উত্তর : ব্যক্তিগত ইজতিহাদ মোতাবেক কারো বাহ্যিক আচরণ দেখে তাকে নিজ উদ্যোগে কাফির মনে করা বা ঘোষণা করা জায়েয নয়। স্পষ্ট কুফরে লিপ্ত হওয়া, কুরআন এবং সুন্নাহর স্পষ্ট বিষয়কে অস্বীকার করা বা অমান্য করা ইত্যাদি বিষয় পাওয়া গেলে কাফির বলা যেতে পারে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যখন কেউ তার মুসলিম ভাইকে বলে, হে কাফির! এ কথা দু’জনের একজনের দিকে ফিরে যায়’ (বুখারী হা/৬১০৩; মুসলিম হা/৬০)। অর্থাৎ যার দিকে অভিযোগ যদি তা সত্য না হয়, তবে তা অভিযোগকারীর উপর ফিরে আসে যা অত্যন্ত ভয়াবহ। শায়েখ ওছায়মীন (রহঃ) বলেছেন, ‘কাউকে কাফের হিসাবে সাব্যস্ত করার (তাকফীর) রায় দেওয়ার আগে দু’টি বিষয় দেখা ওয়াজিব- ১. কুরআন ও সুন্নাহর দলীল দ্বারা এটি প্রমাণিত হওয়া যে, সংশ্লিষ্ট বিষয়টি কুফরী। যাতে আল্লাহর ওপর মিথ্যা অপবাদ আরোপ করা না হয়। ২. সেই নির্দিষ্ট ব্যক্তির ওপর উক্ত হুকুমটি কার্যকর হয় কি-না তা যাচাই করা। অর্থাৎ তার ক্ষেত্রে তাকফীরের শর্তসমূহ পূর্ণ হ’তে হবে এবং তাকফীরের পথে বাধা প্রদানকারী বিষয়গুলো অনুপস্থিত থাকতে হবে (মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২/১৩৪)। ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, আমলের ক্ষেত্রে কেউ ইজতিহাদ করে ভুল করে থাকলে সেটি অপরাধ নয়। কিন্তু আক্বীদাগত মাসআলার ক্ষেত্রে অনেক মানুষ ভুলকারী মাত্রই কাফের সাব্যস্ত করে। অথচ এই ধরনের বক্তব্য ছাহাবী, তাবেঈ কিংবা মুসলিম ইমামগণের কারো থেকে জানা যায় না; বরং এটি বিদ‘আতীদের বক্তব্য (মিনহাজুস সুন্নাহ ৫/২৩৯)। তিনি আরো বলেন, আমি নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তিকে কাফের, ফাসেক বা পাপী হিসাবে সাব্যস্ত করতে কঠোরভাবে নিষেধ করি; যতক্ষণ না এটি নিশ্চিত হওয়া যায় যে, তার উপর ‘হুজ্জাতে রিসালাত’ (রাসূলের আনীত অকাট্য দলীল) প্রতিষ্ঠিত হয়েছে (মাজমূউল ফাতাওয়া ৩/২২৯)।

প্রশ্নকারী : সজীব, রাজশাহী।

[আরবীতে সুন্দর ও ইসলামী নাম রাখুন! (স.স.)]







