ভূমিকা :

মুমিনের আধ্যাত্মিক উন্নয়ন এবং মহান আল্লাহর একান্ত নৈকট্য লাভের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম হ’ল তাহাজ্জুদ ছালাত। এই ছালাতের মাধ্যমে বান্দার সাথে তার রবের সম্পর্ক তৈরী হয়ে যায়। কুরআন ও হাদীছে এই ছালাতের অপরিসীম গুরুত্ব ও ফযীলত বর্ণিত হয়েছে। অথচ চরম গাফলতী ও পার্থিব মোহগ্রস্থতার কারণে অধিকাংশ মানুষ রাতের এই বরকতময় ইবাদত থেকে মাহরূম থেকে যায়। রাতের নীরব-নিস্তব্ধ পরিবেশে ‘ক্বিয়ামুল লায়ল’ বা তাহাজ্জুদ আদায় করা ছিল পূর্ববর্তী সকল নবী-রাসূল ও নেককার বান্দাগণের নিয়মিত আমল। এই মহিমান্বিত ছালাতের মাধ্যমে বান্দা যেমন তার বিগত জীবনের পাপরাশি মাফ করিয়ে নিতে সক্ষম হয়, তেমনি এটি তাকে ভবিষ্যতের যাবতীয় গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতেও সহায়তা করে। রাতের শেষ তৃতীয়াংশে তাহাজ্জুদ ছালাতের সময় স্বয়ং আল্লাহ প্রথম আকাশে নেমে এসে তাঁর বান্দাদেরকে দরদভরা কণ্ঠে আহবান করতে থাকেন এবং বলতে থাকেত, ‘কে এমন আছে, যে আমাকে ডাকবে? আমি তার ডাকে সাড়া দিব। কে আছে, যে আমার নিকট চাইবে? আমি তাকে তা প্রদান করব। কে আছে এমন, আমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করবে? আমি তাকে ক্ষমা করব’।[1] আর আমরা? আমরা ঘুমিয়ে থাকি। চাওয়ার দুয়ার খোলা, ডাক আসছে, অথচ আমরা ব্যস্ত দুনিয়ার মোহ মায়ায়। আচ্ছন্ন গভীর ঘুমের শীতল পরশে, বিচরণ করি স্বপ্নের জগতে!

তাহাজ্জুদ থেকে বঞ্চিত হওয়ার আধ্যাত্মিক কারণ

অনেক সময় মুমিন বান্দা চাইলেও তাহাজ্জুদের তাওফীক থেকে বঞ্চিত হন। এর পেছনে বেশ কিছু আধ্যাত্মিক কারণ রয়েছে। সেগুলো নিম্নরূপ-

১. দিনের বেলা পাপাচার : প্রতিনিয়ত গুনাহের কারণে বান্দার অন্তর কঠিন হয়ে যায় এবং তার ওপর চরম অলসতা ভর করে। বিশেষ করে দিনের বেলার ছোট-বড় পাপগুলো বান্দার অন্তরে কালো দাগ ফেলে, যা তার ইবাদতের স্পৃহাকে কমিয়ে দেয়। এর ফলে মহান আল্লাহর সাথে বান্দার বিরাট দূরত্ব সৃষ্টি হয়। আর এই দূরত্বের কারণেই রাতের রহমতপূর্ণ সময়ে তার ঘুম ভাঙে না। প্রখ্যাত তাবেঈ হাসান বছরী (রহ.)-এর নিকটে এসে এক ব্যক্তি আক্ষেপ করে বললেন, আমি তো সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় ঘুমাই এবং রাতে তাহাজ্জুদ পড়ার জন্য ওযূর পানিও প্রস্ত্তত রাখি। তা সত্ত্বেও আমি রাতে উঠতে পারি না কেন? উত্তরে হাসান বছরী (রহ.) বললেন, ‘তোমার পাপাচারগুলো তোমাকে বন্দি করে রেখেছে’। তিনি আরও বলেন, ‘তুমি দিনের বেলায় আল্লাহর নাফরমানী করো না, তাহ’লে তিনি রাতের বেলায় তোমাকে তাঁর সামনে দাঁড় করাবেন। অর্থাৎ তাহাজ্জুদের তাওফীক দিবেন’। হাজ্জাজ আস-সাওয়াফ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনে মাস‘ঊদ (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করা হ’ল, আমরা তাহাজ্জুদের ছালাত পড়তে সক্ষম নই। প্রতি উত্তরে তিনি বললেন, أقعدتكم ذنوبكم ‘তোমাদের পাপসমূহ (তোমাদেরকে তাহাজ্জুদের) ছালাত থেকে বিরত রাখে’।[2]

