সম্পাদকীয়

ইসলামী আন্দোলনের ভবিষ্যৎ

বিশ্বব্যাপী ইসলামী আন্দোলন সমূহ ক্রমেই প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। নাস্তিক ও সেক্যুলারদের মুকাবিলা করার নামে ও ক্ষমতা দখলের উদ্দেশ্যে ইসলামী নেতারা একে একে যেসব কৌশল নিচ্ছেন, তাতে ইসলামের কল্যাণের চাইতে অকল্যাণ বেশী হচ্ছে। সেই সাথে সাধারণ মুসলমানদের দুর্ভোগ বাড়ছে ও ইসলাম সম্পর্কে বিরোধীদের অপপ্রচারের সুযোগ মিলে যাচ্ছে।...বিস্তারিত


দরসে কুরআন

আত্মাকে কলুষমুক্ত করার উপায় সমূহ

‘সফল হয় সেই ব্যক্তি যে তার আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে’। ‘এবং ব্যর্থ হয় সেই ব্যক্তি যে তার আত্মাকে কলুষিত করে’ (শাম্স ৯১/৯-১০)। ইতিপূর্বে বর্ণিত সূর্য, চন্দ্র, দিবস, রাত্রি, আকাশ, পৃথিবী ও মানুষসহ আটটি সৃষ্টবস্ত্তর শপথ করার পর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ উপরোক্ত কথা বলেছেন। এর দ্বারা তিনি অত্যন্ত জোরালোভাবে একথা বুঝাতে চেয়েছেন যে, পবিত্র আত্মা...বিস্তারিত


বিদ‘আত ও তার পরিণতি (২য় কিস্তি)

অহি-র বিধানের অনুসরণই আল্লাহর নৈকট্য হাছিলের একমাত্র মাধ্যম : মানব জাতি বিভিন্নভাবে আল্লাহর নৈকট্য হাছিলের চেষ্টায় ব্যস্ত। কেউ মূর্তি পূজার মাধ্যমে, কেউ কবর পূজার মাধ্যমে, কেউ পীর পূজার মাধ্যমে, আবার কেউবা ভাল কাজের দোহাই দিয়ে বিদ‘আতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য হাছিলে সচেষ্ট।।...বিস্তারিত


মানব জাতির সাফল্য লাভের উপায় (৮ম কিস্তি)

১৫. ইলম অর্জন করা : দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করা সবার জন্য আবশ্যক। দুনিয়াতে চলার জন্য ও ইবাদত করার জন্য দ্বীনী জ্ঞান অর্জন করা ফরয। অপরপক্ষে দ্বীনের খেদমত করার জন্য এবং দ্বীনের প্রচার-প্রসারে জ্ঞান অর্জন করা অপরিহার্য। কারণ একজন প্রকৃত আলেম একটি জাতি বা দেশকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারে। আর কথা ও কাজের পূর্বে জ্ঞান অর্জন ...বিস্তারিত


আকাঙ্ক্ষা : গুরুত্ব ও ফযীলত

পৃথিবীতে যেকোন বস্ত্তর একটা সুনির্দিষ্ট উৎস রয়েছে। এগুলো সৃষ্টির অন্তরালে মহান স্রষ্টার সদিচ্ছা ও সদুদ্দেশ্য বিরাজমান। অতঃপর এগুলোর নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনায় নিঃসন্দেহে তাঁর একচ্ছত্র সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত। তিনি সবকিছুর অধিপতি, বাদশাহ, রাজা, মহাধিরাজ, তাঁর কোন শরীক নেই, মাতা...বিস্তারিত

আশূরায়ে মুহাররম

ফযীলত : ১. আবু হুরায়রা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন,أَفْضَلُ الصِّيَامِ بَعْدَ رَمَضَانَ شَهْرُ اللهِ الْمُحَرَّمُ وَأَفْضَلُ الصَّلاَةِ بَعْدَ الْفَرِيْضَةِ صَلاَةُ اللَّيْلِ- ‘রামাযানের পরে সর্বোত্তম ছিয়াম হ’ল মুহাররম মাসের ছিয়াম অর্থাৎ আশূরার ছিয়াম এবং ফরয ছালাতের পরে সর্বোত্তম ছালাত হ’ল রাতের নফল...বিস্তারিত


হক-এর পথে যত বাধা-৪


(৮) ইমাম ছাহেব ছহীহ মুসলিমকে কাদিয়ানীদের হাদীছ বললেন!

