উত্তর : যদি কোন ঋণ তাৎক্ষণিকভাবে পরিশোধ করা আবশ্যিক হয়, তাহ’লে হজ্জের উপর ঋণ পরিশোধ প্রাধান্য পাবে। কেননা হজ্জ ফরয হওয়ার আগেই ঋণ হয়েছে। কিন্তু যদি তা দীর্ঘমেয়াদী ঋণ হয়, সেক্ষেত্রে ব্যক্তি যদি মনে করে যে, ঋণ পরিশোধের মেয়াদে সে তা পরিশোধ করতে পারবে এবং তার কাছে হজ্জের জন্য প্রয়োজনীয় খরচাদিও রয়েছে, তাহ’লে ঋণ থাকা সত্ত্বেও তার উপর হজ্জ ফরয হবে। আর যদি সে এ ব্যাপারে নিশ্চিত না হয়, তাহ’লে ফরয হবে না (উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২১/৮৩)

প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহিল বাকী, বাঘা, রাজশাহী।








বিষয়সমূহ: হজ্জ ও ওমরাহ
প্রশ্ন (৩৫/১৯৫) : মসজিদ কমিটি ব্যাংকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ডিপোজিট রেখে তার লভ্যাংশ থেকে মসজিদের ইমাম ও মুওয়াযযিনের বেতন দেয়। এরূপ করা জায়েয হচ্ছে কি?
প্রশ্ন (৩৫/৪৭৫) : ফিদইয়া প্রদানের পর সক্ষমতা ফিরে আসলে উক্ত ছিয়াম আদায় করতে হবে কি?
প্রশ্ন (১৫/২৯৫) : বিদায়কালে মুছাফাহা করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২২/১৮২) : ফজরের ছালাতের সময়ের এক ঘণ্টা আগে ভুলবশতঃ আযান দিয়ে জামা‘আত সহ ছালাত আদায় করে ভুল বুঝা যায়। ঐ ছালাত কি পুনরায় পড়তে হবে?
প্রশ্ন (১০/২৯০) : অর্থ সংকটের কারণে পিতা অর্থ উপার্জন করতে বলেন। কিন্তু আমি পড়াশুনা করতে চাই। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩৬/১৯৬) : রাসূল (ছাঃ) বলেন, কোন ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শরীক না করলে সে জান্নাতে যাবে, যদিও সে যেনা করে ও চুরি করে। উক্ত হাদীছের ব্যাখ্যা কি?
প্রশ্ন (২৩/২৩) : আমার স্বামী পরহেযগার ও ইনছাফকারী। সার্বিক সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও আমার বাধাতেই তিনি দ্বিতীয় বিবাহ করেননি। এভাবে কেবল ঈর্ষা ও ভালোবাসার কারণে তাকে বিবাহে বাধা দেওয়ার কারণে আমি গোনাহগার হব কি?
প্রশ্ন (২১/২১) : হজ্জে তামাত্তু ও ক্বিরান পালনকারীগণ একই পরিবারের হ’লে সকলের পক্ষ থেকে একটি ছাগল বা দুম্বা কুরবানী দিলে যথেষ্ট হবে, না মাথাপ্রতি পৃথকভাবে দিতে হবে? - -আবুল হুসাইননওদাপাড়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১৮/৩৩৮) অবহেলাবশতঃ গত তিনবছর রামাযানের ছিয়াম পালন থেকে বিরত ছিলাম। এক্ষণে বোধোদয় হওয়ার পর আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (১৯/৩৩৯) : ভারতে মুসলমানরা সংখ্যালঘু হিসাবে বসবাস করছে। সে দেশের অমুসলিম সরকার তাদের এগিয়ে নেওয়ার জন্য ঋণ প্রদান করছে। যথাসময়ে সে ঋণ পরিশোধ করতে পারলে সরকার একটা মোটা অংশ ছাড় দিবে। কোন মুসলিম সেই ঋণ নিয়ে ব্যবসা করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৬/২৮৬) : যে ব্যক্তি রামাযান মাসে একটি নফল ইবাদত করে, সে অন্য মাসে একটি ফরয আদায় করার সমান নেকী লাভ করবে। আর যে ব্যক্তি একটি ফরয ইবাদত করে, সে অন্য মাসে ৭০টি ফরয ইবাদত আদায়ের ছওয়াব পাবে। হাদীছটি ছহীহ কি?
প্রশ্ন (১৬/৪৫৬) : আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, যে অন্য কারো নিয়ম-নীতি অনুসরণ করতে চায় সে যেন মৃত সৎ ব্যক্তিদের অনুসরণ করে’ উক্ত মর্মে বর্ণিত আছারটির বিশুদ্ধতা জানতে চাই। - -কিতাবুদ্দীন, পুরাতন সি এ্যান্ড বি ঘাট, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
আরও
আরও
.