উত্তর : মুহাম্মদ বিন আবুবকর মূলত ছাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত নন। তাছাড়া ওছমান (রাঃ)-কে হত্যায় বা তাতে উস্কানি দেওয়ার ক্ষেত্রে তার অংশগ্রহণ বিশুদ্ধভাবে প্রমাণিত নয়। কিছু এমন বর্ণনাও রয়েছে, যা থেকে স্পষ্ট হয় যে, তিনি ওছমান (রাঃ)-কে হত্যার ষড়যন্ত্র থেকে পিছু হটেছিলেন। শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেছেন, ‘হাদীছ ও ফিক্বহের নির্ভরযোগ্য কিতাবসমূহে মুহাম্মাদ বিন আবুবকরের তেমন কোন উল্লেখ নেই’ (মিনহাজুস সুন্নাহ আন-নববিয়্যাহ ৪/৩৭৫-৩৭৭)। হাফেয ইবনু কাছীর (রহঃ) বলেছেন, ‘বর্ণিত আছে যে, মুহাম্মাদ বিন আবুবকর ওছমান (রাঃ)-এর কানের লতি দিয়ে ছুরি চালিয়ে দিয়েছিলেন যা তার কণ্ঠনালী পর্যন্ত পৌঁছেছিল। কিন্তু সঠিক কথা হ’ল, এই কাজটি অন্য কেউ করেছিল। মুহাম্মাদ বিন আবুবকর বরং লজ্জা পেয়ে ফিরে এসেছিলেন যখন ওছমান (রাঃ) তাকে বলেছিলেন, তুমি এমন এক দাড়ি ধরেছ যা তোমার পিতা (আবুবকর) সম্মান করতেন। একথা শুনে তিনি লজ্জিত হন এবং মুখ ঢেকে ফিরে আসেন। এমনকি তিনি ওছমান (রাঃ)- কে রক্ষা করার চেষ্টাও করেছিলেন, কিন্তু তা ফলপ্রসূ হয়নি। আল্লাহর ফায়ছালা অবধারিত ছিল এবং তা কিতাবে পূর্বনির্ধারিত ছিল’ (আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ ৭/২০৭)। মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ গাববান আল-ছুবহী বলেছেন, ‘মুহাম্মদ বিন আবুবকর ওছমান (রাঃ)-কে হত্যার উস্কানি দেওয়ার ক্ষেত্রে অথবা তাকে সরাসরি হত্যা করার ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ করেননি। এ বিষয়ে তাকে অভিযুক্ত করে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে, তার সবই বাতিল এবং এর কোন সত্যতা নেই’ (ফিতনাতু মাকতালি উছমান ইবনে আফফান ১/২৯০)

প্রশ্নকারী : মুস্তাক্বীম বিল্লাহ, কলারোয়া, সাতক্ষীরা।








বিষয়সমূহ: বিধি-বিধান
প্রশ্ন (১/১২১): ঢাকার একটি পুরাতন মাসিক ইসলামী পত্রিকার অক্টোবর ২০১০ সংখ্যায় প্রশ্নোত্তরে বলা হয়েছে, মৃত ব্যক্তি বা প্রিয় নবী (ছাঃ)-এর নামে নফল নামায পড়া শুধু জায়েযই নয়, বরং অনেক ভাল কাজ। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (১/৩৬১) : জামা‘আতবদ্ধ ছালাতে শেষ তাশাহহুদের সময় যোগদান করলে তাশাহহুদ সহ অন্যান্য দো‘আসমূহ পাঠ করতে হবে কি?
প্রশ্ন (১২/১৩২) : আমাদের এলাকায় প্রায় মসজিদের ইমামগণ ছালাত শেষে মুছল্লীদেরকে নিয়ে গোল হয়ে বসেন। বিভিন্ন রকমের দরূদ পড়ে থাকেন। যেমন- বালাগাল উলা, ছাল্লাল্লাহু, ইয়া মুহাম্মাদ, ইয়া রাসূলুল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ইত্যাদি। এসব দরূদ পড়া কি জায়েয।
প্রশ্ন (৩৯/৭৯) : মহিলা সমাবেশে পুরুষ বক্তার সালামের জবাব বা পুরুষের কোন প্রশ্নের জবাব মহিলারা সরবে দিতে পারবে কি? - -আবুল কালামকমরগ্রাম, বানিয়াপাড়া, জয়পুরহাট।
প্রশ্ন (২২/৩৮২) : পিতা-মাতার মধ্যে কোন বিষয়ে মনোমালিন্য সৃষ্টি হ’লে তাদের মাঝে সমঝোতার লক্ষ্যে সন্তান হিসাবে কিছু মিথ্যা কথা বলা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৮/৭৮) : পিতা-মাতা আমার সাথে বৈষম্যমূলক আচরণ করেন। আমাকে সংসার থেকে আলাদা করে দিয়েছেন। বড় ভাই ও ভাবীকে নিয়েই তারা ব্যস্ত। আমার স্ত্রী গরীব ঘরের সন্তান হওয়ায় তার সাথে মন্দ আচরণ করেন। টাকা-পয়সা সব বড় ভাইকে দিতে চান। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (২৫/১০৫) : যেকোন পাপের জন্য ছালাত ব্যতীত সাধারণভাবে সিজদায় গিয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করা যাবে কি? যেভাবে শুকরিয়া আদায়ের জন্য সিজদা করা যায়?
প্রশ্ন (১১/৪১১) : সূরা ওয়াক্বি‘আহ পাঠ করলে অভাব-অনটন দূর হয় কি? - -ফয়ছাল মাহমূদ, মীরপুর, ঢাকা।
প্রশ্ন (২৭/১৮৭) : আমাদের দেশে প্রচলিত অমুসলিমদের তৈরী বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য যেমন সাবান, শ্যাম্পু ইত্যাদি ব্যবহার করা জায়েয হবে কি? - -ছালাহুদ্দীন তুহীন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।
প্রশ্ন (১৮/৯৮) : চার রাক‘আত বিশিষ্ট ছালাতের ১ম তাশাহহুদের পর দাঁড়ানোর সময় যমীনের উপর ভর দিয়ে দাঁড়াতে হবে, না হাঁটুর উপর ভর দিয়ে দাঁড়াতে হবে?
প্রশ্ন (২৫/৪৬৫) : পিতা সন্তান রেখে মারা গেলে সন্তানেরা দাদার সম্পত্তি পাবে না মর্মে সরাসরি কোন দলীল হয়েছে কি?
প্রশ্ন (১/২০১) :ফসল যদি জমির মালিক ও বর্গাদার উভয়ের মধ্যে ভাগ হয়ে থাকে, তাহ’লে ওশর কি উভয়কেই দিতে হবে? না যেকোন একজন দিলেই হবে? এছাড়া ওশর প্রদানের জন্য ২০ মণ ফসল হওয়া আবশ্যক, না অল্প হ’লেও ওশর দিতে হবে?
আরও
আরও
.