ফসল বা গাছ-গাছালিতে কীটনাশক দেওয়া হয় সেটি আমাদের সকলের জানা। কিন্ত এবার কীটনাশকের পরিবর্তে জমিতে হাঁস ব্যবহার করছে জাপানীজ কৃষকরা! তাতে বেশ ভালো ফলও আসছে কৃষকদের। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের তৈরি করা এক প্রতিবেদনে তেমনই বলা হয়েছে। ‘ব্রেড ডাক’ নামে পরিচিতি বিশেষ প্রজাতির একটি হাঁস ফসলের জমিতে কীটনাশকের ভূমিকায় ভীষণভাবে কার্যকরী বলে জানা গেছে। হাঁসদেরকে ধান ক্ষেতে ছেড়ে দেন চাষীরা। তারা তখন জমির সব পোকামাকড় ও আগাছা খেয়ে ছাফ করে ফেলে! তবে এতে ধান গাছের কোন ক্ষতি হয় না।

শুধুমাত্র আগাছাই নয়, আগাছার বীজও খেয়ে ফেলে এই হাঁসগুলো। তাই পরবর্তী মৌসুমে ঐ জমির আগাছা খুব কমই হয়। এই পদ্ধতিতে বেড়ে ওঠা ফসল ঘূর্ণিঝড় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যেও টিকে থাকার লড়াইয়ে অন্যদের চেয়ে অনেক শক্তিশালী হয়ে থাকে।

এটি পরিবেশের জন্য খুবই ভালো। এর একটাই অসুবিধা, বয়স হ’লে যখন হাঁসগুলো খুব নাদুস-নুদুস হয়ে যায়, তখন শরীরের ভারসাম্য রাখতে না পারায় ধান গাছগুলোকে মাড়িয়ে দেয় অনেক সময়। তাই প্রতিবছর নতুন নতুন হাঁসের প্রয়োজন পড়ে। এই পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে রাসায়নিকের উপর নির্ভরশীলতা অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।






ফারাক্কার কারণে সুন্দরবনের ক্ষতি
প্রভুর শোকে সড়কে কুকুরের ৮০ দিন
বিরল জিনগত রোগ স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রোফি : ওষুধের দাম ২২ কোটি টাকা
দেশে গত ৮ মাসে ৩৬৪ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা!
ভারতে এবার সর্বোচ্চ সংখ্যক হজ্জযাত্রী
২০ বছর ভ্যান চালিয়ে জমাকৃত টাকায় হজ্জ পালন
ভারতের সবচেয়ে বড় সোনার ভান্ডারের খোঁজ দিয়েছে পিঁপড়েরা!
বুয়েট প্রকৌশলীর সফলতা : অ্যান্টিবায়োটিক ছাড়াই চলছে মুরগী পালন
ওযূ করার উপযোগী চমৎকার একটি বেসিন তৈরী করল বগুড়ার সজল সিরামিকস
ভারতে মুসলমানদের সংখ্যা ক্রমবর্ধমান
চাঁপাই নবাবগঞ্জে বজ্রপাতে একসাথে ১৭ জনের মৃত্যু
বাংলাদেশে নদীর পানিতে ৩০০ গুণ বেশী এন্টিবায়োটিক দূষণ
আরও
আরও
.