সংগঠন সংবাদ

বার্ষিক কর্মী সম্মেলন ২০১৫

দেশে অহি-র বিধান প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় পদে এগিয়ে চলুন

-কর্মী সম্মেলনে আমীরে জামা‘আত

রাজশাহী ২৭ ও ২৮শে আগস্ট বৃহস্পতি ও শুক্রবার : গত ২৭ ও ২৮শে আগষ্ট বৃহস্পতি ও শুক্রবার ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’-এর উদ্যোগে রাজশাহী মহানগরীর নওদাপাড়াস্থ  প্রস্তাবিত দারুলহাদীছ বিশ্ববিদ্যালয় (প্রাঃ) জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত দু’দিনব্যাপী বার্ষিক কর্মী সম্মেলনের উদ্বোধনী ভাষণে দেশের বিভিন্ন যেলা থেকে আগত কর্মীদের উদ্দেশ্যে মুহতারাম আমীরে জামা‘আত প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব উপরোক্ত কথা বলেন। তিনি বলেন, এজন্য চাই একদল আনুগত্যশীল ও নিবেদিত প্রাণ যোগ্য কর্মী বাহিনী। যারা স্রেফ পরকালীন মুক্তির স্বার্থে কাজ করবেন। তিনি বলেন, শিরক ও বিদ‘আত থেকে মুক্ত হয়ে আল্লাহ আমাদেরকে আহলেহাদীছ আন্দোলনের কর্মী হিসাবে কবুল করেছেন, এজন্য আল্লাহর প্রতি রইল সর্বোচ্চ প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা। এতে আমাদের কোন অহংকার নেই। তিনি হেদায়াত দান করেছেন বলেই আমরা এ আন্দোলন ও সংগঠনে যোগদান করতে পেরেছি এবং দ্বীন প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। এ প্রসঙ্গে তিনি রাসূল (ছাঃ)-এর ছাহাবীগণের ত্যাগ ও আল্লাহর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতাবোধের কথা স্মরণ করেন। সেই সাথে বায়‘আত ভঙ্গকারী বনু আসাদ প্রতিনিধি দলের কথা মনে করিয়ে দেন। যাদের অন্যতম নেতা তুলায়হা আসাদী ফিরে গিয়ে দ্বীন ত্যাগ করে মুরতাদ হয়ে যায় এবং নিজেকে নবী বলে দাবী করে। অথচ তারা এসে বড়াই করে বলেছিল, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কিন্তু মুসলমান হয়ে আপনার কাছে এসেছি। আপনি আমাদের কাছে কোন মুবাল্লিগ বা সেনাদল পাঠাননি। একথার জওয়াবে সূরা হুজুরাতের ১৭ আয়াত নাযিল হয়। যেখানে বলা হয়, তোমরা ঈমান এনেছ বলে বড়াই করো না। বরং আল্লাহই তোমাদেরকে ঈমানের প্রতি হেদায়াত দান করেছেন’। অতএব আমরা যেন অহংকার না করি। তিনি কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা বৃহত্তর সমাজ বিপ্লবের মহতী স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলুন। বাংলায় সবুজ মাটিতে অহি-র বিধান প্রতিষ্ঠার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে সংগঠিত হৌন। আল্লাহ আমাদের সাহায্য করুন!

আমীরে জামা‘আতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সম্মেলনে  প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ‘আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর নযরুল ইসলাম (সাতক্ষীরা)। বিশেষ অতিথি ছিলেন গাইবান্ধা-পশ্চিম সাংগঠনিক যেলার প্রধান উপদেষ্টা জনাব নূরুল ইসলাম প্রধান ও পাবনা যেলা ‘আন্দোলন’-এর প্রধান উপদেষ্টা জনাব রবীউল ইসলাম।

