বিজ্ঞান ও বিস্ময়

রাঁধুনী যখন রোবট!

চীনের হেইলংজিয়াং প্রদেশের নর্থইস্ট ফরেস্ট্রি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যান্টিনে রাঁধুনী হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে দু’টি রোবটকে। সেই রোবট রাঁধুনীরা এতটাই দক্ষ যে, ৪ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে কয়েকশ’ জনের রান্না করে ফেলছে অনায়াসে। ক্যান্টিনের ম্যানেজার ইয়েনচেন সম্প্রতি তাদের নিয়োগ করেছেন রাঁধুনী হিসাবে। তারপর থেকেই ইউনিভার্সিটির ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষকদের নিত্যনতুন রান্না করে খাওয়াচ্ছে দুই রোবট। সে রান্না সুস্বাদু তো বটেই, কয়েকশ’ লোকের রান্না করতে রোবট দু’টির সময় লাগছে মাত্র ৫ মিনিট। ইয়েনচেন জানাচ্ছেন, রোবট দু’টি দু’হাযারের বেশি রেসিপি জানে। দক্ষ রাঁধুনী তারা। কোন রান্নায় কতটা তেল-মশলা লাগবে, কতক্ষণ অাঁচে রাখতে হবে, সে সব বিষয়ে খুবই সচেতন। এমনকি রান্নার জ্বালানীও প্রায় ৫০ শতাংশ সাশ্রয় করছে এরা।

[হ্যাঁ, এভাবে মানুষ ক্রমেই যান্ত্রিক হয়ে যাচ্ছে। হৃদয়ের ছোঁয়া সেখান থেকে বিদায় নিচ্ছে। যা মানবতার জন্য অশনি সংকেত। অতএব প্রযুক্তিকে কাজে লাগাও। কিন্তু প্রযুক্তির গোলাম হয়ো না (স.স.)]

যে দেশে অধিবাসীদের চেয়ে পর্যটকের সংখ্যা বেশী

বাংলাদেশের একটি থানা সদৃশ বিশ্বের পঞ্চম ক্ষুদ্র রাষ্ট্র ২৩ বর্গমাইল আয়তনের দেশ সান ম্যারিনো। যেখানে প্রায়ই জনসংখ্যার চেয়ে পর্যটকের সংখ্যা বেশী থাকে। দেশটির চার দিকেই উত্তর-দক্ষিণ সাপের মতো পেঁচানো দেশ ইতালী। ইউরোপের অন্যতম বৃহৎ দেশটি তার পেটের ভেতরে আগলে রেখেছে ক্ষুদ্র সান ম্যারিনোকে। ছোট্ট দেশটির প্রকৃতি নয়নাভিরাম। পাহাড়ের সারির সাথে তাল মেলানো সবুজের সমারোহ অপরূপ সাজে সাজিয়েছে দেশটিকে। মাউন্ট টিটানোর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ থেকে পুরো দেশটিকেই দেখা যায়। মাত্র ৩১ হাযার জনসংখ্যার এ দেশটিতে বছরে গড়ে পর্যটক আসে ৩৩ লাখ। প্রতিদিন মোট জনসংখ্যার চেয়ে বেশিসংখ্যক পর্যটকের উপস্থিতি এখানকার সাধারণ বিষয়ে পরিণত হয়েছে। অদ্ভুত রহস্যে ভরা ছোট্ট এ দেশটিতে সবুজের সমারোহের সাথে তাল মেলানো পাহাড়ের সারি। এরই মধ্যে দিয়ে চলে গেছে তীরের মতো সোজা রাস্তা। দেশটির আবহাওয়া গ্রীষ্মকালে বেশি গরম নয়। অন্য দিকে শীতকালে কনকনে শীতও থাকে না। আশির দশকের আগে দেশটি ইউরোপের রুগ্ন অর্থনীতির অন্তর্ভুক্ত ছিল। পর্যটনকে ঘিরে সান ম্যারিনোতে ব্যাপক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটে। এখন এর মাথাপিছু আয় ইতালীর মাথাপিছু আয়ের সমান।