উত্তর : ইসলামী জ্ঞান অর্জন একটি ইবাদত। এর মাধ্যমে মুসলিমরা মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভ করে এবং পরকালে আম্বিয়া, ছিদ্দীকীন, শুহাদা ও ছালেহীনদের সাথে জান্নাতের সর্বোচ্চ স্তরে অবস্থানের আশা রাখে। উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ) বলেছেন, আনছার মহিলারা কতই না উত্তম! লজ্জা তাদেরকে দ্বীনের গভীর জ্ঞান অর্জনে বাধা দিতে পারেনি’ (মুসলিম হা/৩৩২; আবুদাউদ হা/৩১৬)। প্রয়োজনে গায়রে মাহরাম শিক্ষকের নিকট থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা জায়েয। তবে সেক্ষেত্রে আবশ্যকীয় শর্ত হ’ল পূর্ণ পর্দা ও হিজাবের বিধান পালন করা (নূর ২৪/৩১), লজ্জাস্থান হেফাযত করা, ভদ্রতা বজায় রেখে কথা বলা, কমনীয় সুরে কথা না বলা, একান্তে না থাকা, নারী-পুরুষের অপ্রয়োজনীয় মিশ্রণ এড়িয়ে চলা, অনলাইনে ক্যামেরা অফ রাখা এবং প্রয়োজনে মাহরাম বা একজন বিশ্বস্ত নারীর উপস্থিতি থাকা (আহযাব ৩৩/৩২)।
প্রশ্নকারী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, মুর্শিদাবাদ, ভারত।