দু’দিনব্যাপী কর্মী সম্মেলনে পূর্ব নির্ধারিত বিষয়ে বক্তব্য পেশ করেন ‘আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী জেনারেল অধ্যাপক মাওলানা নূরুল ইসলাম (বিষয়: তাওহীদের চেতনা বিকাশে আহলেহাদীছ আন্দোলনের অবদান),  সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম (সংগঠনের ক্ষেত্রে আহলেহাদীছ আন্দোলনের অবদান), অর্থ সম্পাদক বাহারুল ইসলাম (অর্থনৈতিক সংস্কারে আহলেহাদীছ আন্দোলনের অবদান), যুববিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক আমীনুল ইসলাম (শিক্ষা সংস্কারে আহলেহাদীছ আন্দোলনের অবদান), প্রচার সম্পাদক ড. মুহাম্মাদ সাখাওয়াত হোসাইন (দাওয়াতের ক্ষেত্রে আহলেহাদীছ আন্দোলনের অবদান), প্রশিক্ষণ সম্পাদক ড. মুহাম্মাদ কাবীরুল ইসলাম (প্রশিক্ষিত কর্মী তৈরীতে আহলেহাদীছ আন্দোলনের অবদান), কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য অধ্যাপক শেখ রফীকুল ইসলাম (রাজনৈতিক ক্ষেত্রে আহলেহাদীছ আন্দোলনের অবদান), কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য অধ্যাপক জালালুদ্দীন (আন্দোলনের পরিচিতি), আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী’ নওদাপাড়া, রাজশাহীর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল খালেক সালাফী (তাক্বওয়া), শিক্ষক মাওলানা আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ (হালাল রূযী), ‘বাংলাদেশ আহলেহাদীছ যুবসংঘে’র কেন্দ্রীয় সভাপতি আব্দুর রশীদ আখতার (তাওহীদ প্রতিষ্ঠায় যুবসমাজের ভূমিকা), ‘সোনামণি’ পরিচালক আব্দুল হালীম বিন ইলিয়াস (সোনামণি সংগঠনের গুরুত্ব ও অভিভাবকের দায়িত্ব), ‘যুবসংঘে’র সাবেক সভাপতি মুযাফফর বিন মুহসিন (সমাজ সংস্কারে আহলেহাদীছ আন্দোলনের অবদান), সাবেক সহ-সভাপতি ও ‘হাদীছ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’-এর গবেষণা সহকারী নূরুল ইসলাম (সাহিত্য সংস্কারে আহলেহাদীছ আন্দোলনের অবদান), খুলনা যেলা  ‘আন্দোলন’-এর সভাপতি মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম (হিংসা ও অহংকার), মাদারটেক আহলেহাদীছ জামে মসজিদ ঢাকার খত্বীব মাওলানা আমানুল­াহ বিন ইসমাঈল (চরমপন্থী মতবাদ ও আহলেহাদীছ আন্দোলন), ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন’ সঊদী আরব শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল বারী (ইসলামের দৃষ্টিতে সংগঠনের গুরুত্ব), রাজশাহীর মোহনপুর উপযেলা ‘আন্দোলন’-এর সভাপতি মাওলানা দুররুল হুদা (নেতৃত্ব সংস্কারে আহলেহাদীছ আন্দোলনের অবদান) প্রমুখ। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য পেশ করেন ঢাকা যেলা ‘আন্দোলন’-এর সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ তাসলীম সরকার, নারায়ণগঞ্জ যেলা ‘আন্দোলন’-এর সভাপতি মাওলানা শফীকুল ইসলাম, রাজশাহী-পূর্ব সাংগঠনিক যেলার সহ-সভাপতি আলহাজ্জ আইয়ূব হোসেন প্রমুখ। উক্ত অনুষ্ঠানে ৪৯টি যেলা থেকে সহস্রাধিক কর্মী অংশগ্রহণ করেন।

