আমীরে জামা‘আতের নারায়ণগঞ্জ সফর             

২৫শে ডিসেম্বর’১৪ বৃহস্পতিবার : অদ্য রাত সাড়ে ১১-টার বাস যোগে মুহতারাম আমীরে জামা‘আত প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব সফরসঙ্গী হিসাবে আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, নওদাপাড়ার সহকারী শিক্ষক জনাব শামসুল আলমকে সাথে নিয়ে নব প্রতিষ্ঠিত ও ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’-এর পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত ‘দারুল হাদীছ একাডেমী’র বার্ষিক অনুষ্ঠান ও সুধী সমাবেশে যোগদানের উদ্দেশ্যে নারায়ণগঞ্জ সফরে রওয়ানা হন। পরদিন সকাল ৭-টায় নারায়ণগঞ্জে পৌঁছে তিনি সুইজারল্যান্ড প্রবাসী ‘দারুল হাদীছ একাডেমী’র জমি দাতা জনাব ইউসুফ ছাহেবের বাসায় ওঠেন এবং তার আতিথেয়তা গ্রহণ করেন। অতঃপর সকাল ১০-টার দিকে তিনি শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান সমূহ পরিদর্শনে বের হন। প্রথমে শহরের চাষাড়াস্থ আহলেহাদীছ জামে মসজিদে গমন করেন। সেখানে মসজিদ পাঠাগারে সংরক্ষিত বই-পুস্তক দেখেন এবং লাইব্রেরীর দায়িত্বশীলের সাথে কথা বলেন। সেখান থেকে নারায়ণগঞ্জ সদর হাসপাতালে যান। হাসপাতাল পরিদর্শনের পরে তিনি ‘নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর’ দেখতে যান। সেখানে তিনি আকিজ সিমেন্ট কারখানা এবং নদীবন্দরের বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন। এসময়ে তাঁকে সার্বিক সহযোগিতা করেন স্থানীয় জনাব নূরুদ্দীন ও আবুল কালাম আযাদ প্রমুখ।

জুম‘আর খুৎবা : শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন শেষে ফিরে এসে আমীরে জামা‘আত ‘দারুল হাদীছ একাডেমী’র নীচতলাস্থ নতুন জামে মসজিদে জুম‘আর খুৎবা প্রদান করেন।  এ সময়ে সমবেত মুছল্লীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তাওহীদ, রিসালাত ও আখেরাত বিশ্বাসের ভিত্তিতে সমাজ গড়া ব্যতীত দেশের কাংখিত পরিবর্তন ও উন্নয়ন সম্ভব নয়। সকলকে এ ব্যাপারে আন্তরিক হতে হবে।

সুধী সমাবেশ : বাদ আছর হ’তে শুরু হওয়া শহরের উপকণ্ঠে ফতুল্লা থানাধীন দেওভোগস্থ ‘দারুলহাদীছ একাডেমী’ ভবনে ২০১৪ সালের বার্ষিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্রদের পুরস্কার প্রদান ও নতুন বছরের ক্লাস শুরু উপলক্ষে অনুষ্ঠিত ‘সুধী সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণী’ অনুষ্ঠানে মাগরিবের কিছু পূর্বে যোগদান করেন। অতঃপর বাদ মাগরিব সেখানে প্রদত্ত প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি বলেন, ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন’ একটি সমাজ সংস্কার আন্দোলন। এ আন্দোলন শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সকলকে স্ব স্ব স্তরে নির্দিষ্ট কর্মসূচীর মাধ্যমে গড়ে তুলতে চায়। সুস্থ ও সুশৃংখল সমাজ বিনির্মাণে এ আন্দোলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। তিনি বলেন, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এবং কর্মসূচী ও কর্মপদ্ধতির ঐক্য থাকলে যেকোন দলের সাথে ঐক্য সম্ভব। কিন্তু আদর্শ বিকিয়ে দিয়ে কারু সাথে ঐক্য সম্ভব নয়। আদর্শগত ঐক্য প্রচেষ্টায় আমরা সর্বদা অগ্রণী ছিলাম। আগামীতেও থাকব ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন, হিংসা ও হঠকারিতা পরিহার করে স্রেফ আখেরাতের স্বার্থে বিনয় ও সহনশীলতা অবলম্বন করলে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে যেকোন সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।