আমার নাম মুহাম্মাদ আরমান ইমতিয়াজ। আমার জন্মস্থান জামালপুর যেলার বকশীগঞ্জ থানার অন্তর্গত সীমান্তবর্তী এলাকা ধানুয়া জামালপুর ইউনিয়নের সাতানীপাড়া গ্রামে। বকশীগঞ্জ থানার প্রায় ৯৫% ভাগই মুসলিম। বাকী ২% হিন্দু এবং ৩% খৃষ্টান ধর্মালম্বী (গারো উপজাতি)। এই ৯৫% ভাগ মুসলমানের মধ্যে প্রায় সবাই হানাফী মাযহাবের অনুসারী...বিস্তারিত


ভ্রমণস্মৃতি


রিয়াদ সফরে অশ্রুসিক্ত সাংগঠনিক ভালবাসা

হাদীছের পাতায় পড়েছিলাম সুমাইয়া ও বেলাল (রাঃ)-এর ইসলাম ধর্ম গ্রহণের ফলে করুণ কষ্টের কথা। খোবায়েব (রাঃ)-এর ফাঁসির কাষ্ঠে শাহাদত বরণের ব্যথা। তাঁরা সকল কষ্ট-ব্যথা হাসিমুখে বরণ করে নিয়ে জান্নাতের সুধা পান করেছেন কেবল দ্বীনের প্রতি নিখাদ ভালবাসার কারণে। দ্বীনী মুহাববত ও সাংগঠনিক ভালবাসা যে কত গভীর, কত মধুর হয় রিয়াদ সফর না করলে হয়তবা তা অনুভব করতে পারতাম না। ...বিস্তারিত


হাদীছের গল্প


সালমান ফারেসী (রাঃ)-এর ইসলাম গ্রহণের কাহিনী

আব্দুল্লাহ ইবনু আববাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সালমান আল-ফারেসী (রাঃ) নিজে তাঁর কাহিনী বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, আমি একজন পারসিক ছিলাম। আমার জন্মস্থান ছিল ইস্পাহানের অন্তর্ভুক্ত ‘জাই’ নামক গ্রাম। পিতা ছিলেন গ্রামের সর্দার। আর আমি তাঁর নিকট ছিলাম আল্লাহর সৃষ্টির ...বিস্তারিত


ইতিহাসের পাতা থেকে


বিরোধীদের প্রতি ইমাম ইবনু তায়মিয়া (রহঃ)-এর ক্ষমাসুন্দর আচরণ

মিসরে অবস্থানকালে শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনু তায়মিয়া (রহঃ) ভ্রান্ত ছূফীদের দ্বারা সবচেয়ে বেশী নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। সেখানে তিনি শিক্ষকতা, মানুষের আক্বীদা-আমল মযবূতকরণ এবং মানুষের মাঝে ছড়িয়ে থাকা উদ্ভট উপাখ্যান ও অলৌকিক কাহিনী অপনোদন সহ বহুমুখী দাওয়াতী কাজে লিপ্ত ছিলেন। কিন্তু সেখানকার ভ্রান্ত ছূফী-সাধকরা ...বিস্তারিত


গল্পের মাধ্যমে জ্ঞান


একজন বড় ছাহেব

বড় ছাহেব এক আজীব ব্যক্তি। বাজার-ঘাট করা তার মোটেই সয়না। যদিও পসন্দ মত জিনিস তার চাই। শত মানুষের ভিড়ের মাঝে দরকষাকষি করা তার পক্ষে অসম্ভব। কাজের লোক ছুটিতে। তাই কি আর করা? বেঁচে থাকার জন্য খেতে তো হবেই। অগত্যা বড় ছাহেব লাল রঙের চটের ব্যাগ নিয়ে ...বিস্তারিত


প্রশ্নোত্তর


প্রশ্ন (৯/৪৯) : শুভলক্ষণ বা কুলক্ষণ বলতে কি বুঝায়? শরী‘আতে এসবের কোন ভিত্তি আছে কি?

উত্তর : আরবরা কোথাও যাত্রার প্রাক্কালে বা কোন কাজের পূর্বে পাখি উড়িয়ে তার শুভাশুভ লক্ষণ নির্ণয় করত। পাখি ডান দিকে গেলে শুভ মনে করে সে কাজে নেমে পড়ত। আর বামে গেলে অশুভ মনে করে তা হ’তে বিরত থাকত। একেই ‘শুভলক্ষণ’ বা ‘কুলক্ষণ’ বলা হয়। এ সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা এরশাদ করেন, ‘যখন ফেরাঊন ও তার প্রজাদের কোন কল্যাণ দেখা দিত, তখন তারা বলত, এটা আমাদের জন্য হয়েছে। আর যদি কোন অকল্যাণ হ’ত, তারা তখন মূসা ও তাঁর সাথীদের ‘কুলক্ষণে’ বলে গণ্য করত’ (আ‘রাফ ১৩১)। ...বিস্তারিত

 

নোটিশ বোর্ড
গুরুত্বপূর্ন প্রশ্নোত্তর
পুরাতন সংখ্যা
october2013
অক্টোবর ২০১৩
september2013 august2013
সেপ্টেম্বর ২০১৩ ;     আগস্ট ২০১৩  
june2013 june2013
জুলাই ২০১৩ ;       জুন ২০১৩   
may2013 april2013
মে ২০১৩           এপ্রিল ২০১৩   
january2013 february2013
  মার্চ ২০১৩        ফেব্রুয়ারী ২০১৩   
  জানুয়ারী ২০১৩    ডিসেম্বর ২০১২
October2012 october2012
নভেম্বর ২০১২       অক্টোবর ২০১২
October2012 november2012
সেপ্টেম্বর ২০১২       আগস্ট ২০১২
October2012 november2012
জুলাই ২০১২          জুন ২০১২
October2012 november2012
মে ২০১২          এপ্রিল ২০১২