দু’দিন ব্যাপী কর্মী সম্মেলনের বিভিন্ন অধিবেশনে পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন ‘আন্দোলন’-এর সাংগঠনিক অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক ড. মুহাম্মাদ সাখাওয়াত হোসাইন, ঢাকা যেলা ‘আন্দোলন’-এর অর্থ-সম্পাদক কাযী হারূনুর রশীদ ও মোহনপুর উপযেলা ‘আন্দোলন’ রাজশাহীর সভাপতি মাওলানা দুর্রুল হুদা প্রমুখ। ইসলামী জাগরণী পরিবেশন করেন আল-হেরা শিল্পী গোষ্ঠীর প্রধান শফীকুল ইসলাম ও পাবনা যেলা ‘আন্দোলন’-এর দফতর সম্পাদক আফতাবুদ্দীন।

সম্মেলনের পক্ষ থেকে নিম্নোক্ত দাবী সমূহ বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানানো হয়। যেগুলি পাঠ করেন ‘আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী জেনারেল অধ্যাপক মাওলানা নূরুল ইসলাম। যা বিপুলভাবে সমর্থিত হয়।-

1. পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের আলোকে দেশের আইন ও শাসন ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে।

2. শিক্ষার সর্বস্তরে ইসলামী শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করতে হবে এবং মাদরাসা শিক্ষার সিলেবাসে আহলেহাদীছ-এর কিতাব সমূহ পৃথকভাবে সিলেবাসভুক্ত করতে হবে।

3. পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের ভিত্তিতে ইসলামী অর্থ ব্যবস্থা সর্বত্র চালু করতে হবে। বিশেষ করে সূদভিত্তিক অর্থ ব্যবস্থা বাতিল করতে হবে।

4. ইসলামী বিচার ও শাসন ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

5. অশ্লী­ল বইপত্র, সাহিত্য ও ছবি সমূহ প্রদর্শনের অনুমোদন বন্ধ করতে হবে।

6. সরকার পরিচালিত ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশনে’র মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট মাযহাবের পরিবর্তে নিরপেক্ষভাবে পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছ ভিত্তিক গ্রন্থসমূহ প্রকাশের ব্যবস্থা করতে হবে।

7. এই সম্মেলন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহে ছবি টাঙ্গানো এবং শিরক ও বিদ‘আতী অনুষ্ঠান সমূহ রাষ্ট্রীয়ভাবে বাধ্যতামূলক না করার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানাচ্ছে।

8. মহিলাদের হিজাব পরার ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেভাবে ন্যাক্কারজনক আচরণ করা হচ্ছে, তা অবিলম্বে বন্ধ করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবী জানাচ্ছে। 9. সরকারী অফিস আদালতে ব্যাপক ঘুষ-দুর্নীতি এবং দেশের সর্বত্র মদ, জুয়া, লটারী, নগ্নতা ও বেহায়াপনা অবিলম্বে বন্ধের জোর দাবী জানাচ্ছে।

10. নেতৃত্ব নির্বাচনের দলীয় প্রথা বাতিল করে সর্বস্তরে দল ও প্রার্থীবিহীন ইসলামী নেতৃত্ব নির্বাচন ব্যবস্থা চালুর দাবী জানাচ্ছে।

11. এ সম্মেলন ক্রমবর্ধমান শিশু হত্যা ও নারী ধর্ষণসহ বিচার বহির্ভূত সকল প্রকার গুম, অপহরণ ও হত্যাকান্ড বন্ধের জোর দাবী জানাচ্ছে।

কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্য সম্মেলন :

