কবিতা

 

সুখের নীড়

আব্দুল্লাহ আল-মা‘রূফ
আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী নওদাপাড়া, রাজশাহী।

 

শান্তি নামের সোনার হরিণ পালিয়ে গেল কোন বনে?

অশান্তির নেকড়েগুলো করছে শাসন সবখানে।

মোরা এখন করব কি পাই না খুঁজে কুল

স্বাধীন দেশে নয় তো স্বাধীন দেখছি সরষে ফুল।

গণতন্ত্রের ঢোল বাজিয়ে গাইছে নেতা সুখের গান,

শাসন ত্রাসে আরেক নেতা কাড়ছে অনেক তাযা প্রাণ।

ক্ষমতা লাভের দর্প দ্বন্দ্বে দেশটা যে আজ গরম,

উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে নাইতো নেতার শরম।

মানব রচিত বিধান দিয়ে যায় না পাওয়া শান্তি,

দেশটা যাবে রসাতলে বাড়বে শুধু শ্রান্তি।

মোদের তরে দরকার এখন খেলাফতে ইসলামী,

নবীর পথে গড়ব জীবন দূর করে সব নষ্টামী।

সকল কাজে প্রভুর কাছে করব নত শীর

রোজ হাশরে কঠিন ক্ষণে পাব সুখের নীড়।

***

তাওহীদের ডাক

আমীরুল ইসলাম মাস্টার

ভায়ালক্ষ্মীপুর, চারঘাট, রাজশাহী।

সত্য পথের পথিক মোরা

চিত্তে সাহস সর্বদাই

সত্য কথা বুক ফুলিয়ে

বলতে কোন শঙ্কা নাই।

যেথায় যাব সেথায় কব

সত্য কথা সাহস ভরে

শক্ত করে আছে বাঁধা

আল্লাহর কালাম বক্ষে করে

নবীর বাণী সত্য জানি

শক-সন্দেহ নেইকো দিলে

কারো কথা মানি না তাই

নবীর কথা যে যায় মিলে।

একই পথের পথিক মোরা

অনেক পথের ধার না ধারি

কুরআন-হাদীছ পথের দিশা

নবীই মোদের দিকদিশারী।

 লক্ষ-কোটি দেবতাদের

উপাসনা বন্ধ করে

এক আল্লাহর ইবাদতই

করতে হবে দুনিয়া পরে।

শিরক ও বিদ‘আতের ধার ধারি না

আমরা যে ভাই মুসলমান

অহি-র বিধান কায়েম করতে

দিতে জানি জান কুরবান।

তাওহীদের ঐ ঝান্ডা হাতে

চলি সারা বিশ্ব মাঝে

কুরআন ও ছহীহ হাদীছ ছাড়া

মানি নাকো মিথ্যা বাজে।

পীর ইমামের যুক্তি নয়

কুরআন-হাদীছ মেনে নাও

আল্লাহর কাছে দু’জাহানে

মুক্তি যদি পেতে চাও।

***

বর্ষবরণ

মুহাম্মাদ সাইফুয্যামান

 শোলমারী, মেহেরপুর।

বাংলা বর্ষ বাঙ্গালীদের

 মোরা বাংলাদেশী,

স্বাধীন দেশে বাস করে

পরাধীনতাই বেশী \

নিরাপত্তা নেইকো হেথায়

বিপদ সীমাহীন,

খুন-খারাবি, সন্ত্রাস-মাস্তানি

বাড়ছে দিন দিন \

৩/৪ বার করল হ্যাট্রিক

 দুর্নীতিতে দেশ,

কাজের বেলায় যেমন তেমন

পরিকল্পনায় বেশ \

ভাষার জন্য করল মিছিল

জীবন বাজি ধরি,

সেই বাংলা তারিখ ভুলে স্মরি

একুশে ফেব্রুয়ারী \

জারি-ভাওয়াইয়া, সারি-ভাটিয়ালী

পল্লীগীতি আর নাই।

আববাস-আলীমের বাংলা ভুলে

পপ-প্যারোডি, ব্যান্ডগীতি গাই \

বর্ষবরণ এলে পরে-বাঙ্গালীরা মাতে

৫০০ টাকা দাম হাঁকে- এক প্লেট পান্তা ভাতে \

তাও খেতে হয় লাইন ধরি

রাঙ্গা পেড়ে হলুদ শাড়ী পরি

এইতো মোদের সংস্কৃতি

সবাই পালন করি \

পহেলা বৈশাখ পৃথকভাবে পালন করা নয়

প্রতিটি দিবস ও রাত্রি আল্লাহর দান ভাই

তাঁর হুকুমে সকাল হয়, তাঁর হুকুমে সন্ধ্যা

আসুন করি তারই জন্য শুকরিয়ার সিজদা
***