উত্তর : সূরা যুমার ৫, ক্বাফ ৯, লোকমান ২৯, নাযি‘আত ৩০ প্রভৃতি আয়াত সমূহ পৃথিবী গোলাকার হওয়ার প্রমাণ বহন করে। উক্ত আয়াত সমূহে আল্লাহ বলেন, يُكَوِّرُ اللَّيْلَ عَلَى النَّهَارِ وَيُكَوِّرُ النَّهَارَ عَلَى اللَّيْلِ ‘তিনিই দিবসের উপর রাত্রিকে এবং রাত্রির উপর দিবসকে আবেষ্টনকারী বানিয়েছেন’ (যুমার ৫)। كَوْرٌ অর্থ গোল বানানো, মাথায় পাগড়ী পেচানো। এটাই পৃথিবী গোল হওয়ার অন্যতম প্রধান কুরআনী দলীল। কারণ এক দেশে যখন সূর্য অস্ত যায়, অন্য দেশে তখন সূর্যের উদয় হয়, এটাই পৃথিবীর গোলত্বের অকাট্য প্রমাণ। যা কুরআন বহু পূর্বে পেশ করেছে। অন্যত্র আল্লাহ বলেন, وَالْأَرْضَ مَدَدْنَاهَا ‘আমরা পৃথিবীকে বিস্তৃত করে দিয়েছি’ (ক্বাফ ৭)। অর্থাৎ যা সর্বদা বিস্তৃত ও প্রশস্ত। মানুষ সারা জীবন চলতে থাকলেও পৃথিবীকে প্রশস্তই পাবে। আর এই অব্যাহত প্রশস্ততা কেবল তখনই সম্ভব, যখন পৃথিবী গোল হয়। অন্য কোন আকৃতির হলে তা সম্ভব হবে না। কেননা সে সময় তাকে একটা না একটা সীমান্তে পৌঁছতেই হবে। কিন্তু কোন প্রান্তসীমা পাওয়া বা সেখানে গিয়ে কোন গভীর গহবরে পড়ে যাওয়ার মত কখনো ঘটেনি’। বস্ত্ততঃ ‘পৃথিবী গোলাকার’ এই বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব আবিষ্কৃত হওয়ার অন্ততঃ এগারশ’ বছর পূর্বে কুরআন মজীদই সর্বপ্রথম তা উপস্থাপিত করেছে’ (আব্দুর রহীম, স্রষ্টা ও সৃষ্টিতত্ত্ব পৃঃ ২৬৯-২৮০)

ইমাম ইবনু হাযম আন্দালুসী (৩৮৪-৪৫৬ হিঃ) সূরা যুমার ৫ আয়াত থেকে দলীল দিয়ে বলেন, ‘নেতৃস্থানীয় বিদ্বানগণের কেউই পৃথিবী গোলাকার হওয়ার ব্যাপারে দ্বিমত পোষণ করেননি। কিংবা এর বিরুদ্ধে তাদের কারু থেকে কোন বক্তব্য জানা যায়নি। বরং কুরআন ও হাদীছে এর গোলাকার হওয়ার পক্ষেই দলীল এসেছে (ইবনু হাযম, আল-ফিছাল ফিল মিলাল ১/৩৫২ ‘পৃথিবী গোলাকার হওয়া’ অনুচ্ছেদ)

শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ (৬৬১-৭২৮ হিঃ) বিখ্যাত বিদ্বান আবুল হুসায়েন আহমাদ বিন জাফর (রহঃ)-এর বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেন, এ ব্যাপারে ওলামায়ে কেরামের মধ্যে কোন মতভেদ নেই। তিনি বলেন, এর প্রমাণ হিসাবে বলা যায়, ‘পৃথিবীর কোন প্রান্তে সূর্য, চন্দ্র বা নক্ষত্ররাজি একই সময়ে উদিত হয় না বা অস্তও যায় না। বরং পশ্চিমের আগে তা পূর্বে উদিত হয়’ (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২৫/১৯৫)

