনিয়া থেকে আখেরাতে প্রবেশের সেতুবন্ধন : আমরা যখন রাস্তাঘাট, অফিস বা ব্যবসার কাজ শেষে মসজিদে প্রবেশ করি, তখন আমাদের মস্তিষ্ক দুনিয়ার হাযারো চিন্তায় আচ্ছন্ন থাকে। সরাসরি ফরয ছালাতে দাঁড়িয়ে গেলে সেই দুনিয়াবি চিন্তাগুলো আমাদের ইবাদতের একাগ্রতা বা খুশূ-খুযূ নষ্ট করে দেয়। তাহিইয়াতুল মাসজিদের এই দুই রাক‘আত ছালাত আমাদের মনকে দুনিয়ার কোলাহল থেকে মুক্ত করে ধীরে ধীরে আল্লাহর দিকে ধাবিত হওয়ার একটি মানসিক প্রস্ত্ততি হিসাবে কাজ করে।
২. হৃদয়ের পরিশুদ্ধি ও প্রশান্তি : এই দুই রাক‘আত ছালাত এক অদভূত প্রশান্তি বয়ে আনে। যখনই মসজিদে ঢুকে ধীরস্থিরভাবে আপনি তাহিইয়াতুল মসজিদে দাঁড়াবেন, অনুভব করবেন আপনার ভেতরের অস্থিরতাগুলো দূর হয়ে যাচ্ছে। তাড়াহুড়ো করে মসজিদে এসে ধপ করে বসে পড়ার চেয়ে দুই রাক‘আত ছালাত পড়ে বসার মধ্যে রয়েছে এমন এক আধ্যাত্মিক গাম্ভীর্য, যা আপনার পুরো ইবাদতের পরিবেশকেই বদলে দিবে।
৩. আল্লাহর মেহমানদারীর হক আদায় : যখন কেউ কোন সম্মানিত ব্যক্তির ঘরে প্রবেশ করেন, তখন প্রথমেই তাকে সালাম জানান। আর মহান আল্লাহ হ’লেন রাজাধিরাজ। তাঁর ঘরে প্রবেশ করে বসার আগে দুই রাক‘আত ছালাতের মাধ্যমে তাঁকে সম্মান জানানো বান্দার পক্ষ থেকে শ্রেষ্ঠ আদব। এই দুই রাক‘আত ছালাত হ’তে পারে আপনার আমার নাজাতের অসীলা। কিবয়ামতের দিন যেদিন কোন ছায়া থাকবে না, সেদিন মসজিদের সাথে সম্পর্ক রাখা ব্যক্তিদের আল্লাহ তাঁর আরশের ছায়ায় স্থান দিবেন।[4] তাহিইয়াতুল মাসজিদ সেই সম্পর্কেরই এক উজ্জ্বল প্রমাণ বহন করে থাকে।
কতিপয় বিধান :
আযানের পূর্বে মসজিদে গেলে করণীয় : আযানের পূর্বে মসজিদে প্রবেশ করার পর যদি দুই রাক‘আত ছালাত আদায় করার মত সময় থাকে তাহ’লে তা আদায় করে বসবেন। তবে সময় না থাকলে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করবেন। আযানের পর মাগরিবের পূর্বেও দুই রাক‘আত নফল ছালাত আদায় করবেন। রাসূল (ছাঃ) বলেন,صَلُّوا قَبْلَ الْمَغْرِبِ رَكْعَتَيْنِ. ثُمَّ قَالَ صَلُّوا قَبْلَ الْمَغْرِبِ رَكْعَتَيْنِ. ثُمَّ قَالَ عِنْدَ الثَّالِثَةِ لِمَنْ شَاءَ. كَرَاهِيَةَ أَنْ يَتَّخِذَهَا النَّاسُ سُنَّةً. ‘তোমরা মাগরিবের পূর্বে দুই রাক‘আত ছালাত পড়। তোমরা মাগরিবের পূর্বে দুই রাক‘আত ছালাত পড়। অতঃপর তৃতীয় বারে তিনি বললেন, যার ইচ্ছা। যেন লোকেরা এ আমলকে আবশ্যক সুন্নাত হিসাবে গ্রহণ না করে’। [5]
খত্বীবের জন্য ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ আদায় করার বিধান : খুৎবার নির্ধারিত সময়ের পূর্বে খত্বীব মসজিদে প্রবেশ করলে অবশ্যই ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ দুই রাক‘আত ছালাত পড়ে বসবেন। তবে একেবারে খুৎবার সময়ে পৌঁছলে ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ না পড়েও সরাসরি মিম্বরে ওঠতে পারেন। কেননা জুম‘আর দিন রাসূল (ছাঃ) মসজিদে গিয়েই খুৎবার জন্য সরাসরি মিম্বরে বসতেন।[6] এ সুযোগ কেবল খত্বীবের জন্য, সাধারণ মুছল্লীদের জন্য নয়।