১. অন্যের প্রতি কু-ধারণা পোষণ : সুফিয়ান ছাওরী (রহ.) (৯৭-১৬১ হি.) বলেন, একবার আমার একটি পাপের কারণে আমি পাঁচ মাস তাহাজ্জুদের ছালাত হ’তে বঞ্চিত হয়েছিলাম। তখন তাকে বলা হ’ল সে পাপটি কি? তখন তিনি বললেন, এক ব্যক্তি দো‘আ করার সময় কাঁদছিল। আর আমি তাকে দেখে ধারণা করলাম যে, সে ভান করছে। আমি শুধু মনে মনেই ভেবেছিলাম যে, সে বোধহয় রিয়াকারী। এই কুধারণার গুনাহের কারণে আল্লাহ তা‘আলা পাঁচ মাসের জন্য আমাকে তাহাজ্জুদ থেকে বঞ্চিত করেন।[3] সুবহানাল্লাহ! শুধুমাত্র তাঁর একটি কুধারণা পোষণের জন্য তিনি এমন নে‘মত থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। অথচ আমরা মানুষের ব্যাপারে না জেনেই কত কুধারণা পোষণ করে থাকি। তিনিতো একজন উচুঁ মাপের পরহেযগার আলেম ছিলেন। তিনি খুব সহজেই নে‘মত বঞ্চিত হওয়ার কারণ বের করে ফেলেছেন। কিন্তু আমরা এতো এতো গুনাহ করি তারপরেও আমাদের তাহাজ্জুদ থেকে বঞ্চিত হওয়ার কারণ খোঁজার ফুরসত হয় না। আর কারণ না খুঁজেই আমরা বলে বেড়াই তাহাজ্জুদের তাওফীক হয় না।

৩. অহংকার ও আত্মতুষ্টি : ইবাদতের তাওফীক পেয়ে নিজের মধ্যে আত্মতুষ্টির জন্ম হওয়া মুমিনের জন্য ধ্বংসাত্মক। অনেকেই নিজের পরহেযগারিতা ও আমলের আধিক্য নিয়ে অহংকার করেন ও অন্যকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করেন, যা আল্লাহর নিকট অপসন্দনীয়। বান্দার অন্তরে যেন অহংকার ও আত্মতুষ্টির ব্যাধি প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য মহান আল্লাহ অত্যন্ত দয়াপরবশ হয়ে তাকে সাময়িকভাবে তাহাজ্জুদের ছালাত থেকে বিরত রাখতে পারেন। ইমাম ইবনুল ক্বাইয়িম (রহ.) বলেন,وَفِي بَعْضِ الْآثَارِ: إِنَّ اللهَ يُنِيمُ الْعَبْدَ عَنْ قِيَامِ اللَّيْلِ نَظَرًا لَهُ وَرَحْمَةً، لِئَلَّا يَدْخُلَهُ الْعُجْبُ، ‘কোন কোন আছারে এসেছে যে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা বান্দার প্রতি করুণা ও রহমতস্বরূপ তাকে রাতের বেলায় (তাহাজ্জুদের সময়) ঘুম পাড়িয়ে রাখেন, যাতে তার অন্তরে অহংকার প্রবেশ করতে না পারে’।[4]

