বিজ্ঞান ও বিস্ময়

পথ দেখাবে জুতা

বাসার পথ দেখাবে জুতা। পথে বেরিয়ে বাসা হারিয়ে ফেলেছেন অথবা নতুন বাসা খুঁজে পাচ্ছেন না? আপনাকে নিশ্চিন্ত করতে গবেষকেরা নিয়ে এসেছেন ছোট্ট একটি যন্ত্র। এটি জুতায় লাগানো থাকলে সহজেই গন্তব্য খুঁজে পাওয়া যাবে। ব্লুটুথ প্রযুক্তি এবং মুঠোফোনের মানচিত্র ব্যবস্থার সংযোগে যন্ত্রটি ঠিকানা নির্দেশ করতে পারবে। এজন্য ‘সত্নভ’ নামের বিশেষ প্রযুক্তির জুতা পায়ে দিতে হবে। হাঁটার সময় যন্ত্রটি এক ধরনের কম্পন তৈরী করবে, যাতে সহজেই বুঝা যাবে কোন পথে চলতে হবে, কোন দিকে বাঁক নিতে হবে ইত্যাদি। ভারতীয় দুই প্রযুক্তিবিদ অনিরুদ্ধ শর্মা ও ক্রিসপিয়ান লরেন্স যৌথভাবে প্রযুক্তিটি উদ্ভাবন করেছেন। এ ধরনের জুতার দাম পড়বে ১০০ ব্রিটিশ পাউন্ড।

মাটির রস পরিমাপক যন্ত্র উদ্ভাবন

মাটির রস পরিমাপক যন্ত্র উদ্ভাবন করেছেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের এক বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা। এই প্রযুক্তি ব্যবহারে মাঠ পর্যায়ে চাষীদের চল্লিশ ভাগ পর্যন্ত সেচ খরচ সাশ্রয় হবে। যা জাতীয় অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে। সম্প্রতি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সেমিনার কক্ষে সাংবাদিক ও কৃষি সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে মাটির রস পরিমাপক প্রযুক্তির কর্মকৌশল ও কার্যকারিতা বিষয়ে উপস্থাপনা তুলে ধরেন উদ্ভাবক ফারূক বিন হোসেন ইয়ামীন।

এই প্রযুক্তিতে মাটির নমুনা সংগ্রাহক নল, শতকরা হারে মাটির রস পরিমাপক নিক্তির মাধ্যমে মাটির রস পরীক্ষা করা যাবে। এই যন্ত্র তৈরিতে কয়েক ফুট জিআই পাইপ, স্কেল, বাটখারা ও হাতে বানানো একটি নিক্তির প্রয়োজন পড়বে। যাতে খরচ পড়বে মাত্র আড়াইশ টাকা। উপস্থাপনার পর ঐ বিজ্ঞানী মাঠে গিয়ে তার উদ্ভাবিত যন্ত্রের কর্মকৌশল ও কার্যকারিতা হাতে-কলমে দেখান। এসময় তিনি বলেন, ‘কৃষক পর্যায়ে ফসলের প্রয়োজনীয়তা না বুঝেই ফসলী মাঠে সেচ দেওয়া হয়। যাতে পানির অপচয় হয় বেশী। তাই জমিতে সেচের প্রয়োজনীয়তা নিরূপণের জন্য ফসলের বয়স ও বৃদ্ধির বিভিন্ন পর্যায় অনুযায়ী গাছের কার্যকরী মূলাঞ্চলে মাটিতে রসের পরিমাণ জানা যরূরী।’ তিনি আরো বলেন, ‘এই যন্ত্রের মাধ্যমে রস পরিমাপ করে সেচকর্মসূচী প্রণয়ন করলে সেচ জনিত খরচ প্রায় ৪০ ভাগ কমানো সম্ভব।’

বৃহস্পতির চাঁদে যাবে নাসার রোবট

বৃহস্পতির চাঁদ হিসাবে পরিচিত ইউরোপা উপগ্রহে একটি রোবট পাঠানোর উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (নাসা)। এ অভিযান শুরুর লক্ষ্যে ২০১৫ সালের বাজেটে দেড় কোটি মার্কিন ডলার বরাদ্দের প্রস্তাব করেছে নাসা। অভিযান প্রসঙ্গে নাসার অর্থবিষয়ক প্রধান কর্মকর্তা এলিজাবেথ রবিনসন বলেন, অভিযানটি ২০২০-এর দশকের মধ্যভাগে শুরু হবে। বৃহস্পতির চারপাশে উচ্চমাত্রার তেজষ্ক্রিয়তা এবং পৃথিবী থেকে বিরাট দূরত্বের কারণে ঐ অভিযান হবে অনেক কঠিন। নাসার মহাকাশযান গ্যালিলিও ১৯৮৯ সালে বৃহস্পতির উদ্দেশ্যে যাত্রা করে সেখানে পৌঁছতে ছয় বছর সময় নেয়।

[হে মানুষ! মহাকাশ ছেড়ে পৃথিবীকে শান্তির গ্রহে পরিণত করো। তাহ’লেই তোমরা ইহকালে ও পরকালে সফলকাম হবে (স.স.)]