‘দারুল হাদীছ একাডেমী’র সভাপতি ও ‘আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মাওলানা নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ‘আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় সমাজকল্যাণ সম্পাদক জনাব গোলাম মোক্তাদির, ঢাকা যেলা ‘যুবসংঘ’-এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক বর্তমানে কুয়েত প্রবাসী মিয়াঁ হাবীবুর রহমান, ঢাকার মাদারটেক আহলেহাদীছ জামে মসজিদের খত্বীব মাওলানা আমানুল্লাহ বিন ইসমাঈল, স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তি জনাব যয়নাল আবেদীন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সঞ্চালক ছিলেন ঢাকা যেলা ‘আন্দোলন’-এর সাধারণ সম্পাদক ও দারুলহাদীছ একাডেমীর সেক্রেটারী জনাব তাসলীম সরকার।

আলোচনা সভা : রাত ৯-টার দিকে মুহতারাম আমীরে জামা‘আত শহরের চাষাড়া আহলেহাদীছ জামে মসজিদে গমন করেন। সেখানে এশার ছালাতের পরে অপেক্ষমান মুছল্লীদের উদ্দেশ্যে তিনি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য পেশ করেন। তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জে পা রেখেই আমি আজ সকালে শহর দেখতে প্রথম চাষাড়া মসজিদে এসেছি। এখন বিদায়ের সময় আপনাদের ডাকে সাড়া দিয়ে পুনরায় এখানে এলাম। বুঝতেই পারছেন হৃদয়ের টানটা কোথায়? অতএব আসুন! আমরা আমাদের আদর্শিক বন্ধন আরও দৃঢ় করি।

অতঃপর সেখান থেকে রাত ১০-টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন এবং ঢাকার লালমাটিয়া হাউজিং সোসাইটি কলেজের সিনিয়র প্রভাষক জনাব আশরাফুল ইসলামের লালমাটিয়াস্থ বাসায় রাত্রি যাপন করেন।

মহিলা সমাবেশ : পরদিন ২৭শে ডিসেম্বর সকাল ৯-টায় জনাব আশরাফুল ইসলামের বাসায় এক মহিলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে পর্দার অন্তরালে সমবেত মা-বোনদের উদ্দেশ্য প্রদত্ত ভাষণে মুহতারাম আমীরে জামা‘আত বলেন, সমাজ সংস্কার আন্দোলনে মা-বোনেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। পরিবার হ’ল সমাজের প্রাথমিক ও মূল ইউনিট। এই ইউনিটের পরিচালক হলেন মা-বোনেরা। প্রচলিত জাহেলিয়াতের ধাক্কা পরিবারকেই আঘাত করছে সর্বাগ্রে। তাই পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের আলোকে পরিবারগুলিকে জাহেলিয়াত মুক্ত করার দৃঢ় শপথ নিতে হবে মা-বোনদের। অতএব ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’-এর অধীনে সংঘবদ্ধ হয়ে আপনারা স্ব স্ব পরিবারে দাওয়াতের কাজ চালিয়ে যান।

এ সময়ে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ‘আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী জেনারেল অধ্যাপক মাওলানা নূরুল ইসলাম ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের শিক্ষক জনাব ইউসুফ জাহান।

অতঃপর বেলা ১১-টার বাসে রওয়ানা হয়ে সন্ধ্যা ৫-টায় তিনি রাজশাহী পৌঁছেন।

মসজিদ ও মাদরাসা উদ্বোধন

মহেশ্বরপাশা, খুলনা ৩রা জানুয়ারী শনিবার : অদ্য সকাল ১০-টায় ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’ মহেশ্বরপাশা শাখার উদ্যোগে শহরের গাযীর মোড়ে ‘সোনামণি সালাফিইয়াহ মাদরাসা’ ও মসজিদ উদ্বোধন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ‘আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় সমাজকল্যাণ সম্পাদক জনাব গোলাম মোক্তাদির। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা যেলা ‘যুবসংঘ’-এর সভাপতি শো‘আইব হোসাইন ও দারুল হাদীছ আহমাদিয়া সালাফিইয়াহ, বাঁকাল, সাতক্ষীরার শিক্ষক মাওলানা আল-আমীন।