৪. আল্লাহর অপসন্দনীয় বান্দা হওয়া : মানুষ চাইলেই স্বীয় ইচ্ছায় নেক আমল করার সৌভাগ্য অর্জন করতে পারে না। বস্ত্ততঃ আল্লাহ যাকে পসন্দ করেন ও তাওফীক দান করেন কেবলমাত্র তারাই সৎকর্ম সম্পাদন করতে পারেন। তাই নিজেকে সৎকর্মে নিয়োজিত রাখার জন্য আল্লাহর পসন্দনীয় বান্দা হওয়ার চেষ্টা করা কর্তব্য। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন,إِذَا أَرَادَ اللَّهُ بِعَبْدٍ خَيْرًا اسْتَعْمَلَهُ فَقِيلَ: كَيْفَ يَسْتَعْمِلُهُ يَا رَسُولَ اللهِ؟ قَالَ: يُوَفِّقُهُ لِعَمَلٍ صَالِحٍ قَبْلَ المَوْتِ، ‘আল্লাহ যখন কোন বান্দার কল্যাণ চান, তখন তাকে (সৎকর্মে) নিয়োজিত করেন। জিজ্ঞেস করা হ’ল, হে আল্লাহর রাসূল! কিভাবে তাকে নিয়োজিত করেন? তিনি বললেন, মৃত্যুর পূর্বে তাকে সৎকাজ করার তাওফীক দান করেন’।[5] আমরা হয়তো এমন কোন পাপাচারে নিমজ্জিত রয়েছি যার কারণে মহান আল্লাহ আমাদের প্রতি অসন্তুষ্ট। এজন্যই আমরা তাহাজ্জুদের মতো মর্যাদাপূর্ণ আমল থেকে বঞ্চিত হচ্ছি।

ফুযায়েল ইবনু ইয়ায (রহ.) বলেন, إِذَا لَمْ تَقْدِرْ عَلَى قِيَامِ اللَّيْلِ وَصِيَامِ النَّهَارِ فَاعْلَمْ أَنَّكَ مَحْرُومٌ مُكَبَّلٌ كَبَّلَتْكَ خَطِيئَتُكَ، ‘যদি তুমি তাহাজ্জুদ ছালাত আদায় করতে এবং দিনের বেলা নফল ছিয়াম পালনে সক্ষম না হও, তবে জেনে রেখো তুমি বঞ্চিত ও শৃঙ্খলিত অবস্থায় আছ। তোমাকে তোমার পাপই বেঁধে রেখেছে’।[6]

তাহাজ্জুদ থেকে বঞ্চিত হওয়ার বস্ত্তগত কারণ

আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের কিছু বস্ত্তগত বা বাহ্যিক ত্রুটিও তাহাজ্জুদ থেকে বঞ্চিত হওয়ার জন্য দায়ী। সেগুলো হ’ল।-

১. রাত জাগা ও দেরিতে ঘুমানো : গভীর রাত পর্যন্ত সোশ্যাল মিডিয়া বা ইন্টারনেটে ভিডিও দেখে সময় নষ্ট করা অথবা অন্য কোন কারণে দেরীতে ঘুমানো তাহাজ্জুদ ছুটে যাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ। অথচ এশার ছালাতের পর দ্রুত ঘুমিয়ে পড়া রাসূল্লাহ (ছাঃ)-এর সুন্নাত।[7]

২. রাতে অতিরিক্ত পানাহার : রাতের বেলায় পেট ভরে অতিরিক্ত খাবার খেলে শরীর ভারী হয়ে যায় এবং অতিরিক্ত ঘুম পায়, যা শেষ রাতে ওঠার ক্ষেত্রে বড় অন্তরায়।

৩. দিনে ‘ক্বায়লূলা’ না করা : দুপুরে আহারের পর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়া বা ক্বায়লূলা করা রাতের ক্বিয়ামের জন্য সহায়ক। দিনে ক্বায়লূলা না করলে শরীর ক্লান্ত থাকে এবং শয়তানের প্ররোচনায় শেষ রাতে ঘুম থেকে ওঠা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে।

