উত্তর : পরহেযগার ও সত্যবাদী মানুষের স্বপ্ন সত্য হ’তে পারে। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, যখন ক্বিয়ামত নিকটবর্তী হবে, তখন (খাঁটি) মুসলিমের অধিকাংশ স্বপ্ন মিথ্যা ও ভ্রান্ত হবে না। তোমাদের মধ্যকার অধিক সত্যবাদী লোক সর্বাধিক সত্য স্বপ্নদ্রষ্টা হবে। তিনি বলেন, মানুষের স্বপ্ন তিন ধরনের হয়ে থাকে (ক) ভাল স্বপ্ন, যা আল্লাহর পক্ষ থেকে সুসংবাদ বহন করে (খ) কষ্টদায়ক স্বপ্ন, যা শয়তানের পক্ষ থেকে হয় (গ) মনের মধ্যে উদ্ভূত কল্পনা, যা স্বপ্নে দেখা যায় (মুসলিম হা/২২৬৩)

আর স্বপ্নে মৃত ব্যক্তিকে দেখতে পাওয়া অস্বাভাবিক নয়। এক্ষণে যদি কেউ স্বপ্নে এরূপ মৃত ব্যক্তিকে ভাল অবস্থায় দেখে বা মৃত ব্যক্তিকে ভাল কোন সংবাদ বা উপদেশ দিতে শুনে, তবে আল্লাহর শুকরিয়া করবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যখন তোমরা কেউ ভালো স্বপ্ন দেখবে, তখন আলহামদুলিল্লাহ পড়বে এবং সে নিজের প্রিয় লোকদের কাছে তা বলতে পারে (বুখারী হা/৬৯৮৫)

আর যদি মৃত ব্যক্তিকে খারাপ অবস্থায় দেখা যায় বা সে খারাপ সংবাদ প্রদান করে তাহ’লে বুঝতে হবে যে, এই স্বপ্ন শয়তানের পক্ষ থেকে। এক্ষেত্রে রাসূল (ছাঃ)-এর নির্দেশনা হ’ল, বাম দিকে তিনবার থুক মেরে ‘আ‘ঊযুবিল্লা-হি মিনাশ শায়ত্বা-নির রজীম’ বলবে এবং পার্শ্ব পরিবর্তন করবে (মুসলিম হা/২২৬২, মিশকাত হা/৪৬১৩)। অন্য বর্ণনায় এসেছে দাঁড়িয়ে (দু’রাক‘আত) ছালাত আদায় করবে এবং কাউকে বলবে না। কারণ এই স্বপ্ন তার কোন ক্ষতি করে না (মুসলিম হা/২২৬১-৬৩; বুখারী হা/৭০৪৪; মিশকাত হা/৪৬১২)

জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ছাঃ) জুম‘আর খুৎবাদানরত অবস্থায় জনৈক ব্যক্তি এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি স্বপ্নে দেখলাম যে, আমার ঘাড়ে আঘাত করার ফলে আমার মাথা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে গেল। তারপর আমি তা ধরে এনে পুনরায় আমার ঘাড়ে স্থাপন করলাম। রাসূল (ছাঃ) হেসে উঠে বললেন, ঘুমের মধ্যে তোমাদের কারো সাথে শয়তান খেলা করলে সে যেন তা লোকের কাছে না বলে (মুসলিম হা/২২৬৮; ইবনু মাজাহ হা/৩৯১২; মিশকাত হা/৪৬১৬)

উল্লেখ্য যে, খারাপ স্বপ্ন দেখলে বা মৃত ব্যক্তিকে স্বপ্নে দেখলে ছাদাক্বা করার যে প্রথা সমাজে চালু আছে তা বিদ‘আত। এগুলো থেকে বিরত থাকা কর্তব্য। বরং মৃত ব্যক্তির মাগফেরাতের জন্য যেকোন সময় দো‘আ ও ছাদাক্বা করা যায় (মুসলিম হা/৯২০, ১৬৩১; বুখারী হা/১৩৮৮; মিশকাত হা/১৬১৯, ১৯৫০)






প্রশ্ন (৩৪/৭৪) : চার বছর পূর্বে স্বামী ও স্ত্রীর মাঝে তালাক হয়ে গেছে। তাদের ঘরে সন্তানও ছিল। কেউই অন্য কোথাও বিবাহ করেনি। এক্ষণে তারা পুনরায় একত্রিত হওয়ার জন্য বিবাহ করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (২৬/৬৬) : সমাজে খাৎনাকে কেন্দ্র করে যে সব আচার-অনুষ্ঠান পালন করা হয় সেগুলো কতটুকু শরী‘আতসম্মত?
প্রশ্ন (৬/২৪৬) : নেয়ামুল কুরআনের ৯৫ পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে, ৫টি স্থানে মিথ্যা বলা জায়েয। ১. জিহাদের সময়, ২. মীমাংসার সময়, ৩. স্ত্রীর মন জয় করার জন্য, ৪. ছেলে-মেয়েকে পড়ানোর ব্যাপারে উৎসাহিত করার জন্য, ৫. কথা বলার ইচ্ছা নেই তবুও বলতে হয়, এমন অবস্থায়। এগুলোর সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (১৯/১৩৯) : কুপ্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণ করার উপায় কি?
প্রশ্ন (১১/৯১) : জুম‘আর ছালাতে খত্বীব ছাহেবের জন্য ছালাতের ইমামতি করা সুন্নাত কি? - -আব্দুল আলীম, দেবিদ্বার, কুমিল্লা।
প্রশ্ন (১৮/২১৮) : প্রচলিত আছে যে, শরীরের নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় তিল থাকলে তার সাথে ভাল-খারাপ ঘটবে। শরী‘আতের দৃষ্টিতে এমন কথা বলা বা তা বিশ্বাস করার বিধান কি?
প্রশ্ন (১১/৫১) : সন্তান গ্রহণের ক্ষেত্রে এক সন্তান থেকে অপর সন্তানের মধ্যে কত বছরের ব্যবধান রাখা উচিৎ? আর বিরতির সময় প্রচলিত যেকোন পদ্ধতি গ্রহণ করা যাবে কি?
প্রশ্নঃ (৯/৪৯) : ছালাতের মধ্যে আঙ্গুল ফুটানো যায় না এ মর্মে ছহীহ দলীল জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩৬/১৯৬) : জনৈক ব্যক্তির স্ত্রী যেনায় লিপ্ত হয়েছে। তাদের একটি সন্তানও আছে। এক্ষণে স্বামীর করণীয় কি?
প্রশ্ন (১০/৪১০) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, ওযূ করার জন্য যে পানির পাত্র ব্যবহার করা হয়, তা পেশাব-পায়খানায় ব্যবহার করলে চল্লিশ দিনের ইবাদত কবুল হবে না। এর কোন ভিত্তি আছে কি?
প্রশ্ন (২৬/২৬৬) : কাপড় কাচার সময় পরনের কাপড়ে সাবানের ফেনা বা কাপড়ের ময়লা পানির ছিটা লাগলে তা পরে ছালাত আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৪/৪৪৪) : মাসিক মদীনা জুন ২০০৯ সংখ্যায় ৪১ নং প্রশ্নের উত্তরে বলা হয়েছে, ‘ইমামের পিছনে নামাজ পড়ার সময় ছানা পড়ার পর আঊযুবিল্লাহ, বিসমিল্লাহ পড়ার প্রয়োজন নাই’। এ বক্তব্য কি সঠিক?
আরও
আরও
.