উত্তর : না। বরং একজন ব্যক্তিই খুৎবা দিবেন। এটাই রাসূল (ছাঃ)-এর সুন্নাত (মুসলিম হা/৮৮৫, মিশকাত হা/১৪৪৬)। ওযরবশতঃ কাউকে মাঝপথে খুৎবা পরিত্যাগ করতে হ’লে অপরজন প্রথম থেকে খুৎবা শুরু করবেন (ওছায়মীন, শারহুল মুমতে‘ ৫/৫৮)

প্রশ্নকারী : হাসান রাজা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।








বিষয়সমূহ: ছালাত জুম‘আ ও ঈদ
প্রশ্ন (১৭/৪১৭) : মসজিদে ঈদের ছালাত আদায় করতে হলে তাহ্ইয়াতুল ওযূ ও তাহ্ইয়াতুল মসজিদ আদায় করতে হবে কি? - -ছফিউল্লাহ খান, কাঞ্চন, নারায়ণগঞ্জ।
প্রশ্ন (২০/৪২০) : মৃত ব্যক্তির নামে কুরবানী করা যাবে কি? - -আতীকুল ইসলাম, নওদাপাড়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২০/৩৮০) : ব্যবসা পণ্যের মোড়কে বিভিন্ন ছবি দেওয়া থাকে। এমতাবস্থায় করণীয় কি? ঐ সকল পণ্য কি বিক্রি করা যাবে?
প্রশ্ন (২৩/২৬৩) : আমাদের সমাজে একটা রেওয়াজ আছে স্ত্রী যখন সন্তান-সম্ভবা হয় তখন তার পিতার বাসার পক্ষ থেকে বেশ কিছু আত্মীয় আসে এবং সঙ্গে নিয়ে আসে মাছ, গোশত, লাড্ডু ও মিষ্টিসহ আরও অনেক কিছু। এভাবে তারা ঘটা করে মেয়েকে নিয়ে যায়, যাকে বিদায় বলে। অনুরূপভাবে সন্তান হওয়ার পর স্বামীর পক্ষ থেকেও নিয়ে আসা হয়। এই সমস্ত রেওয়াজ কতটা শরী‘আত সম্মত? - -হুসাইন আহমাদ, মুর্শিদাবাদ, ভারত।
প্রশ্ন (১৯/২১৯) : জনৈক ব্যক্তি কোনদিন বিবাহ করবেন না মর্মে একাধিক বার কসম করেন। পরে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর হাদীছ জানতে পেরে তওবা করে কসম ফিরিয়ে নেন এবং এর কাফফারা দিতে চান। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে একই কসম বার বার করায় এর কাফফারার নিয়ম কিরূপ হবে?
প্রশ্ন (১১/৩৩১) : বিদায়কালে ‘আল্লাহ হাফেয’ বলে দো‘আ করা যাবে কি?
প্রশ্নঃ (৯/২৮৯): মুসলমানের পোষাক কেমন হবে? পুরুষ ব্যক্তি লাল পোষাক পরতে পারে কি?
প্রশ্ন (১২/৩৭২) : কালোজিরা মৃত্যু ব্যতীত সকল রোগের ঔষধ। এক্ষণে রোগ ভেদে এটি ভক্ষণ করার পৃথক কোন পদ্ধতি আছে কি? না কেবল নিয়ত করে খেলেই যথেষ্ট হবে? - -মঈনুদ্দীন, সিরাজগঞ্জ।
প্রশ্ন (১/৩২১) : সন্তানের নাম আবুল ক্বাসেম রাখা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৫/১৩৫) : একই আমল একাধিক নিয়তে করা যাবে কি? যেমন আইয়ামে বীযের নফল ছিয়ামের দিন সোম বা বৃহস্পতিবারের ছিয়াম রাখা। এছাড়াও অন্যান্য অনেক আমল রয়েছে। যার ফযীলত ভিন্ন ভিন্ন।
প্রশ্ন (৪/৪৪) : অনেক সময় মসজিদে ভীড়ের কারণে এমন কাতারে দাঁড়াতে হয়, যার মাঝখানে পিলার রয়েছে। বাধ্যগত অবস্থায় এভাবে দাঁড়ালে ছালাত সিদ্ধ হবে কি? - -রেযওয়ানুল ইসলামকাদিরগঞ্জ, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১/৪১) : মিশকাতের ৯২৪, ৯২৬ ও ৯২৮ নং হাদীছে বর্ণিত হয়েছে ‘উম্মতের দরূদ ও সালাম রাসূল (ছাঃ)-এর নিকট পৌছে’। ৯২৫নং হাদীছে বর্ধিতভাবে এসেছে ‘নিশ্চয় আল্লাহ আমার নিকট আমার রূহ ফেরত দেন যাতে আমি সালামের জবাব দিতে পারি’। সারাবিশ্বে প্রতিনিয়ত দরূদ ও সালাম পাঠ হচ্ছে। এমতাবস্থায় নবী (ছাঃ)-এর জীবিত থাকাই স্বাভাবিক। এক্ষণে হাদীছদ্বয়ের ব্যাখ্যা জানিয়ে বাধিত করবেন।
আরও
আরও
.