বিষয়সমূহ: বিবিধ
প্রশ্ন (২০/৪৬০) : রামাযান মাসে একটি সুন্নাত আমল করলে অন্য মাসের ফরয আমলের ছওয়াব পাওয়া যায়। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (৪০/৪৪০) : পল্লী চিকিৎসক হিসাবে আমাকে অনেক সময় মহিলা রোগীকে ইনজেকশন দিতে হয়, হাত বা কোমরের কাপড় সরিয়ে পুশ করতে হয়। এটা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (১৬/২৯৬) : হাদীছ নাকি এসেছে যে, সফরকালে পাঁচটি সূরা পাঠ করলে সফরের চাইতে সাথীদের চেয়ে বরকত বেশী হয়। উক্ত সূরাগুলো কি কি?
প্রশ্ন (৩৮/১৯৮) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, বাদ্যযন্ত্র নিষেধ মর্মে কোন হাদীছই ছহীহ নয়। এমনকি এ মর্মে বুখারীতে বর্ণিত মু‘আল্লাক্ব হাদীছটিও যঈফ। এই বক্তব্যের সত্যতা আছে কি? - -আবু যাহরাহ, চট্টগ্রাম।
প্রশ্ন (২০/৪২০) : ঘুমানো ও ঘুম থেকে ওঠার সময় পঠিতব্য দো‘আ দু’টি যেকোন সময় ঘুমানোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে কি?
প্রশ্ন (৫/১২৫) : পিতা-মাতার নামে নাম রাখার বিধান কি? এটি কি সদাচরণের মধ্যে গণ্য হবে?
প্রশ্ন (২/৪৪২): ইফতারের পূর্বে সবাই মিলে হাত তুলে দো‘আ করার বিধান আছে কি? এ সময় দো‘আ করলে কি বেশী নেকী হয়?
প্রশ্ন (২২/১০২) : একজন বিধবা যুবতীর দুই সন্তান এখন বালেগ। সে একজন পুরুষকে মাত্র পাঁচ হাযার টাকা মোহর দিয়ে বিবাহ করে এবং তার দুই ছেলেকে বিয়েতে সাক্ষী রেখে কোনরূপ আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই সংসার করছে। এই বিবাহ কি বৈধ হয়েছে?
প্রশ্ন (৯/৪৪৯) : আমাদের দেশের ঔষধ কোম্পানীগুলো তাদের রিপ্রেজেন্টিটিভদের মাধ্যমে ডাক্তার ও ফার্মেসী দোকানদারদের নিজ নিজ কোম্পানীর ঔষধ প্রেসক্রিপশনে উল্লেখ করার জন্য দামী দামী গিফট দেয়, ডাক্তারদের সাথে মোটা অংকের আর্থিক চুক্তি করে। ফলে ঐ ডাক্তার নির্দিষ্ট কোম্পানীর বাইরে কোন ঔষধ লেখেন না। এর ফলে অনেক রোগী নিম্নমানের ঔষধ খেয়ে ক্ষতির মধ্যে পড়ে যায়। এরূপ চাকুরী করা জায়েয হবে কি? - -নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, মোহনপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৫/২০৫) : ঘুমের ভিতরে স্বপ্নদোষ ছাড়াই ধাতু ক্ষয় হয়, বীর্যের মতো আঠালো তরল পদার্থ বের হয়। আমি নিয়মিত ছালাত আদায় করি। কিন্তু এই শীতের ভিতরে রাতে গোসল করে ছালাত পড়াটা অনেক কষ্টের, শরীরের অবস্থাও খারাপ। দেখা যায় সপ্তাহে ৩-৪ দিন এই সমস্যা হচ্ছে। আমি গোসল না করে শুধু নাপাক জায়গা পরিষ্কার করে ফজর ছালাত আদায় করতে পারব কি?
প্রশ্ন (১৯/৫৯) : মাযহাবী ইমামের পিছনে ইচ্ছাকৃতভাবে জামা‘আতে ছালাত আদায় না করলে গোনাহগার হতে হবে কি?
প্রশ্ন (২৯/৩৮৯) : পিতা-মাতা অমুসলিমদের ন্যায় ইংরেজী নাম রেখেছেন। যদিও তার অর্থ ভালো। আরবী ব্যতীত এরূপ নাম রাখা যাবে কি? যদি না রাখা যায় সেজন্য সন্তান গুনাহগার হবে কি? এক্ষণে তার করণীয় কি? - আমীনুল ইসলাম, পলাশ, নরসিংদী।
আরও
আরও
.