২৮শে আগস্ট শুক্রবার : কর্মী সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন সকাল সাড়ে ৯-টায় আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী, নওদাপাড়া, রাজশাহীর পূর্ব পার্শ্বস্থ মসজিদের ২য় তলায় ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’-এর কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্য সম্মেলন মুহতারাম আমীরে জামা‘আত প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। গঠনতন্ত্রের ধারা ২২ (২) অনুযায়ী সম্মেলনে গত বছরের (২০১৪-১৫) অডিট রিপোর্ট এবং আগামী বছরের (২০১৫-১৬) বাজেট ও বার্ষিক পরিকল্পনা পেশ করেন ‘আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক বাহারুল ইসলাম ও সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম। অতঃপর তা অনুমোদিত হয়। অতঃপর কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্য গণের মধ্য হ’তে পরামর্শমূলক বক্তব্য পেশ করেন সাতক্ষীরা যেলা ‘আন্দোলন’-এর সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসাইন। সবশেষে সমবেত কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে মুহতারাম আমীরে জামা‘আত বলেন, কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্যগণ সংগঠনের স্তম্ভ স্বরূপ। আপনারা যতবেশী সচেতন হবেন, সংগঠন তত বেশী শক্তিশালী হবে। আপনারা আপনাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবেন বলে আমরা আশা করি।

সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পাবনা যেলা ‘আন্দোলন’-এর প্রধান উপদেষ্টা জনাব রবীউল ইসলাম।  সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর নযরুল ইসলাম। সম্মেলন পরিচালনা করেন ‘আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী জেনারেল অধ্যাপক মাওলানা নূরুল ইসলাম।

সম্মেলনে ২০১৫-২০১৭ সেশনের জন্য মজলিসে আমেলা ও শূরা পুনর্গঠন করা হয়। আমেলা সদস্যগণ হ’লেন-

  দায়িত্ব

নাম

শিক্ষাগত যোগ্যতা

সাধারণ সম্পাদক

অধ্যাপক মাওলানা নূরুল ইসলাম (মেহেরপুর)

কামিল, এম.এ

সাংগঠনিক সম্পাদক

অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম (যশোর)

এম.এ

অর্থ  সম্পাদক

মুহাম্মাদ বাহারুল ইসলাম (কুষ্টিয়া)

বি.এ

প্রচার সম্পাদক

ড. মুহাম্মাদ সাখাওয়াত হোসাইন (কুমিল্লা)

কামিল, এম.এ

প্রশিক্ষণ সম্পাদক

ড. মুহাম্মাদ কাবীরুল ইসলাম (গোপালগঞ্জ)

এম.এ

গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক

অধ্যাপক আব্দুল লতীফ (রাজশাহী)

এম.এ

   সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক

অধ্যাপক মাওলানা দুররুল হুদা (রাজশাহী)

দাওরা, এম.এ

সমাজ কল্যাণ সম্পাদক

মুহাম্মাদ গোলাম মোক্তাদির (খুলনা)

বি.কম

দফতর ও যুববিষয়ক সম্পাদক

অধ্যাপক আমীনুল ইসলাম (রাজশাহী)