প্রশ্নকারী : আব্দুর রহমান, দিনাজপুর।








বিষয়সমূহ: বিবিধ
প্রশ্ন (৩/১২৩) : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর চেহারা স্বপ্নে দেখলে তার জন্য জাহান্নামের আযাব হারাম হয়ে যাবে। এ মর্মে ছহীহ কোন দলীল আছে কি? - -মাকছূদুর রহমান, উযীরপুর, বরিশাল।
প্রশ্ন (২০/৪২০) : ঘুমানো ও ঘুম থেকে ওঠার সময় পঠিতব্য দো‘আ দু’টি যেকোন সময় ঘুমানোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে কি?
প্রশ্ন (৪০/১৬০) : ঈদের ছালাতের পূর্বে গযল গাওয়া বা বক্তব্য দেওয়া যায় কি?
প্রশ্ন (১৭/২৯৭) : একবার বিসমিল্লাহ পড়ে অনেকগুলি পশু একাধারে যবেহ করা যাবে কি? - শাহরিয়ার আলম সরকারী আযীযুল হক কলেজ, বগুড়া।
প্রশ্ন (২৭/২২৭) : যে ব্যক্তি জুম‘আর রাত্রিতে সূরা ফাতিহাসহ চার রাক‘আত ছালাত আদায় করবে এইভাবে যে, প্রথম রাক‘আতে ইয়াসীন, দ্বিতীয় রাক‘আতে দুখান, তৃতীয় রাক‘আতে সাজদাহ এবং চতুর্থ রাক‘আতে সূরা মুলক পড়বে, সে কুরআনের কোন অংশ ভুলে যাবে না। হাদীছটির সনদ সম্পর্কে জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩৮/৪৩৮) : ফিতরা সম্পর্কে সঠিক মাসআলা না জানার কারণে জনৈক ব্যক্তি ফিতরা আদায় করেনি। এক্ষণে রামাযানের পর তা আদায় করা যাবে কি? এর জন্য কোন কাফফারা দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (৬/২৪৬) : খেলাধুলার সামগ্রী যেমন ব্যাট, ফুটবল, লাটিম ইত্যাদি বিক্রয়ের দোকান করায় শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৫/১৫৫) : একজন মুসলমান জনপ্রতিনিধি বা নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি কি অমুসলিমদের মন্দির বা পূজা উদ্বোধন করতে পারে?
প্রশ্ন (৩৬/১৯৬) : জুম‘আতুল বিদা‘ কাকে বলে? এর ফযীলত কি? দলীল ভিত্তিক জানিয়ে বাধিত করবেন?
প্রশ্ন (২৪/৪৬৪) : প্রথম আলো ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ইং সংখ্যায় দারুল এহসান বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা-এর অধ্যাপক আবুল মনিম খান এক নিবন্ধে বলেন, যে ব্যক্তির কাছে ঈদের দিন সুবহে সাদিকের সময় জীবিকা নির্বাহের অত্যাবশ্যকীয় উপকরণ ব্যতীত সাড়ে সাত তোলা সোনা অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা অথবা সমমূল্যের অন্য কোন সম্পদ থাকে তার উপর ছাদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব। এই পরিমাণ সম্পদকে শরীয়তের পরিভাষায় নিছাব বলা হয়। প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের উপর ছাদাকাতুল ফিৎর আদায় করা ওয়াজিব। উক্ত দাবী কি সঠিক?
প্রশ্ন (৭/৪৭) : শক্তিশালী কোন কাজ করতে গিয়ে হঠাৎ কয়েক ফোঁটা পেশাব বের হয়ে গেলে করণীয় কি? দুই পা সহ পোশাক ও লজ্জাস্থান ধুয়ে ফেলতে হবে কি?
প্রশ্ন (২১/৩০১) : শী‘আ নারীকে বিবাহের ক্ষেত্রে শারঈ কোন নিষেধাজ্ঞা আছে কি? - -হিযবুল্লাহ, বালিয়াপুকুর, রাজশাহী।
আরও
আরও
.