উত্তর : এসময় জমা ও ক্বছর এবং তাক্বদীম বা তাখীর করার সুযোগ আছে। আর সফর অবস্থায় জমা তাক্বদীম বা তাখীর করাই উত্তম (বুখারী হা/১১১২; মুসলিম হা/৭০৪; মিশকাত হা/১৩৪৪)। অর্থাৎ গন্তব্যে পৌঁছার পরে সময়ানুযায়ী যোহর ও আছর এবং মাগরিব ও এশা একত্রে জমা তাক্বদীম অথবা জমা তাখীর তথা পরের ছালাত আগে এনে বা আগের ছালাত পরে নিয়ে জমা করা যায় (আবুদাঊদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/১৩৪৪)।
আর পরিবহনে কিংবা ভীতিকর অবস্থায় ছালাত আদায় করলে ক্বিবলামুখী না হ’লেও চলবে (বাক্বারাহ ২/১১৫; ইরওয়া হা/৫৮৮)। তবে ছালাত শুরু করার সময় ক্বিবলামুখী হওয়া বাঞ্ছনীয় (আবুদাঊদ হা/১২২৪-২৮)। রুকূ-সিজদা করা অসুবিধা হ’লে কেবল তাকবীর দিয়ে হাত ও মাথার ইশারায় ছালাত আদায় করবে। সিজদার সময় মাথা রুকূর চেয়ে কিছুটা বেশী নীচু করবে (আবুদাঊদ হা/১২২৭; ছিফাত ৫৫-৫৬ পৃ.)। ক্বিবলা ঠিক করা অসম্ভব বিবেচিত হ’লে নিশ্চিত ধারণার ভিত্তিতে ক্বিবলার নিয়তে একদিকে ফিরে ছালাত আদায় করবে (তিরমিযী হা/৩৪৫; ইরওয়া হা/২৯১; বিস্তারিত দ্র. ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) ‘পরিবহনে ছালাত’ অনুচ্ছেদ)।
প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ রাইসান, মান্দা, নওগাঁ।