উত্তর : এভাবে কুরআন পড়া যায়। তবে কুরআন বিশুদ্ধভাবে তেলাওয়াতের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে এবং সঠিক উচ্চারণের ব্যাপারে যত্নবান হ’তে হবে। নিজের ভুল সংশোধন ও জ্ঞান অন্বেষণের জন্য শিক্ষকের দারস্থ হবে। যদি কেউ চেষ্টা চালিয়ে যায় এবং সঠিক করার জন্য চেষ্টা করে, তবে সে দ্বিগুণ ছওয়াব পাবে। নবী করীম (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি কুরআনে দক্ষ, সে সম্মানিত নেককার ফেরেশতাদের সাথে থাকবে। আর যে ব্যক্তি কুরআন পড়ার সময় আটকে যায় এবং কষ্ট করে তেলাওয়াত করে, তার জন্য রয়েছে দ্বিগুণ ছওয়াব’ (মুসলিম হা/৭৯৮; মিশকাত হা/২১১২)। শায়েখ বিন বায (রহঃ) বলেন, তাঁর উচিত কুরআন তেলাওয়াতের বিষয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা এবং নিজের চেয়ে যিনি অধিক জ্ঞানী, তাঁর কাছে তেলাওয়াত করে শোনানোর ব্যাপারে যত্নবান হওয়া। (ভুল হওয়ার ভয়ে) তিলাওয়াত ছেড়ে দেওয়া যাবে না। কারণ তেলাওয়াত শেখার চেষ্টা তাঁর কল্যাণই বৃদ্ধি করবে। আর এ ক্ষেত্রে উল্লেখিত হাদীছটি তাঁর জন্য শক্তিশালী দলীল (মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৭/১৮৬)।
প্রশ্নকারী : নুসরাই সিনথিয়া, ফরিদপুর।
‘নুসরাই’ প্রকৃত আরবী উচ্চারণ নুছরাত। ‘সিনথিয়া’ গ্রীকদের নিকট চন্দ্রদেবীর নাম। অতএব আরবী-ফার্সী মিশিয়ে ‘নুছরাত জাহান’ (পৃথিবীর সাহায্যকারী) নাম রাখা যেতে পারে (স.স.)।]