মুসলিম জাহান

ভাইকে কিডনী দিতে লটারী!

ব্যবসা বা জমিজমা ভাগ-বাটোয়ারাকে কেন্দ্র করে ভাইদের মধ্যে প্রায়শই বিরোধ দেখা যায়। কিন্তু সম্প্রতি সঊদী আরবে দেখা গেছে ভ্রাতৃত্বের এক ভিন্ন চিত্র। অসুস্থ ছোট ভাইকে কিডনী দান করার ঘটনা নিয়ে বিরোধে জড়িয়ে পড়েছিলেন চার সহোদর। শেষে লটারির মাধ্যমে তাদের সেই বিরোধের নিষ্পত্তি করা হয়।

সম্প্রতি ঘটনাটি ঘটেছে সঊদী আরবের দাহরান প্রদেশে। গত এক বছর ধরে অসুস্থ থাকার পর আব্দুল্লাহ নামক এক যুবকের দেহে কিডনী প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন দেখা দেয়। তার বড় চার ভাই-ই কিডনী দেওয়ার জন্য ব্যতিব্যস্ত। প্যাথলজী পরীক্ষায় চার জনই কিডনী দানে সক্ষম প্রমাণিত হওয়ায় তাদের মধ্যে শুরু হয় প্রতিযোগিতা। এ নিয়ে বিরোধ চরমে উঠলে সমাধানে এগিয়ে আসেন বড় ভাই হোসাইন মানছূর আল-সাবহান। তিনি লটারির মাধ্যমে ডোনারের নাম বেছে নেয়ার প্রস্তাব দেন। যথারীতি ড্র অনুষ্ঠিত হয়। এতে শেষ হাসি হাসেন তৃতীয় ভাই ৩২ বছরের মুহাম্মাদ। বিজয়ী মুহাম্মাদ এক বিবৃতিতে বলেছেন, আব্দুল্লাহ সুস্থ হয়ে উঠলেই আমাদের পরিবারে আবার সুখ-শান্তি ফিরে আসবে।

[ধন্য তোমাদের ভ্রাতৃত্ববোধ। তোমাদের দেখে নিষ্ঠুর ভাইয়েরা শিক্ষা গ্রহণ করুক। রেহেমের সম্পর্ক রহমানের সাথে যুক্ত। আল্লাহ বলেন, যে এটিকে দৃঢ় রাখবে, আমি তার সাথে যুক্ত থাকব। আর যে এটিকে ছিন্ন করবে, আমি তার সাথে ছিন্ন করব’ (বুখারী)। হাদীছটি মনে রাখুন (স.স.)]

মিসরে মহাগ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার

ভূমধ্যসাগরের মিসরীয় উপকূলে সুবিশাল এক প্রাকৃতিক গ্যাসের ভান্ডার অবিষ্কার করেছে ইতালীর তেল উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান ইএনআই। সংস্থাটির হিসাবে এটি হবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্রগুলোর একটি। তারা বলেছে, গ্যাসক্ষেত্রটি ভূপৃষ্ঠ থেকে সাড়ে ১৪শ’ মিটার গভীরে রয়েছে এবং এটি প্রায় ১শ’ বর্গ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। ক্ষেত্রটিতে ৩০ ট্রিলিয়ন কিউবিক ফুট আয়তনের সমান গ্যাস অথবা সাড়ে ৫শ’ কোটি ব্যারেল তেলের সমপরিমাণ বিকল্প জ্বালানী থাকতে পারে বলে ধারণা করছে প্রতিষ্ঠানটি। যা মিসরের কয়েক দশকের জ্বালানী চাহিদা মিটাতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। ঐতিহাসিক এই আবিষ্কার মিসরের জ্বালানী ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ পাল্টে দেবে বলে মনে করেন সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী ক্লডিও ডেসকালজি।

কাতারে মওজুদ রয়েছে ১৩৮ বছরের প্রাকৃতিক গ্যাস

কাতারের জাতীয় ব্যাংক (কিউএনবি) উপসাগরীয় দেশটিতে প্রচুর প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ রয়েছে বলে দাবী করেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেয়া কিউএনবির হিসাব অনুযায়ী, দেশটিতে আগামী ১৩৮ বছর পর্যন্ত বর্তমান হারে উৎপাদনযোগ্য গ্যাসের মজুদ রয়েছে। প্রতিবেদনে দেখা গেছে, মাথাপিছু তেল ও গ্যাসের মজুদের পরিপ্রেক্ষিতে কাতার অন্যান্য প্রধান তেল ও গ্যাস উৎপাদক দেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। কাতার বিশ্বের তৃতীয় বৃহৎ প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনকারী দেশ হিসাবে পরিচিত। কিন্তু দেশটির গ্যাস উত্তোলন নীতি ও আরো গ্যাস অনুসন্ধানের ওপর রাষ্ট্র আরোপিত নিষেধাজ্ঞা এবং দেশটির উত্তরের গ্যাসক্ষেত্রের উন্নয়ন কার্যক্রমের জন্য ২০১৪ সালে কাতারের গ্যাসের মওজুদ দশমিক ৬ শতাংশ কমে গিয়েছিল। এ গ্যাসক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশী গ্যাসের মওজুদ রয়েছে।

[আল্লাহর এই অফুরন্ত নে‘মত মানবতার কল্যাণে ব্যয় না করে বিলাসিতায় ব্যয় করছে কাতার সরকার। আগামী বিশ্বকাপ ভেন্যু হচ্ছে সেখানে। ব্যয় হচ্ছে শত শত কোটি ডলার। পাশেই সিরিয়ার লাখ লাখ মুসলমান উদ্বাস্ত্তকে তারা আশ্রয় দিচ্ছে না। তারা ইউরোপমুখী হচ্ছে। আর ভূমধ্যসাগরে ডুবে মরছে। ধিক এইসব নেতাদের (স.স.)]