এম.এ

মজলিসে শূরা সদস্যদের তালিকা : উপরের ৯ জন সহ বাকীগণ হলেন,

ক্রমি নং

নাম

 যেলা

সাংগঠনিক মান

০১

আলহাজ্জ আব্দুর রহমান

সাতক্ষীরা

কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্য

০২

মাওলানা মুহাম্মাদ ছফিউল্লাহ

কুমিল্লা

কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্য

০৩

মাষ্টার ইয়াকুব হোসাইন

ঝিনাইদহ

কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্য

০৪

মুহাম্মাদ গোলাম যিল-কিবরিয়া

কুষ্টিয়া

কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্য

০৫

অধ্যাপক শেখ রফীকুল ইসলাম

সাতক্ষীরা

কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্য

০৬

মুহাম্মাদ আব্দুর রহীম

বগুড়া

কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্য

০৭

অধ্যাপক আব্দুল হামীদ

পিরোজপুর

কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্য

০৮

ডাঃ মুহাম্মাদ আওনুল মা‘বূদ

গাইবান্ধা

কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্য

০৯

অধ্যাপক জালালুদ্দীন

নরসিংদী

 সাধারণ পরিষদ সদস্য

১০

মুহাম্মাদ তরীকুয্যামান

মেহেরপুর

সাধারণ পরিষদ সদস্য

১১

ডঃ মুহাম্মাদ আলী

নাটোর

কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্য

১২

অধ্যাপক বযলুর রহমান

জামালপুর

কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্য

১৩

কাযী মুহাম্মাদ হারূণুর রশীদ

ঢাকা

 কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্য

১৪

মাওলানা আলতাফ হোসাইন

সাতক্ষীরা

কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্য

১৫

মাওলানা দুররুল হুদা, মোহনপুর

রাজশাহী

কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্য

আমীরে জামা‘আতের বগুড়া সফর

বগুড়া ৬ই আগস্ট বৃহস্পতিবার: ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’-এর পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত বগুড়া যেলার গাবতলী থানাধীন ‘সালাফিইয়াহ হাফেযিয়া মাদরাসা ও ইয়াতীমখানা মেন্দিপুর-চাকলা’র একাডেমিক ভবন ও জামে মসজিদের ভিত্তিস্থাপন উপলক্ষ্যে অদ্য সকাল পৌনে ৮-টায় মুহতারাম আমীরে জামা‘আত প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব রাজশাহী হ’তে মাইক্রো যোগে বগুড়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। তাঁর সফরসঙ্গী ছিলেন ‘আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ড. মুহাম্মাদ সাখাওয়াত হোসাইন ও ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন’ সঊদী আরব শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল বারী। বগুড়া পৌঁছে তাঁরা জিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নিকটবর্তী ছোট বেলাইলে যেলা ‘আন্দোলন’-এর সমাজকল্যাণ সম্পাদক জনাব রফীকুল ইসলামের বাসায় আতিথেয়তা গ্রহণ করেন। অতঃপর প্রস্তাবিত ‘বেলাইল আহলেহাদীছ জামে মসজিদ’-এর জন্য তার দানকৃত সাড়ে তিন শতাংশ জমি পরিদর্শন করেন। উল্লেখ্য যে, ছহীহ হাদীছ ভিত্তিক ছালাত আদায়ের কারণে জনাব রফীকুল ইসলাম সহ বেশ কয়েকজন আহলেহাদীছ ভাইকে স্থানীয় হানাফী মসজিদের ইমাম ও তার সাথীরা নানাভাবে অপদস্থ করে এবং ছহীহ হাদীছ মানতে বারবার বাধা প্রদান করে।

অতঃপর সেখান থেকে রওয়ানা হয়ে মেন্দিপুর-চাকলা মাদরাসায় পৌঁছে প্রথমে তিনি মহান আল্লাহর নামে নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করেন। অতঃপর মাদরাসা মসজিদে যোহরের ছালাত আদায় শেষে অনুষ্ঠিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি বলেন, আহলেহাদীছ আন্দোলন পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের আলোকে ঐক্যবদ্ধ সমাজ গড়ার আন্দোলন। অতএব কেবল কথায় নয়, কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করুন যে, আপনারা ঐক্যবদ্ধ একটি শক্তিশালী সামাজিক শক্তি। তাহ’লেই আপনাদেরকে সবাই সমীহ করবে এবং আল্লাহ আমাদেরকে ভালবাসবেন।

এ সময়ে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য পেশ করেন, ‘আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ড. মুহাম্মাদ সাখাওয়াত হোসাইন, ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন’ সঊদী আরব শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল বারী (রাজশাহী) ও কুয়েত প্রবাসী মিয়াঁ মুহাম্মাদ হাবীবুর রহমান (ঢাকা) প্রমুখ। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন, যেলা ‘যুবসংঘে’র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম।

