আমীরে জামা‘আতের ১ম দিনের ভাষণ : রাত সোয়া ১০-টায় মুহতারাম আমীরে জামা‘আত সূরা শূরা ১৩ আয়াতের আলোকে ইক্বামতে দ্বীন সম্পর্কে সারগর্ভ ভাষণ পেশ করেন।
২য় দিন বাদ ফজর : মূল প্যান্ডেলে ‘দরসে কুরআন’ পেশ করেন ‘আন্দোলন’ সঊদী আরব শাখার সহ-সভাপতি হাফেয মুহাম্মাদ আখতার (বিষয় : জান্নাতী বান্দার বৈশিষ্ট্য)। একই সময়ে মারকাযের পশ্চিম পার্শ্বস্থ জামে মসজিদে সূরা মুযযাম্মিল ৫ আয়াতের আলোকে ‘দরসে কুরআন’ পেশ করেন মাওলানা আমানুল্লাহ বিন ইসমাঈল (পাবনা) এবং পূর্ব পার্শ্বস্থ ছোট মসজিদে সূরা হাদীদ ২১-২২ আয়াতের আলোকে ‘দরসে কুরআন’ পেশ করেন মারকাযের শিক্ষক হাফেয আব্দুল মতীন (চাঁপাই নবাবগঞ্জ)।
অতঃপর ইজতেমা প্যান্ডেলে বেলা সোয়া ১১-টা পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে আলোচনা পেশ করেন (১) জামালপুর-দক্ষিণ যেলা ‘আন্দোলন’-এর সাধারণ সম্পাদক ক্বামারুয্যামান বিন আব্দুল বারী (পাঁচ প্রকার শিরক ও তার ভয়াবহতা) (২) ‘আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় যুববিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রশীদ আখতার (আহলেহাদীছ আন্দোলনের কর্মীদের গুণাবলী) (৩) ‘যুবসংঘ’-এর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আহমাদুল্লাহ (যুবকদের বিপথগামিতার কারণসমূহ ও তার প্রতিকার) (৪) ‘আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা আলতাফ হোসাইন (সমাজ সংস্কারে সার্বিক চেতনা সম্পন্ন নেতা-কর্মীদের অপরিহার্যতা)। (৫) কেন্দ্রীয় সমাজকল্যাণ সম্পাদক অধ্যাপক মাওলানা দুররুল হুদা (আহলেহাদীছ আন্দোলনের পরিচয়, লক্ষ্য ও কর্মপন্থা) (৬) কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম (সমাজ বিপ্লবের আবশ্যিক পূর্বশর্ত) (৭) নওদাপাড়া মারকাযের সাবেক ছাত্র মুহাম্মাদ আকমাল (সৎ সাহচর্যের উপকারিতা) (৮) নওগাঁ যেলা ‘আন্দোলন’-এর সাংগঠনিক সম্পাদক আফযাল হোসাইন (বিশুদ্ধ আক্বীদার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা)। (৯) মাওলানা ইকবাল কবীর (রিয়ার কুফল)। (১০) আল-‘আওনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আবুদাঊদ (জনসেবায় আল-‘আওন-এর ভূমিকা)। (১১) অতঃপর শ্রোতাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ড. মুহাম্মাদ কাবীরুল ইসলাম। (১২) শুভেচ্ছা বক্তব্য পেশ করেন আব্দুল্লাহ আল-মামূন (ঢাকা)।
জুম‘আর খুৎবা : ইজতেমার মূল প্যান্ডেলে মুহতারাম আমীরে জামা‘আত সূরা আ‘রাফের ১৭২ আয়াতের আলোকে ‘মানুষের সৃষ্টি তত্ত্ব ও পুলছিরাত পার হওয়া’ বিষয়ে এবং মারকাযী জামে মসজিদে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মাওলানা নূরুল ইসলাম ‘ইনফাক্ব ফী সাবীলিল্লাহ’ বিষয়ে ও মহিলা মাদ্রাসার প্যান্ডেলে মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম ‘আদর্শ নারীর গুণাবলী’ বিষয়ে জুম‘আর খুৎবা প্রদান করেন। এ সময় তীব্র তাপদাহ থাকা সত্ত্বেও কোন প্যান্ডেলে তিল ধারণের স্থান ছিল না। প্যান্ডেলের বাইরে বিভিন্ন স্থানে বসে বিপুল সংখ্যক মুছল্লী খুৎবা শ্রবণ করেন।