উত্তর : এমতাবস্থায় গুনাহগার হবে না। বিশেষত উক্ত পালনকারী পুরুষ ও নারী যে প্রকৃত বাবা-মা নন এ বিষয়ে উভয় পক্ষ স্পষ্ট থাকলে এবং তা অন্যদের অবগতিতে থাকলে কেবল দাফতরিক নথির কারণে তাকে গুনাহগার হ’তে হবে না ইনশাআল্লাহ। কেননা এটি বাধ্যগত অবস্থা (ইবনু মাজাহ হা/২০৪; ছহীহুল জামে‘ হা/১৮৩৬)। তবে সংশোধনের সুযোগ থাকলে বা বিকল্প কোন পন্থা থাকলে তা করে নেয়া উত্তম।

উল্লেখ্য যে, কোন ব্যক্তিকে তার জন্মদাতা পিতা ব্যতীত অন্য কোন পিতার দিকে সম্বন্ধিত করা ইসলামে নিষিদ্ধ। আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের পালক পুত্রদের তিনি তোমাদের (আসল) পুত্র করেননি; এগুলো তোমাদের মুখের কথা। আর আল্লাহ সত্য কথা বলেন এবং তিনিই সরল পথ প্রদর্শন করেন’ (আহযাব ৩৩/৪)। তিনি আরও বলেন, ‘তোমরা তাদেরকে তাদের পিতৃপরিচয়ে ডাকো’ (আহযাব ৩৩/৫)। জাহেলী যুগে আরবদের মধ্যে এই প্রথা প্রচলিত ছিল এবং ইসলামের প্রাথমিক যুগেও এটি বিদ্যমান ছিল। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) নবুঅত লাভের আগেই যায়েদ বিন হারিছাকে পালক পুত্র হিসাবে গ্রহণ করেছিলেন এবং তাকে যায়েদ ইবনে মুহাম্মদ বলে ডাকা হ’ত। এই অবস্থা চলতে থাকে যতক্ষণ না আল্লাহ এই আয়াত নাযিল করেন, ‘তোমাদের পালক পুত্রদের তিনি তোমাদের পুত্র করেননি’ (আহযাব ৩৩/৪)। এর মাধ্যমে আল্লাহ তা‘আলা পালক সন্তান বানানোর প্রথা বাতিল করে দেন এবং নির্দেশ দেন যে, কেউ কাউকে পালক গ্রহণ করলেও তার পিতার পরিচয়েই তাকে ডাকতে হবে। এর মাধ্যমে মানুষকে সত্য গোপন বা পরিবর্তন করা থেকে বিরত রাখা হয়েছে এবং প্রকৃত উত্তরাধিকারীদের হক বা অধিকার নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করা হয়েছে (আল-মাওসূ‘আতুল ফিকবহিয়া ১০/১২১-১২২)।

প্রশ্নকারী : আখি মনি, কক্সবাজার।

[আরবীতে সুন্দর ও ইসলামী নাম রাখুন! (স.স.)]








বিষয়সমূহ: বিবিধ বিধি-বিধান
প্রশ্ন (৩৯/৭৯): আমাদের মসজিদের ইমাম আযাবুল ইসলাম, গোলামুন্নবী নাম পরিবর্তন করে অন্য নাম রাখতে বলেছেন। তিনি বলেন, ১০ বার ইয়া গাফুর পাঠ করে দু’চোখের পাতায় ৩ বার বুলালে আজীবন চোখে কোন রোগ হবে না। উক্ত বিষয়ে সঠিক সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৬/১৬৬) : আমার নিকট থেকে প্রায়ই বিভিন্ন জিনিস চুরি হয়ে যায়। এ থেকে পরিত্রাণের জন্য কোন আমল বা দো‘আ আছে কি?
প্রশ্ন (২১/২১) : ছয় মাসের ভেড়া কুরবানী করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৮/৪৬৮): স্বামীর কি কি অধিকার পালন করলে স্ত্রী জান্নাতে যেতে পারবে?
প্রশ্ন (৩৩/৭৩) : ইমাম মেহরাবের ভিতরে না বাইরে দাঁড়াবে? এ ব্যাপারে সঠিক সিদ্ধান্ত জানিয়ে বাধিত করবেন। - -আবু যর গিফারী, গোমস্তাপুর, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (৩/৪০৩) : মালয়েশিয়া ভিত্তিক ডিএক্সএন কোম্পানী যে ব্যবসা করছে তার বৈধতা সম্পর্কে জানতে চাই।
প্রশ্ন (২৫/১৮৫) : সাদা কাপড় দিয়ে কাফন পরানোর ব্যাপারে শরী‘আতের কোন নির্দেশনা আছে কি? অন্য কোন রং বা প্রিন্টযুক্ত কাপড় দ্বারা কাফন পরানো যাবে কি? - -মাহদী হাসান, ছাতিয়ানতলা, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (৩০/২৩০) : আমাদের এলাকার জামে মসজিদের বারান্দার পিলারে বাড়ি ভাড়ার বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। এটা জায়েয হবে কি? - -আবুল কাসেমবাগমারা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১৬/৩৩৬) : বর্তমানে জমি বন্ধক নেওয়া হচ্ছে এভাবে- দশ বা ত্রিশ হাযার টাকা কেউ অন্যের নিকট থেকে নিচ্ছে এক বিঘা বা দুই বিঘা জমি তাকে দিচ্ছে। ঐ টাকা যতদিন ফেরত না দিবে ততদিন সে জমি ভোগ করতে থাকবে। উক্ত পদ্ধতি কি শরী‘আত সম্মত ?
প্রশ্ন (২৯/৩৬৯) : সফর অবস্থায় কোন ছালাত ক্বাযা হ’লে বাড়িতে এসে তা আদায় করার সময় পুরো আদায় করতে হবে, না ক্বছর করলেই যথেষ্ট হবে? এমনিভাবে এর উল্টো অবস্থায় করণীয় কি? - -শামসুল হক, কোরপাই, কুমিল্লা।
প্রশ্ন (২৮/৪২৮) : আমরা জানি, মেঘের উপরে থাকে পজিটিভ চার্জ আর নীচে থাকে নেগেটিভ চার্জ। যেহেতু বিপরীতধর্মী চার্জ পরস্পরকে আকর্ষণ করে। তাই এই পজিটিভ চার্জ ও নেগেটিভ চার্জ পরস্পরের সংস্পর্শে আসলে উপর থেকে নীচের দিকে চার্জের নির্গমন ঘটে। এর ফলে শক্তির নিঃসরণ ঘটে, শব্দ হয় ও আলোর ঝলকানি সৃষ্টি হয়। কিন্তু হাদীছে (তিরমিযী হা/৩১১৭) এই শব্দকে ফেরেশতাদের হাকডাক বলা হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে, এ হাকডাক দিয়েই মেঘমালাকে নির্দিষ্ট দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩৬/৩৯৬) : আমি মাঝে-মধ্যে সন্দেহ থাকা সত্ত্বেও আছরের ওযূতে মাগরিবের ছালাত আদায় করি। এতে আমার ছালাতের কোন ক্ষতি হবে কিংবা শাস্তি পেতে হবে কি? - -নাজীব আব্দুল্লাহতেরখাদিয়া, রাজশাহী।
আরও
আরও
.