উত্তর : ধৈর্য ধারণ করতে হবে এবং তার হেদায়াতের জন্য দো‘আ করতে হবে। আল্লাহ বলেন, ‘তবে যে ক্ষমা করে দেয় এবং আপোষ-নিষ্পত্তি করে, তার পুরস্কার আল্লাহর কাছে রয়েছে। নিশ্চয়ই তিনি যালেমদের পসন্দ করেন না’ (শূরা ৪২/৪০)। তিনি আরো বলেন, ‘রহমান’ (দয়াময়)-এর বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং তাদেরকে যখন অজ্ঞ লোকেরা (বাজে) সম্বোধন করে, তখন তারা বলে ‘সালাম’ (ফুরক্বান ২৫/৬৩)। তিনি আরো বলেন, ‘তারা যখন অসার বাক্য শ্রবণ করে তখন তা উপেক্ষা করে এবং বলে, আমাদের কর্মফল আমাদের ও তোমাদের কর্মফল তোমাদের। তোমাদের প্রতি সালাম (অর্থাৎ পরিত্যাগ)। আমরা মূর্খদের সাথে কথায় জড়াতে চাই না’ (ক্বাছাছ ২৮/৫৫)। এক ব্যক্তি নবী করীম (ছাঃ)-এর কাছে এসে তার প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করল। নবী কারীম (ছাঃ) (তিন বার) বললেন, ‘ধৈর্য ধরো। এরপর তৃতীয় বা চতুর্থ বার বললেন, তোমার ঘরের আসবাবপত্র রাস্তায় বের করে রাখো’। বর্ণনাকারী বলেন, সে ব্যক্তি তা-ই করল। এরপর মানুষ যখন তার পাশ দিয়ে যাচ্ছিল, তারা জিজ্ঞেস করছিল, তোমার কী হয়েছে? সে বলছিল, তার প্রতিবেশী তাকে কষ্ট দিচ্ছে। তখন যাতায়াতকারী লোকেরা বলতে লাগল, তার ওপর আল্লাহর লা‘নত (অভিসম্পাত) বর্ষিত হোক। এরপর সেই (অত্যাচারী) প্রতিবেশী তার কাছে এসে বলল, তোমার মালপত্র ভিতরে ফিরিয়ে নিয়ে যাও। আল্লাহর কসম, আমি তোমাকে আর কখনো কষ্ট দেব না’ (ছহীহ ইবনু হিববান হা/৫২০; ছহীহুত তারগীব হা/২৫৫৮)।
প্রশ্নকারী : আশিকুর রহমান, ময়মনসিংহ।