ওযরবশত ঈদায়নের ছালাত মসজিদে পড়তে হ’লে করণীয় : বৃষ্টি বা অন্য কোন কারণে ঈদায়নের ছালাত মসজিদে আদায় করা হ’লে মসজিদে বসার পূর্বে দুই রাক‘আত ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ ছালাত আদায় করতে হবে। কেননা এটা মসজিদের আদবের সাথে সম্পর্কিত সুন্নাত। ঈদায়নের ছালাতের সাথে সম্পর্কিত নয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন,إِذَا دَخَلَ أَحَدُكُمُ الْمَسْجِدَ فَلاَ يَجْلِسْ حَتَّى يُصَلِّيَ رَكْعَتَيْنِ وفي رواية فَلْيَرْكَعْ رَكْعَتَيْنِ قَبْلَ أَنْ يَّجْلِس. ‘তোমাদের কেউ মসজিদে প্রবেশ করলে দুই রাক‘আত ছালাত আদায় করার পূর্বে যেন না বসে’। অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘সে যেন বসার পূর্বে দুই রাক‘আত ছালাত আদায় করে নেয়’।[7] উক্ত বিষয়ে শায়খ বিন বায (রহঃ) বলেন, ‘ঈদের ছালাত মসজিদে আদায় করতে হ’লে তার পূর্বে দুই রাক‘আত ছালাত আদায় করবে, যদিও তখন নিষিদ্ধ সময় হয়। তবে ঈদগাহে ঈদের ছালাত আদায় করলে তার পূর্বে ও পরে আর অন্য কোন ছালাত নেই’।[8] শায়খ উছায়মীন (রহঃ) একই বক্তব্য প্রদান করেন।[9]
জুম‘আর খুৎবা চলাকালীন ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ আদায় : তাহিইয়াতুল মাসজিদের গুরুত্ব যে কত বেশী, তা জুম‘আর দিনের একটি ঘটনা থেকে সহজে অনুধাবন করা যায়। ইমামের খুৎবা চলাবস্থায়ও যদি কেউ মসজিদে প্রবেশ করে, তবুও তাকে এই দুই রাক‘আত ছালাত পড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জাবের বিন আব্দুল্লাহ (রাঃ) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন,جَاءَ سُلَيْكٌ الْغَطَفَانِىُّ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَرَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَاعِدٌ عَلَى الْمِنْبَرِ فَقَعَدَ سُلَيْكٌ قَبْلَ أَنْ يُصَلِّىَ فَقَالَ لَهُ النَّبِىُّ صلى الله عليه وسلم أَرَكَعْتَ رَكْعَتَيْنِ. قَالَ لاَ. قَالَ قُمْ فَارْكَعْهُمَا. ‘জুম‘আর দিন নবী করীম (ছাঃ) খুৎবা দিচ্ছিলেন। এমতাবস্থায় সুলাইক আল-গাতফানী (রাঃ) মসজিদে প্রবেশ করলেন এবং তাহিইয়াতুল মাসজিদ ছালাত না পড়েই বসে পড়লেন। রাসূল (ছাঃ) খুৎবা থামিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে সুলাইক! তুমি কি দুই রাক‘আত ছালাত পড়েছ? তিনি বললেন, না। নবী কারীম (ছাঃ) বললেন, দাঁড়াও এবং দুই রাক‘আত ছালাত আদায় করো’।[10]
উপরোক্ত হাদীছ থেকে প্রতীয়মান হ’ল, যেখানে খুৎবা শোনা ওয়াজিব, সেখানে খুৎবা চলাকালীন সময়েও এই ছালাত পড়ার নির্দেশ প্রমাণ করে যে, এটি সাধারণ কোন নফল ছালাতের নির্দেশ নয়; বরং অত্যন্ত মর্যাদামন্ডিত ও গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত। সুতরাং খুৎবার সময় কেউ মসজিদে প্রবেশ করলেও সংক্ষিপ্তভাবে দু’রাক‘আত ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ ছালাত পড়ে বসবেন’।[11]
