বিজ্ঞান ও বিস্ময়

চীনে মশা উৎপাদনের কারখানা!

চীনের একটি প্রতিষ্ঠানে মশা উৎপাদন করা হচ্ছে। বিরক্তিকর আর বিপদজনক হওয়া সত্তেবও দেশটির গোয়ানডং রাজ্যের এক কারখানার আধুনিক প্রযুক্তি সুবিধার পরীক্ষাগারে প্রতি সপ্তাহে লাখো মশা উৎপাদন করা হচ্ছে আবার পরে তা ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে বাইরের পরিবেশে। বিস্ময়ের ব্যাপার হ’ল এ কারখানায় উৎ​পন্ন পুরুষজাতীয় মশারা কাউকে কামড়ায় না, শুধু ফল-ফুল থেকে মধু খায় আর ডেঙ্গু মশা নির্বংশের কাজ করে। গত বছরে চীনে ডেঙ্গুর ব্যাপক প্রকোপে অনেক লোক মারা গিয়েছিল। তাই এই আক্রমণ ঠেকাতে জীবাণুমুক্ত ও অনুৎপাদনশীল এই মশা উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নেয় দেশটি। গুয়াংজু সায়েন্স সিটিতে তৈরী করা হয় মশা উৎপাদনের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে বড় পরীক্ষাগারটি। বিশেষভাবে জন্মানো এই মশা দিয়ে ডেঙ্গু মশাকে নির্বংশ করা সম্ভব। এদের কারণে ডেঙ্গুর ডিম আর ফুটবে না। এগুলো কাউকে কামড়ায়ও না। এর ফলে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত মশার জন্মনিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। গবেষকেরা আশা করছেন, মশা দিয়ে মশা মারার এই উদ্যোগ যদি আরও সফল হয়, তবে বিশ্বের অন্য জায়গায় এটি ব্যবহার হ’তে পারে।

ওয়াই-ফাই পদ্ধতিতে মোবাইল ও ল্যাপটপ চার্জ

এবার মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপ চার্জ দিতে আর প্লাগ ব্যবহার করতে হবে না। সুইচ বোর্ডেরও প্রয়োজন হবে না। গবেষকরা এমন এক পদ্ধতি বের করেছেন যার সাহায্যে প্লাগে না বসিয়েই চার্জ দেওয়া যাবে ল্যাপটপ বা মোবাইল।

নতুন এই পদ্ধতিটির নাম ওয়্যারলেস পাওয়ার ট্রান্সফার। কোরিয়া অ্যাডভান্স ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির গবেষকেরা এটি আবিষ্কার করেছেন। তারা জানান, মোবাইল ও ল্যাপটপ চার্জ দিতে এটি ইন্টারনেটের ওয়াই-ফাই কানেকশনের মতো কাজ করবে। এছাড়া এই ডিভাইসের সাহায্যে অনেকটা দূর থেকেও মোবাইল বা ল্যাপটপ চার্জ দেওয়া যাবে। তবে ওয়াই-ফাইয়ের মতো এটিকে চার্জিং জোন-এর মধ্যে থাকতে হবে।

নতুন কণা আবিষ্কারে বাংলাদেশী বিজ্ঞানী জাহিদের সাফল্য

এরকম যে একটা কণার অস্তিত্ব থাকতে পারে, ৮৫ বছর আগেই হারম্যান ভাইল নামে এক বিজ্ঞানী প্রথম জানিয়েছিলেন। কিন্তু ভাইলের সেই কণা অবশেষে শনাক্ত করলেন আমেরিকার প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত পদার্থবিজ্ঞানী জাহিদ হাসান। সত্যেন বসুর ‘বোসন’ আবিষ্কারের ৯১ বছর পর আরেক বাংলাদেশী গবেষকের নেতৃত্বে আবিষ্কৃত হ’ল নতুন গ্রুপের একটি কণা, যা আবিষ্কারের পর কেবল তত্ত্বীয় পদার্থবিজ্ঞান পাল্টে যাবে না, ইলেকট্রনিক ও কম্পিউটার দুনিয়ায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে। দ্রুতগতির ও অধিকতর দক্ষ ইলেকট্রনিক্স যুগের সূচনা হবে।

মহাজগতের সকল বস্ত্তকণাকে বিজ্ঞানীরা ফার্মিয়ন ও বোসন দু’টি ভাগে ভাগ করেন। আর ফার্মিয়ন কণার একটি উপদল হল ভাইল ফার্মিয়ন। ১৯২৯ সাল থেকেই পদার্থবিজ্ঞানীরা চেষ্টা চালিয়ে গেছেন ভাইল ফার্মিয়ন-এর অস্তিত্ব প্রমাণের। ৮৫ বছর ধরে সুদীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সন্ধান মিলল সেই অধরা কণার। অতএব ইলেকট্রনিক্সের নবযুগ আসন্ন।