৪. মাত্রাতিরিক্ত শারীরিক ক্লান্তি : সারাদিন দুনিয়াবী কাজে অতিরিক্ত পরিশ্রমের ফলে শরীর অত্যধিক ক্লান্ত হয়ে পড়ে। ফলে রাতে ইবাদতের জন্য বিছানা ছেড়ে ওঠার মতো শক্তি অবশিষ্ট থাকে না।

৫. ঘুমানোর সুন্নাত বর্জন ও প্রস্ত্ততির অভাব : দৃঢ় নিয়ত না করা, ওযূ ছাড়া ঘুমানো এবং শয়নের পূর্বে পঠিতব্য সুন্নাতী দো‘আ ও যিকিরসমূহ পাঠ না করার কারণে শয়তান ঘুমের মধ্যে অলসতা বৃদ্ধি করে দেয়।

সম্মানিত পাঠক! বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে দ্বীনী জ্ঞান অর্জন অতীব সহজ। একসময় ইসলামের বিভিন্ন আমল ও ফযীলত সম্পর্কে কেবল আলেম-ওলামাই জানতেন, আর সাধারণ মানুষ তাঁদের কাছ থেকে শিখে নিতেন। কিন্তু আজ ইন্টারনেটের কল্যাণে সাধারণ মানুষও খুব সহজেই ইলম অর্জন করতে সক্ষম হচ্ছে। আলহামদুলিল্লাহ! এসবের কল্যাণে আজ স্কুল-কলেজ পড়ুয়া অসংখ্য কিশোর-তরুণ দ্বীনের পথে ফিরে আসছে। ১৫-১৬ বছরের অনেক তরুণকে নিয়মিত তাহাজ্জুদ আদায় করতে দেখা যায়, যাদের ইবাদতের একাগ্রতা অনেক সময় বহু আলেমকেও লজ্জিত করে। অথচ পরিতাপের বিষয় হ’ল, অনেক বয়স্ক ও দ্বীনদার মানুষও স্রেফ ‘নফল ছালাত’ বলে অবহেলা করে এই অমূল্য নে‘মত থেকে নিজেদেরকে বঞ্চিত রাখছেন।

সবচেয়ে আক্ষেপের বিষয় হ’ল, আলেম সমাজের একাংশও অনেক সময় এই গাফলতীর শিকার হন। সারাদিন মাদ্রাসায় কুরআন-হাদীছ পড়ানোর মত মহৎ কাজে যুক্ত থাকার অজুহাতে তারা রাতের ইবাদতে অবহেলা করেন এবং এই ভেবে নিশ্চিন্ত থাকেন যে, সারাদিন তো ছওয়াবের কাজই করছি! এমন আতমতুষ্টিতে ভোগা মানুষদের উদ্দেশ্যে জনৈক আলেম চমৎকার প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, ছাহাবায়ে কেরাম কি সারাদিন কেবল সবজি বিক্রির মতো দুনিয়াবী কাজে ব্যস্ত থাকতেন? তাঁরাও তো সারাদিন দ্বীনের দাওয়াত ও জিহাদের ময়দানে কঠোর পরিশ্রম করতেন। কিন্তু তারা ছিলেন দিনের বেলা ঘোড় সওয়ার আর রাতের বেলা ইবাদতগুযার। সুবহানাল্লাহ!

দুনিয়ার এই ক্ষণস্থায়ী জীবন আমাদের জন্য একটি পরীক্ষাকেন্দ্র। একজন মেধাবী ছাত্র যেমন পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের আশায় এক মার্কের কোন প্রশ্নও ছেড়ে আসতে চায় না, ঠিক তেমনি একজন প্রকৃত মুমিনেরও উচিত ছোট-বড় কোন আমলই হাতছাড়া না করা। বিশেষ করে তাহাজ্জুতের মত গুরুত্বপূর্ণ ও ফযীলপূর্ণ আমলকে ‘নফল ছালাত’ বলে ছেড়ে দেওয়া কোনভাবেই কাম্য নয়।

