উত্তর : উত্তম হ’ল ব্যক্তি যে দেশে অবস্থান করছে সেখানেই কুরবানী করা এবং নিজের কুরবানী নিজেই সম্পন্ন করা। কারণ নবী করীম (ছাঃ) এরূপ করেছেন। আনাস (রাঃ) বলেন, ‘নবী করীম (ছাঃ) দু’টি ধূসর বর্ণের শিংওয়ালা দুম্বা কুরবানী করেছেন। তিনি সেগুলো নিজ হাতে যবেহ করেছেন, বিসমিল্লাহ পড়েছেন, তাকবীর বলেছেন এবং যবেহ করার সময় নিজের পা সেগুলোর পাঁজরের ওপর রেখেছিলেন’ (বুখারী হা/৫৫৫৮; মিশকাত হা/১৪৫৩)। তবে যদি অন্য কোন দেশে কুরবানী পাঠানোর পিছনে অধিকতর কল্যাণ বা জোরালো কোন কারণ থাকে, তবে তা জায়েয হবে। কুরবানীর নিয়ত করে থাকলে তা কুরবানী হিসাবে আদায় হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ (মুসলিম হা/১২১৮; ওয়াহবাতুল যুহায়লী, আল-ফিক্বহুল ইসলামী ৪/২৭৩)।
প্রশ্নকারী : নাজীব, পত্নীতলা, নওগাঁ।