অতঃপর গাবতলী পৌরসভার সাবেক কমিশনার আব্দুল লতীফ আকন্দ-এর বাসায় আতিথেয়তা গ্রহণ করে তিনি পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচী অনুযায়ী পার্শ্ববর্তী সারিয়াকান্দি থানা সদরে প্রতিষ্ঠিত ‘ইসলামিক কমপে­ক্স রাজশাহী’র নামে লিখে দেওয়া ‘বাড়ইপাড়া মাদরাসাতুল হাদীছ আসসালাফিইয়াহ’ পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। কিন্তু আমীরে জামা‘আতের পূর্ব-প্রতিষ্ঠিত ‘আল-মারকাযুল ইসলামী ইয়াতীমখানা ও তাহফীযুল কুরআন নশিপুর’-এর মুহতামিম ও যেলা ‘আন্দোলন’-এর সাবেক সভাপতি জনাব আব্দুর রঊফ ও তার বড় ভাই জনাব গোলাম রববানীর আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে তিনি তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে নশিপুর মাদরাসা ও ইয়াতীমখানা পরিদর্শনে গমন করেন। সেখানে পৌঁছে তিনি ‘আল-মারকাযুল ইসলামী ইয়াতীমখানা নশিপুর’ এবং এর মহিলা শাখা ‘নশিপুর তাহফীযুল কুরআন মহিলা মাদরাসা ও ইয়াতীমখানা’ পরিদর্শন করেন। এ সময়ে তিনি পৃথকভাবে ছাত্র ও ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে উপদেশমূলক বক্তব্য পেশ করেন। নশিপুর পৌঁছলে প্রধান সড়ক থেকে মাদরাসা গেইট পর্যন্ত দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে শিক্ষক ও ছাত্ররা মুহুর্মুহু তাকবীর ধ্বনির মাধ্যমে আমীরে জামা‘আতের আগমনকে স্বাগত জানায়। নশিপুরের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে ফেরার পথে তিনি পার্শ্ববর্তী বাগবাড়ীতে যেলা ‘আন্দোলন’-এর সহ-সভাপতি হাফেয মুখলেছুর রহমান ও তার স্ত্রী ‘আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্যা মুসাম্মাৎ শাহরীমা খাতুন কর্তৃক নবপ্রতিষ্ঠিত ‘বাগবাড়ী তা‘লীমুল কুরআন মহিলা মাদরাসা ও ইয়াতীমখানা’ পরিদর্শন করেন। অতঃপর সেখান থেকে রওয়ানা হয়ে বিকাল ৫-টায় তিনি সারিয়াকান্দি মারকাযে পৌঁছেন।

সারিয়াকান্দি পৌঁছে আমীরে জামা‘আত প্রথমে থানা শহরে প্রতিষ্ঠিত ‘বাড়ইপাড়া মাদরাসাতুল হাদীছ আস-সালাফিইয়াহ’র জন্য প্রদত্ত জমি পরিদর্শন করেন। অতঃপর মারকাযে অপেক্ষমান সুধীবৃন্দের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ পেশ করেন। তিনি বলেন, শহরে বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকা সত্ত্বেও আমরা এখানে মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেছি কেন? কারণ দেশের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের বস্ত্তগত উন্নতির পথ দেখানো হয়। আখেরাতের পথ থেকে তাদের বিমুখ রাখা হয়। আর আলিয়া মাদরাসাগুলিতে তুলনামূলকভাবে দুনিয়াই মুখ্য।

কওমী মাদরাসাগুলি দ্বীন শিক্ষার নামে একটি বিশেষ মাযহাবী শিক্ষার কেন্দ্র মাত্র। যেখানে অধিকাংশ ক্ষেত্রে শিরকী আক্বীদা ও ছহীহ হাদীছ বিরোধী আমলে ও নানারূপ বিদ‘আতে অভ্যস্ত হয়ে ছাত্ররা গড়ে ওঠে। এসবের বিপরীতে আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে আখেরাতই মুখ্য। এখানে ছাত্র-ছাত্রীদের নির্ভেজাল তাওহীদী আক্বীদা ও ছহীহ হাদীছ ভিত্তিক আমল শিক্ষা দেওয়া হয় ও সেমতে অভ্যস্ত করে গড়ে তোলা হয়। আমরা দুনিয়ার জন্য দ্বীন বিক্রি করতে পারি না। সেকারণ সরকারী বা দুনিয়াদার লোকদের সহযোগিতা থেকে আমরা বঞ্চিত। এই শহরে বহু কোটিপতি আছেন। তাদের অর্থে বিদ‘আতী প্রতিষ্ঠানগুলি এমনকি শিরকের আড্ডাখানাগুলি জমজমাট হচ্ছে। অথচ তাদের পাশেই আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলি পড়ে আছে মিসকীনী হালতে। আমরা কেবল আল্লাহকেই সবকিছু বলি। তিনি যাকে ভালবাসেন, তার অন্তরকে এদিকে রুজু করে দিবেন। এর বেশী কিছু আপনাদের কাছে আমাদের বলার নেই। আল্লাহ আমাদের খিদমতগুলি কবুল করুন- আমীন!