‘ক্বাবলাল জুম‘আ’ বনাম ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ : জুম‘আর দিনে অনেক মসজিদে লক্ষ্য করা যায় যে, মুছল্লীগণ মসজিদে প্রবেশ করে ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ আদায় করেন না। প্রচলিত বয়ানের (বাংলা খুৎবা) পর মূল খুৎবা শুরুর আগে খত্বীব ছাহেব মুছল্লীদেরকে চার রাক‘আত ‘ক্বাবলাল জুম‘আ’ পড়ার সুযোগ দিয়ে থাকেন, যা বিধিসম্মত নয়। কেননা প্রথমত উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছ ও আছারসমূহ যঈফ ও বাতিল।[12] দ্বিতীয়ত এটি তাহিইয়াতুল মাসজিদের ছহীহ হাদীছসম্মত আমলকে রদ করে দেয়। এমনকি কোন কোন মসজিদে ‘সুন্নাতের নিয়ত করবেন না’ মর্মে নির্দেশনাও টাঙিয়ে রাখা হয়। আবার কোন কোন মসজিদে সুন্নাতের নিয়ত না করার জন্য লাল বাতি জ্বালিয়ে রাখা হয়। যা চরম ঔদ্ধত্য বৈ কিছুই নয়।
নিষিদ্ধ সময়ে ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ আদায়ের বিধান : যেকোন সময়ে মসজিদে প্রবেশ করলে বসার পূর্বে এই ছালাত পড়তে হয়। এমনকি সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত এবং ঠিক দ্বি-প্রহরের সময়ও। যখন অন্যান্য ফরয-নফল ছালাত আদায় করা নিষিদ্ধ, তখন কেউ মসজিদে প্রবেশ করলে তাকে ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’-এর দুই রাক‘আত ছালাত আদায় করতে হবে। কেননা এটি রাসূল (ছাঃ)-এর মসজিদ সংক্রান্ত আদবের সাধারণ নির্দেশনা।[13] সুতরাং মসজিদে যেকোন সময় প্রবেশ করলে দুই রাক‘আত ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ ছালাত আদায় করতে হবে।
পাঁচ ওয়াক্ত ফরয বা সুন্নাতের সাথে ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ আদায় প্রসঙ্গ : মসজিদে প্রবেশের পর ফরয বা ওয়াক্তিয়া সুন্নাত আদায় করলে পৃথকভাবে ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ পড়ার প্রয়োজন নেই; এর মাধ্যমেই মসজিদের হক আদায় হয়ে যায়। কারণ মূল উদ্দেশ্য হ’ল মসজিদে বসার পূর্বে ছালাত আদায় করা। তবে সময় থাকলে তাহিইয়াতুল মাসজিদ পড়ে নেওয়া যাবে।
পরিশেষে সম্মানিত পাঠকদের বলব, আসুন! আমরা আমাদের হৃদয় দিয়ে অনুভব করি। আমরা যখনই মসজিদ দেখি, আমাদের হৃদয়ে যেন আল্লাহর ভয় ও ভালোবাসা জাগ্রত হয়। মসজিদে প্রবেশ করে সরাসরি বসে না পড়ে আমরা যেন দুই রাক‘আত ছালাতের মাধ্যমে রবের সম্মুখে উপস্থিত হই। আজ থেকে প্রতিজ্ঞা করি, নিতান্ত কোন অপারগতা ছাড়া আমরা আল্লাহর ঘরে প্রবেশ করে তাঁর নিকট মাথা নত না করে কখনোই বসবো না। আল্লাহ আমাদেরকে তাঁর ঘরের আদব যথাযথভাবে রক্ষা করার তাওফীক দান করুন- আমীন!
ড. ইহসান ইলাহী যহীর
প্রিন্সিপাল, জামে‘আ দারুত তাওহীদ, কচুয়া, চাঁদপুর।
[1]. বুখারী হা/৪৪৪; মুসলিম হা/৭১৪; মিশকাত হা/৭০৪।
[2]. বুখারী হা/৯৩১।
[3]. বায়হাক্বী শো‘আব হা/৮৭৭৮; ছহীহাহ হা/৬৪৯।
[4]. বুখারী, হা/১৪২৩, ৬৩০৮; মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৭০১।।
[5]. আহমাদ হা/২০৫৭১; আবুদাঊদ হা/১২৮১।
[6]. নববী, আল-মাজমূ‘ ৪/৪০১; উছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ-দারব ৮/২।
[7]. বুখারী হা/৪৪৪, ১১৬৩; মুসলিম হা/১৬৮৭; মিশকাত হা/৭০৪।
[8]. ইবনু বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৩/১৫।
[9]. উছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ৫/১৫৩।
[10]. মুসলিম হা/৮৭৫; আহমাদ হা/১৪৪৪৫।
[11]. মুসলিম হা/৭২৬৭ (২৮৯২)।
[12]. ইবনু মাজাহ হা/১১২৯; আলবানী, সিলসিলা যঈফাহ হা/১০০১।
[13]. বুখারী হা/৪৪৪; মুসলিম হা/৭১৪; মিশকাত হা/৭০৪।