উল্লেখ্য যে, বিগত ১৩ অক্টোবর’১৪ইং তারিখে জনাব আলতাফ হোসাইনকে সভাপতি ও জনাব মুহাম্মাদ আফসার উদ্দীনকে সাধারণ সম্পাদক করে ৯ সদস্য বিশিষ্ট ‘আন্দোলন’-এর মহেশ্বরপাশা শাখা কমিটি গঠন করা হয়।

হাদীছ ফাউন্ডেশন বাইন্ডিং সেকশন উদ্বোধন

৯ই জানুয়ারী শুক্রবার : অদ্য সকাল সাড়ে ৮-টায় রাজশাহীর নওদাপাড়াস্থ আত-তাহরীক কার্যালয় সংলগ্ন নবনির্মিত প্রেস গৃহে ‘হাদীছ ফাউন্ডেশন প্রেস’ স্থাপনের সূচনা হিসাবে প্রাথমিকভাবে একটি কাটিং মেশিন স্থাপনের মাধ্যমে ‘হাদীছ ফাউন্ডেশন বাইন্ডিং সেকশনে’র শুভ উদ্বোন করেন ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’-এর মুহতারাম আমীরে জামা‘আত ও ‘হাদীছ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব

এ উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতা-কর্মী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে প্রদত্ত ভাষণে তিনি সর্বাগ্রে মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেন। অতঃপর বলেন, দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন আজ বাস্তবায়িত হ’তে যাচ্ছে দেখে যারপর নাই আনন্দিত বোধ করছি। অনতিবিলম্বে প্রেস মেশিন স্থাপনের মাধ্যমে সে স্বপ্ন পূর্ণতা লাভ করবে ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিপরীতে পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছ ভিত্তিক বই-পুস্তক ও গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে সমাজ সংস্কারের লক্ষ্য নিয়ে ১৯৯২ সালে ‘হাদীছ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই বিভিন্নমুখী বাধা-বিপত্তি মোকাবেলা করে হাদীছ ফাউন্ডেশন তার লক্ষ্যপানে নির্ভীকভাবে এগিয়ে চলেছে। যার ফসল উক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে ইতিমধ্যে দেশ-বিদেশে ব্যাপকভাবে সমাদৃত ধর্ম, সমাজ ও সাহিত্য বিষয়ক গবেষণা পত্রিকা মাসিক আত-তাহরীক সহ প্রায় অর্ধ শতাধিক গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের ধারাবাহিক প্রকাশ। তিনি বলেন, আভ্যন্তরীণ ও রাষ্ট্রীয় বাধার সম্মুখীন না হ’লে বহু আগেই হয়তবা আমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হ’ত।

উল্লেখ্য যে, আমীরে জামা‘আত বক্তব্যের শুরুতে হাদীছ ফাউন্ডেশনের সচিব জনাব অধ্যাপক আব্দুল লতীফ-এর আহবানে সাড়া দিয়ে সকলকে এই শুভক্ষণে প্রেস মেশিন ক্রয়ের জন্য আর্থিক সহযোগিতার আহবান জানান। এ সময়ে তিনি নিজে প্রথমে দান শুরু করলে উপস্থিত সকলেই নগদ ও বাকীতে দানের জন্য নাম তালিকাভুক্ত করেন। অতঃপর আমীরে জামা‘আত তাদের সকলের জন্য এবং বিশেষ করে প্রেস স্থাপনে আর্থিক অনুদানে বিশেষ অবদানের জন্য সঊদী আরবের রিয়াদস্থ ‘আত-তাহরীক পাঠক ফোরাম’-এর সদস্যবৃন্দ এবং ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন’ সঊদী আরব শাখার ভাইদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং আন্তরিক দো‘আ করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ‘হাদীছ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’-এর সচিব অধ্যাপক আব্দুল লতীফ, আত-তাহরীক সম্পাদক ড. মুহাম্মাদ সাখাওয়াত হোসাইন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ‘আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী জেনারেল অধ্যাপক মাওলানা নূরুল ইসলাম সহ ‘আন্দোলন’-এর মজলিসে আমেলা সদস্যবৃন্দ, ‘বাংলাদেশ আহলেহাদীছ যুবসংঘ’-এর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন যেলা থেকে আগত ‘আন্দোলন’ ও ‘যুবসংঘে’র সভাপতি ও প্রতিনিধিবৃন্দ, ‘সোনামণি’ কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্যবৃন্দ, আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী কমপ্লেক্স-এর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল খালেক সালাফী সহ অন্যান্য নেতা-কর্মী ও সুধীগণ উপস্থিত ছিলেন।

