উত্তর : মিথ্যা বলা মহাপাপ। আল্লাহ তা‘আলা কুরআনে বহু জায়গায় সত্য বলা এবং মিথ্যা পরিহারের অপরিহার্যতা বর্ণনা করেছেন। তবে তিনটি ক্ষেত্রে মিথ্যা কথা বলা যায়। সে তিনটি ক্ষেত্র হ‘ল- দু’ব্যক্তির মধ্যে মীমাংসার জন্য, (২) যুদ্ধক্ষেত্রে (৩) স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের নিকট (আবু দাঊদ হা/৪৯২১; তিরমিযী হা/১৯৩৭; মিশকাত হা/৫০৩১, ৫০৩৩; ছহীহাহ হা/৫৪৫)। এছাড়া বৃহত্তর কল্যাণের কাজে সাময়িকভাবে মিথ্যার আশ্রয় নেয়া যায়। যেমন মুশরিকরা তাদের উৎসবে শরীক হওয়ার জন্য ইব্রাহীম (আঃ)-কে দাওয়াত দিলে তিনি না যাওয়ার জন্য বলেন, ‘আমি অসুস্থহ’ (ছাফফাত ৩৭/৮৯)। মূর্তি ভাঙ্গার পরে তিনি বড় মূর্তিকে দোষারোপ করে বলেছিলেন, বড়টাই তো একাজ করেছে। তাকে জিজ্ঞেস কর (আম্বিয়া ২১/৬৩)। ইউসুফ (আঃ) ভাইদের রসদপত্রের মধ্যে ওযনের পাত্র লুকিয়ে রেখে ঘোষককে দিয়ে বলেছিলেন, ‘হে কাফেলার লোকজন! তোমরা অবশ্যই চোর’ (ইউসুফ ৭০)। উল্লেখ্য, এগুলো প্রকৃত অর্থে মিথ্যা নয়, বরং ‘তাওরিয়াহ’। যা সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য করা হয়ে থাকে।
প্রশ্নকারী : মারূফ হোসাইন, বরিশাল।