প্রিয় পাঠক! আমাদের গভীরভাবে ভেবে দেখা প্রয়োজন যে, আমরা কি কেবল নিজেদের অলসতার কারণেই তাহাজ্জুদে উঠতে পারছি না, নাকি আমাদের লাগামহীন পাপাচার ও অবাধ্যতার কারণে মহান আল্লাহ নিজেই রাতের এই বরকতময় সময়ে আমাদের চেহারা দেখতে অপসন্দ করছেন? আমরা বিশ্বকাপ খেলা দেখার জন্য গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকি, কিন্তু তাহাজ্জুদের জন্য কোনদিন উঠি না। উৎসব-অনুষ্ঠানে গভীর রাত পর্যন্ত সজাগ থাকি, কিন্তু ঠিক তাহাজ্জুদের ওয়াক্ত হ’লেই ক্লান্ত হয়ে গভীর ঘুমে লুটিয়ে পড়ি। এটা একজন মুমিনের জন্য চরম দুর্ভাগ্য ও আধ্যাত্মিক বিপর্যয়ের বিষয়। অতএব আমাদের সকলের একান্ত কর্তব্য হ’ল- যাবতীয় গাফলতী, পাপাচার ও আত্মতুষ্টি পরিহার করে মহান আল্লাহর দরবারে বিনীতভাবে তওবা করা। আল্লাহ আমাদের যাবতীয় ত্রুটি-বিচ্যুতি ক্ষমা করুন এবং আমাদেরকে তাঁর সেসব প্রিয় বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত করুন, যাদেরকে তিনি ভালোবেসে শেষ রাতে স্বীয় নৈকট্য লাভের জন্য জাগ্রত করে দেন- আমীন!


[1]. বুখারী হা/১১৪৫; মুসলিম হা/৭৫৮; মিশকাত হা/১২৩।

[2]. ইবনু রজব, লাতায়েফুল মা‘আরিফ, পৃ. ৪৬।

[3]. গাযালী, ইহইয়াউ উলূমিদ্দীন ১/৩৫৬।

[4]. ইবনুল ক্বাইয়িম, মাদারিজুস সালেকীন ১/১৭৯।

[5]. তিরমিযী হা/২১৪২, হাসান ছহীহ।

[6]. হিলইয়াতুল আওলিয়া ৮/৯৬।

[7]. বুখারী হা/৫৬৮; মিশকাত হা/৫৮৭।






বিষয়সমূহ: আমল
সূরা ফাতিহার ফযীলত ও বৈশিষ্ট্য - শিউলী ইয়াসমীন
দাওয়াতের গুরুত্ব ও দাঈর গুণাবলী - আফরোযা খাতুন, কোরপাই, বুড়িচং, কুমিল্লা
ছয়টি বাক্যের অনন্য সান্ত্বনা ও আমাদের শিক্ষা - শরীফা বিনতে আব্দুল মতীন
পর্দা : বন্দীত্ব নয় স্বাধীনতা - নিশাত তাসনীম
আরাফাহ দিবস : গুরুত্ব ও ফযীলত - আত-তাহরীক ডেস্ক
মিডিয়া আগ্রাসনের কবলে ইসলাম ও মুসলিম (পূর্ব প্রকাশিতের পর)
মাহে রামাযান ও আমাদের করণীয়
নিজে বাঁচুন এবং আহাল-পরিবারকে বাঁচান!
এপ্রিল ফুল বা এপ্রিলের বোকা! - নূরজাহান বিনতে আব্দুল মজীদ
নারীর অধিকার ও মর্যাদায় ইসলাম
নফল ছিয়াম : পরকালীন মুক্তির পাথেয় (পূর্ব প্রকাশিতের পর) - শরীফা বিনতে আব্দুল মতীন
সমাজে প্রচলিত কিছু শিরক - নূরজাহান বিনতে আব্দুল মজীদ
আরও
আরও
.