বিজ্ঞান ও বিস্ময়

বিজ্ঞান ও বিস্ময়

অভিনব সুগন্ধি

যুক্তরাজ্যের উত্তর আয়ারল্যান্ডের একদল বিজ্ঞানী একটি বিশেষ সুগন্ধি তৈরী করেছেন, যাতে ব্যবহারকারী যত ঘামবেন, সুগন্ধের মাত্রা তত বাড়বে। কারণ এটি তরল পদার্থের সংস্পর্শে এলে বেশী সুবাস ছড়াতে থাকবে। আর তাই ঘামের গন্ধকে ছাপিয়ে তীব্র হ’তে থাকবে সৌরভ। বেলফাস্টের কুইন্স ইউনিভার্সিটির ঐ গবেষণায় নেতৃত্ব দেন বিজ্ঞানী নিমাল গুণারত্নে। সুগন্ধি তৈরীর নতুন পদ্ধতিটি বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ হ’তে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অন্ধকারেও দেখার ক্ষমতা পাবে মানুষ!

অন্যান্য প্রাণীদের তুলনায় মানুষের রাতের দৃষ্টিশক্তি অনেকটাই কম। নিবিড় অন্ধকারে দৃষ্টিশক্তি প্রায় শূন্য। কিন্তু ক্যার্লিফোনিয়ার বিজ্ঞানীদের একটা আবিষ্কার বদলে দিতে পারে এ পরিস্থিতি। অন্ধকারেও দেখার ক্ষমতা পেতে পারে মানুষ। এজন্য দরকার হবে না কোনও বাইনোকুলার বা অত্যাধুনিক চশমা। প্রাকৃতিক উপায়েই কোরিন ই-সিক্স রাসায়নিক সাহায্যে ঘন অন্ধকারে পঞ্চাশ মিটার পর্যন্ত যেকোনও বস্ত্তকে দেখার ক্ষমতা অর্জন করতে পারে মানুষ।

কোরিন ই-সিক্স সাধারণত পাওয়া যায় সামুদ্রিক প্রাণী থেকে। অনেক দিন ধরেই ক্যান্সার প্রতিরোধে ব্যবহার করা হয় এই রাসায়নিক। ক্যালিফোর্নিয়ার বায়োকেমিক্যাল বিশেষজ্ঞরা একটু অন্যভাবে গবেষণা করে দেখেছেন, চোখের রেটিনার মধ্যে কোরিন ই-সিক্স প্রয়োগ করতে পারলে দৃষ্টিশক্তি অনেকটাই বেড়ে যায়। সেই অবস্থায় একেবারে অন্ধকার পরিবেশেও কয়েক ঘণ্টার জন্য সবকিছু দিব্যি দেখতে পারবে মানুষ।

রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া শনাক্তকরণে সহজলভ্য প্রযুক্তি উদ্ভাবন

মানুষ ও প্রাণীর রোগ সৃষ্টিকারী বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া প্রকৃতিতে বিদ্যমান। একেক ব্যাকটেরিয়ার বৈশিষ্ট্য একেক রকম হওয়ায় তা শনাক্ত করা অনেকটাই কষ্টসাধ্য ব্যাপার। সম্প্রতি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) মাইক্রোবায়োলজী অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের এক গবেষক মানুষ ও প্রাণীর ব্যাকটেরিয়া শনাক্তকরণের সহজলভ্য একটি ডিভাইস উদ্ভাবন করেছেন। সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে ‘মাইক্রো অ্যারোফিলিক গ্যাস চেম্বার’ নামক ঐ ডিভাইসটি অত্যন্ত স্বল্প মূল্যে তৈরী হওয়ায় ব্যাকটেরিয়া শনাক্তকরণে ব্যয় কমবে বলে জানান ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও সহযোগী অধ্যাপক ড. এসএম লুৎফুল কবীর। তিনি পশু ও মানুষের ডাইরিয়ার নমুনা হ’তে কম খরচে ‘ক্যাম্পালোব্যাকটার’ নামক ব্যাকটেরিয়া শনাক্তকরণে একটি ডিভাইস তৈরী করেছেন। এই ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া শনাক্তকরণে খরচ হবে মাত্র ১২০ টাকা।