অত্র প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা জনাব নযরুল ইসলাম বাদশাহর  সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য পেশ করেন, ‘আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ড. মুহাম্মাদ সাখাওয়াত হোসাইন ও ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন’ সঊদী আরব শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল বারী, যেলা ‘আন্দোলন’-এর সভাপতি আব্দুর রহীম, যেলা ‘যুবসংঘে’র সাহিত্য ও পাঠাগার সম্পাদক আল-আমীন, অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও উপযেলা ‘আন্দোলন’-এর সভাপতি ওয়ায়েস ক্বারনী ও মাদরাসা কমিটির সেক্রেটারী জনাব আযীযুর রহমান প্রমুখ।

অতঃপর একদিনের সংক্ষিপ্ত সফরে বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন শেষে তিনি সফরসঙ্গীদের নিয়ে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন এবং রাত ১২-টায় মারকাযে পৌঁছেন।

কর্মী সমাবেশ

পাঁজরভাঙ্গা, মান্দা, নওগাঁ ১২ই আগষ্ট, বুধবার : অদ্য সকাল ১০-টায় ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’ নওগাঁ যেলার উদ্যোগে যেলার মান্দা থানাধীন পাঁজরভাঙ্গা আহলেহাদীছ জামে মসজিদে এক কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। যেলা ‘আন্দোলন’-এর সভাপতি মাওলানা আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ‘আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক ড. মুহাম্মাদ কাবীরুল ইসলাম। সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য পেশ করেন যেলা ‘আন্দোলন’-এর সহ-সভাপতি আফযাল হোসাইন, প্রশিক্ষণ সম্পাদক ফারূক ছিদ্দীকী ও মান্দা উপযেলা ‘আন্দোলনে’র সভাপতি আফযাল হোসাইন প্রমুখ। সমাবেশে যেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে শতাধিক কর্মী অংশগ্রহণ করেন।