মারকায সংবাদ

(১) আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী কমপ্লেক্স :

জুনিয়র দাখিল পরীক্ষা (জেডিসি) : ২০১৪ সালের জুনিয়র দাখিল পরীক্ষায় বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, নওদাপাড়া, রাজশাহীর বালক ও বালিকা শাখা মিলে ৮৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এবারও শতভাগ পাস করে। তন্মধ্যে বালক শাখার ৬২ জনের মধ্যে ১৬ জন জিপি ৫ (A+), ৪২ জন জিপিএ ৪ (A) এবং ৪ জন জিপিএ ৩.৫০ (A-) পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। বালিকা শাখা থেকে ২৭ জনের মধ্যে ৮ জন জিপিএ ৫ (A+), ১৭ জন জিপিএ ৪ (A) এবং ২ জন জিপিএ ৩.৫০ (A-) পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে।

ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষা : ২০১৪ সালের ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষায় আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফীর বালক ও বালিকা শাখা মিলে ৯৭ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এবারও শতভাগ পাস করে। তন্মধ্যে বালক শাখার ৭৫ জনের মধ্যে ১০ জন জিপিএ ৫ (A+), ৫৪ জন জিপিএ ৪ (A), ১৭ জন জিপিএ ৩.৫০ (A-) এবং ৩ জন জিপিএ ২.৭৫ (B) পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। অত্র মাদরাসার বালিকা শাখা থেকে ২২ জনের মধ্যে ২ জন জিপিএ ৫ (A+), ১২ জন জিপিএ ৪ (A), ৬ জন জিপিএ ৩.৫০ (A-) এবং ২ জন জিপিএ ২.৭৫ (B) পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। উল্লেখ্য যে, রাজশাহী মহানগরীর ১০টি মাদরাসার ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষায় মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৩ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ১২ জনই আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী কমপ্লেক্সের শিক্ষার্থী।

(২) দারুল হাদীছ আহমাদিয়া সালাফিইয়াহ, বাঁকাল, সাতক্ষীরা :

অত্র মাদরাসা থেকে ২০১৪ সালের জুনিয়র দাখিল পরীক্ষায় ২৮ জন ছাত্র অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে ৫ জন জিএি ৫ (A+), ১৮ জন জিপিএ ৪ (A) এবং ৫ জন জিপিএ ৩.৫০ (A-) পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে।

একই বছরের ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষায় ২৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তন্মধ্যে ৩ জন জিপিএ ৫ (A+), ১৯ জন জিপিএ ৪ (A), ৬ জন জিপিএ ৩.৫০ (A-) এবং একজন জিপিএ ২.৭৫ (B) পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। পাশের হার শতভাগ।

(৩) আল-মারকাযুল ইসলামী ও ইয়াতীমখানা, কালদিয়া, বাগেরহাট :

অত্র মাদরাসা থেকে ২০১৪ সালের ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষায় ৫ জন ছাত্র অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে ৩ জন জিপিএ ৪ (A) এবং দুই জন জিপিএ ৩.৫০ (A-) পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে।

(৪) মাদরাসাতুল হাদীছ আস-সালাফিইয়াহ, সাবগ্রাম, বগুড়া :

অত্র মাদরাসা থেকে ২০১৪ সালের ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষায় ১৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তন্মধ্যে ১৭ জন জিপিএ-৫ (A+) এবং একজন জিপিএ-৪ (A) পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। পাশের হার শতভাগ।






আরও
আরও
.