উত্তর : নির্দিষ্ট শর্তের অধীনে এসব উপহার গ্রহণ করলে ঘুষের অন্তর্ভুক্ত হবে। কারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভালো-মন্দ নির্বিশেষে হাদিয়া প্রদানকারী কোম্পানীর ঔষধ রোগীদেরকে লিখে দেওয়ার জন্য প্ররোচিত করতেই উক্ত হাদিয়া প্রদান করা হয়ে থাকে। যা ঘুষ হিসাবে গণ্য (ফাতাওয়া লাজনাহ দায়েমাহ ২৩/৫৭০)। আবু হুরায়রা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ঘুষখোর ও ঘুষ প্রদানকারীকে লা‘নত করেছেন (তিরমিযী হা/১৩৩৬; মিশকাত হা/৩৭৫৩)। এক্ষণে চিকিৎসক দান করলেও ছওয়াব হবে না। কেননা রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি হারাম মাল সঞ্চয় করে, অতঃপর তা থেকে ছাদাক্বা করে, তাতে সে ছওয়াব পাবে না এবং এর পাপ তার উপরই বর্তাবে’ (বায়হাক্বী, শু‘আবুল ঈমান হা/৩৪৭৭; হাকেম হা/১৪৪০; ছহীহ ইবনু হিববান হা/৩৩৫৬,)।
প্রশ্নকারী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, দিনাজপুর।