মারকায সংবাদ

কুল্লিয়া-র ক্লাস শুরু

নওদাপাড়া, রাজশাহী ৩রা সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার : অদ্য সকাল সাড়ে ১০-টায় আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী নওদাপাড়া, রাজশাহীতে কুল্লিয়া ১ম বর্ষের ক্লাস শুরু উপলক্ষে দারুল ইমারত আহলেহাদীছ মারকাযী জামে মসজিদে দারসুল বুখারী অনুষ্ঠিত হয়। এক ঘণ্টা ব্যাপী উদ্বোধনী দরস পেশ করেন মারকাযের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও ‘আন্দোলন’-এর মুহতারাম আমীরে জামা‘আত প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব। সরাসরি ফাৎহুলবারী থেকে বুখারী শরীফের ১ম হাদীছের দরস প্রদানকালে সমবেত ছাত্র ও শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমাদের সৌভাগ্য যে, পবিত্র কুরআনের পরে শ্রেষ্ঠ হাদীছ গ্রন্থ থেকে আমরা অহি-র ইলম শিক্ষার সূচনা করছি। ‘অহি’ আল্লাহর নিকট থেকে নাযিল হয়েছে। যা অভ্রান্ত এবং চূড়ান্ত সত্যের উৎস। উক্ত সত্যের আলোকে মুসলমানের জীবন পরিচালিত হবে। অতএব আমাদের জ্ঞান অহি-র জ্ঞানের ব্যাখ্যাকারী হবে, পরিবর্তনকারী নয়। তিনি বলেন, স্রেফ আখেরাতের লক্ষ্যে আমাদের শিক্ষাদান ও শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। কেননা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) অহি-র প্রচারের বিনিময়ে দুনিয়া অর্জন করেননি। আল্লাহ বলেন, আমরা মানুষের বুকের মধ্যে দু’টি কলব দেইনি (আহযাব ৪)। অতএব দুনিয়া ও আখেরাত দু’টি এক সঙ্গে হাছিল করার লক্ষ্যে দ্বীন শিক্ষা করলে দু’টিই হারাতে হবে। সেকারণ ইমাম বুখারী নিজের পরিশুদ্ধ অন্তরকে প্রকাশ করার জন্য শুরুতেই নিয়তের হাদীছ এনেছেন। যদিও অধ্যায়ের শিরোনামের সাথে অত্র হাদীছের সরাসরি কোন মিল নেই। তিনি ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বলেন, অনেকে অনেক রকম স্বপ্ন দেখে। তোমরা কি ইমাম বুখারীর মত পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছ অনুযায়ী নিজেদের জীবন ও সমাজ গড়ার স্বপ্ন দেখতে পারো না? তিনি বলেন, দুনিয়ার লোভ তোমাদেরকে পিছন দিকে টানবে। অতএব তুচ্ছ এ দুনিয়া নয়, আখেরাতে জান্নাতুল ফেরদৌস লাভের বৃহত্তম স্বপ্ন দেখ। সবশেষে তিনি ছাত্র ও শিক্ষক সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, আসুন! আমরা নিজেদেরকে অহি-র ইলমে সমৃদ্ধ করি এবং আমাদের জীবনকে আল্লাহর উপর সোপর্দ করি।

মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল খালেক সালাফীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য বক্তব্য পেশ করেন, পরিচালনা কমিটির সদস্য ও ‘আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ড. মুহাম্মাদ সাখাওয়াত হোসাইন।

প্রবাসী সংবাদ

শেরাঙ্গুন আঙ্গুলিয়া, সিঙ্গাপুর ১৭ই জুলাই, শুক্রবার : অদ্য বাদ জুম‘আ ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’ সিঙ্গাপুর শাখার উদ্যোগে শেরাঙ্গুন আঙ্গুলিয়া জামে মসজিদে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এক তাবলীগী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সিঙ্গাপুর ‘আন্দোলন’-এর সহ-সভাপতি মোয়াযযম হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত তাবলীগী সভায় বক্তব্য পেশ করেন মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম (ময়মনসিংহ), মুহাম্মাদ শহীদুল ইসলাম (দিনাজপুর), এমদাদুল হক (গাইবান্ধা), মুহাম্মাদ মাযহারুল ইসলাম (পটুয়াখালী) ও আব্দুল কুদ্দূস (পাবনা) প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ইসলামী জাগরণী পরিবেশন করেন মুহাম্মাদ রাকীবুল ইসলাম (মাগুরা)। অনুষ্ঠানে সঞ্চালক ছিলেন আব্দুল মুকীত (কুষ্টিয়া)। উক্ত অনুষ্ঠানে ২৬ জন ভাই ছহীহ আক্বীদা গ্রহণ করেন ও আহলেহাদীছ হন। আলহামদুলিল্লাহ।

[আমরা নতুন ভাইদের স্বাগত জানাচ্ছি এবং সাংগঠনিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে সমাজ পরিবর্তনের দুরূহ ময়দানে সাহসী ভূমিকা রাখার আহবান জানাচ্ছি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ছহীহ আক্বীদা ও আমলের উপর দৃঢ় থাকার তাওফীক দিন- আমীন! (স.স.)]