উত্তর : যা খাওয়া হারাম তা থেকে যেকোনভাবে উপকৃত হওয়াও হারাম। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘আল্লাহ তা‘আলা যখন কোন কিছু হারাম করেন, তখন তার মূল্যও (কেনা- বেচা) হারাম করে দেন’ (আহমাদ হা/২৬৭৮, সনদ ছহীহ)।

প্রশ্নকারী : আহসান, মান্দা, নওগাঁ।








বিষয়সমূহ: হালাল-হারাম
প্রশ্ন (২৭/১৮৭) : সন্তান জন্মদানের সময় মা মারা যাওয়ায় উক্ত সন্তানের সহোদর বড় বোন ব্যতীত দুগ্ধ দানের কেউ নেই। এমতাবস্থায় বোনের দুগ্ধদান জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২৩/২৬৩) : আমি একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হিসাবে এক্সরে করি। বিশেষ কিছু এক্সরে করার ক্ষেত্রে মহিলাদের হিজাব, নিকাব ও বোরকা খোলার প্রয়োজন হয়। আবার কিছু সময় মহিলাদের গায়ে হাত দেওয়ার প্রয়োজন হয়। কিছু কিছু সময় শয়তানের ধোঁকায় মনে খারাপ চিন্তা চলে আসে। এমতাবস্থায় আমি কি করতে পারি।
প্রশ্ন (২২/১০২) : একদিন গভীর রাতে ওমর (রাঃ) বাড়ী ফিরার সময় শুনতে পেল জঙ্গলের মধ্যে ছোট্ট কুঠিরে এক মহিলা বিরহের গান বলছে। তখন তিনি রেগে বাড়ীর ভিতরে ঢুকে বললেন তুমি এ গান গেয়ে অপরাধ করেছ। প্রতি উত্তরে মহিলা বলল আপনি দু’টি অপরাধ করেছেন। ১টি হ’ল আমার বেড়ার বাড়ী ভেঙ্গেছেন, অপরটি হ’ল বিনা অনুমতিতে আমার বাড়ীর ভিতরে প্রবেশ করেছেন। এ সময় ওমর (রাঃ) কি বলেছিলেন তা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৫/২৮৫) : একটি ছেলে বোবা অর্থাৎ কথা বলতে পারেন না। সে কিভাবে ছালাত আদায় করবে? - -হুমায়ূন আহমাদ, বেনাপোল, যশোর।
প্রশ্ন (৭/৮৭) : হযরত ওমর (রাঃ) তিন তালাককে তিন তালাক হিসাবে গণ্য করেছেন। এটি রাসূল (ছাঃ)-এর ফয়ছালার খেলাফ নয় কি? তার এরূপ ফয়ছালা যদি সেসময় গ্রহণযোগ্য হয়, তাহ’লে বর্তমানে আমাদের জন্য বৈধ না হওয়ার কারণ কি? - -আহসান হাবীব, মাকলাহাট, নিয়ামতপুর, নওগাঁ।
প্রশ্ন (১৬/২১৬) : জনৈক তাবলীগী ভাই বললেন, সরাসরি মন্দকর্মের বিরোধিতা করা থেকে বিরত থেকে মানুষকে শুধু ভালো কাজের দাওয়াত দিতে হবে, তাহ’লে তারা এমনিতেই মন্দকাজ ছেড়ে দিবে। উক্ত বক্তব্য গ্রহণযোগ্য কি?
প্রশ্ন (২৩/৪৬৩) : আমি বড় ছেলের কথা শুনে ত্রাণ আত্মসাৎ করেছি, জমি লুটপাট করেছি এবং দুর্বলদের উপর অত্যাচার করেছি। এখন সমাজের লোকেরা আমাকে সমাজ থেকে বহিষ্কার করেছে। সূরা মায়েদার ৩৩নং আয়াত অনুযায়ী আমাকে বহিষ্কার করা ঠিক হয়েছে কি?
প্রশ্ন (৩৯/৩৯৯) : মাযার কেন্দ্রিক মসজিদে ছালাত আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১২/৩৭২) : সূরা হূদের ১০৭ ও ১০৮ নং আয়াতে জান্নাতবাসী ও জাহান্নামীদের ব্যাপারে বলা হয়েছে, তারা অনন্তকাল সেখানে থাকবে, যে পর্যন্ত আসমান ও যমীন স্থায়ী থাকবে। তবে আল্লাহ অন্য কিছু চাইলে ভিন্ন কথা’। উক্ত আয়াত থেকে বুঝা যায় যে, এক সময় জাহান্নামের শাস্তি থেকে সবাইকে রেহাই দেয়া হবে। চিরস্থায়ীভাবে কাউকে জাহান্নামে থাকতে হবে না। উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩১/৩১) : রাসূল (ছাঃ) নবুঅতপ্রাপ্তির পূর্বে হেরা গুহায় ধ্যানমগ্ন থাকতেন। প্রশ্ন হ’ল: কী কারণে ও কিসের ভিত্তিতে তিনি এরূপ করতেন এবং সেখানে তিনি কি ধরনের ইবাদত করতেন?
প্রশ্ন (১৩/২৫৩) : আল্লাহর বিধান অনুযায়ী যে রাষ্ট্র পরিচালিত হয় না সে রাষ্ট্রের প্রশাসনিক পদে বিশেষতঃ পুলিশ প্রশাসনে চাকুরী করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (১৯/১৩৯) : অনেক মসজিদে দেখা যায়, মুছল্লীরা মসজিদে প্রবেশ করে প্রথমে কিছু সময় বসেন। অতঃপর উঠে দু’রাক‘আত ছালাত আদায় করেন। অথচ আমরা জানি যে, মসজিদে ঢুকে দু’রাক‘আত ছালাত আদায় না করে বসা যায় না। কোন্টা সঠিক?
আরও
আরও
.