উত্তর : ইসলামী শরী‘আতে মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক স্বত্ব ও রচনাস্বত্ব একটি সম্মানজনক অধিকার। তাই কোন লেখকের বই, গবেষণাকর্ম বা লেখা থেকে তথ্য, বিশ্লেষণ বা ভাষা গ্রহণ করে সূত্র উল্লেখ না করে নিজের নামে প্রকাশ করা শরী‘আতের দৃষ্টিতে প্রতারণা, মিথ্যা দাবী এবং মানুষের অধিকার লঙ্ঘনের অন্তর্ভুক্ত। তবে কুরআন, ছহীহ হাদীছ এবং সর্বজনবিদিত শারঈ তথ্য উদ্ধৃত করার ক্ষেত্রে এ বিধান প্রযোজ্য নয়। কিন্তু অন্যের মৌলিক রচনা, গবেষণা, ভাষা ও বিন্যাস হুবহু নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বৈধ নয় (তাফসীরে কুরতুবী ১/৩)। আর কোন লেখকের কথা সংক্ষিপ্ত করে বা ব্যাখ্যামূলক নিজের বইয়ে উপস্থাপন করা দোষণীয় নয়। শাওকানী (রহঃ) বলেন, গ্রন্থ সংকলকদের চিরাচরিত স্বভাব বা নিয়ম সর্বদা এটি ছিল যে, পরবর্তী সময়ে আগত একজন লেখক তাঁর পূর্ববর্তী লেখকদের কিতাব বা আলোচনা থেকে সাহায্য নেবেন। অতঃপর তিনি তা থেকে সংক্ষেপ করবেন অথবা অস্পষ্ট বিষয়কে স্পষ্ট ও ব্যাখ্যা করবেন, কিংবা কোন বিষয়ে আপত্তি ও পর্যালোচনা পেশ করবেন; অথবা এজাতীয় অন্যান্য উদ্দেশ্য পূরণ করবেন, যা মূলত নতুন কোন গ্রন্থ রচনার মূল প্রেরণা বা ভিত্তি হিসাবে কাজ করে। আর এমন কে আছে, যে কোন বিষয়ে কলম ধরেছে আর সে পূর্ববর্তীদের লেখনী বা বক্তব্য থেকে কোন কিছু গ্রহণ করেনি? (আল-বাদরুত্ব ত্বালে‘ ১/৩৩৩)। অনুরূপভাবে পূর্ববর্তী লেখকদের কিতাব থেকে তথ্য, দলীল বা বক্তব্য গ্রহণ করা মোটেও দোষের নয়; বরং এটি জ্ঞানচর্চার একটি স্বাভাবিক ও চিরাচরিত নিয়ম। তবে শর্ত হ’ল, যার লেখা বা কিতাব থেকে সাহায্য নেওয়া হচ্ছে, আমানত দারিতার স্বার্থে অবশ্যই তার নাম ও কিতাবের সুস্পষ্ট উদ্ধৃতি উল্লেখ করতে হবে। সূত্র উল্লেখ না করে অন্যের গবেষণাকে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া ইলমী খেয়ানতের শামিল।

প্রশ্নকারী : মা‘রূফ হাসান, রাজশাহী।








বিষয়সমূহ: বিধি-বিধান
প্রশ্ন (১১/৩৭১) : আমার এক ধনী বন্ধু আমার কাছে কোন খাত নির্দিষ্ট না করে দান করার জন্য যাকাতের কিছু টাকা দিয়েছে এবং আমার মত করে ব্যয় করতে বলেছে। এখন আমি নিজেই অনেক টাকা ঋণী। এই টাকা থেকে আমি নিজেকে ঋণমুক্ত করতে পারব কি? উল্লেখ্য যে, আমি স্বাভাবিকভাবে ভরণ-পোষণ করতে পারি, কিন্তু ঋণ পরিশোধে সামর্থ্যবান নই।
প্রশ্ন (১৩/১৭৩) : পিতা-মাতাকে মারধর করার পর ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা চাইলে মাতা ক্ষমা করলেও জীবিত পিতা ক্ষমা করেননি। এক্ষণে আল্লাহর নিকটে তওবা করলে উক্ত গোনাহ মাফ হবে কি?
প্রশ্ন (৭/২৮৭) : জনৈক বক্তা বলেন, ভাতের পাত্রের মাঝখান থেকে চামচ ঢুকিয়ে ভাত বাড়া যাবে না। বরং যেকোন পাশ থেকে চামচ ঢুকাতে হবে। নইলে বরকত কমে যাবে। একথার কোন সত্যতা আছে কি? - -মুহাম্মাদ শামীম, গাইবান্ধা।
প্রশ্ন (১৪/৯৪) : দ্বিতীয় বিবাহের জন্য স্ত্রীর অনুমতি যরূরী কি? একাধিক স্ত্রীর মাঝে ইনছাফ না করতে পারার পরিণতি কি? - -মাসঊদ, পুঠিয়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৮/১৬৮) : আযল-এর বিধান সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই।
প্রশ্ন (১৮/১৭৮) : জুম‘আর খুৎবা চলাকালীন সময়ে দো‘আ কবুলের আশায় মনে মনে ইচ্ছানুযায়ী দো‘আ করা যাবে কি? - -আবু তালেব, চালা, সিরাজগঞ্জ।
প্রশ্ন (১/২৪১) : আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রেখে কোন কঠিন পরিস্থিতিতে তাবীয বা এ জাতীয় কিছু ব্যবহার করা যাবে কি? - -আবু জাহিদবাগাডাংগা, কলারোয়া, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (২৫/২২৫) : দোকান বা নব নির্মিত বাড়ীতে বসবাসের জন্য সকলে মিলে হাত তুলে দো‘আ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৪০/৪৪০) : হজ্জ বা ওমরাহ ব্যতীত ত্বাওয়াফ করার বিশেষ কোন ফযীলত আছে কি?
প্রশ্ন (৪০/১২০) : চন্দ্র ও সূর্য গ্রহণের সময় পানাহার করা ও স্ত্রী সহবাস করা যাবে কি? চন্দ্র ও সূর্য গ্রহণের কারণ কী?
প্রশ্ন (৭/২৮৭) : হায়েয অবস্থায় কুরআন শ্রবণের ক্ষেত্রে তেলাওয়াতের সিজদা দেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৩/৩৫৩) : মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে ওয়ারিছগণ ঋণ আদায়ে বাধ্য কি? এছাড়া ঋণ আদায়ে ওয়ারিছদের উপর যবরদস্তি করা যাবে কি?
আরও
আরও
.