বিজ্ঞান ও বিস্ময়

রোবট মালী ছাফ করবে বাগান

ফ্রেন্ডলী রোবোটিক্স নামের ইসরাঈলী একটি সংস্থা বাগান পরিস্কার করতে সক্ষম ‘রোবোমো আরএস ৬৩০’ নামে একটি রোবট তৈরী করেছে। ৩০০০ বর্গমিটার পর্যন্ত এলাকায় ঘাস কেটে সমান করার ক্ষমতা রাখে এই রোবটটি। এছাড়া কখন কবে কাটতে হবে সে ব্যাপারে নির্দেশনা দিবে এটি। আবার কাজ শেষে নিজের ব্যাটারী নিজেই চার্জ করে নেবে। রোবটটি ঘাস-পাতা কেটে, সেগুলি ভালো করে কেটে আবার মাটিতেই পুঁতে দেয়। তবে তার উপর নজর রাখতে হবে, যেন আগাছা মনে করে ফুল গাছ ছাফ না করে ফেলে। জার্মানিতে এর দাম প্রায় ২,৮০০ ইউরো৷ তবে এখনো বাজারে আসেনি রোবটটি।

১ লিটার জ্বালানিতে ১০০০ কি.মি. ভ্রমণ

মাত্র এক লিটার জ্বালানী খরচে ১০০০ কিলোমিটারেরও বেশি ভ্রমণ করবে একটি গাড়ি। প্রায় দু’বছর ধরে কাজ করে ‘ইকো-দুবাই ১’ নামে এই গাড়িটি তৈরী করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মেন’স কলেজের প্রকৌশলবিদ্যা বিভাগের একদল শিক্ষার্থী। চওড়ায় অর্ধমিটারের গাড়িটি লম্বায় দুই মিটার। উচ্চতায় অর্ধমিটার হলেও এর ওজন মাত্র ২৫ কেজি। হালকা গড়নের গাড়িটি আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যেই পরীক্ষামূলকভাবে রাস্তায় নামবে বলে জানা গেছে।

 প্রবীণদের সাহায্যে রোবটিক স্যুট

বার্ধক্যজনিত কারণে ইচ্ছেমতো হাঁটাচলা করতে পারছেন না, এমন ব্যক্তিদের সাহায্য করতে আসছে রোবটিক স্যুট। ‘হাইব্রিড অ্যাসিসটিভ লিম্ব স্যুট’ নামের রোবটিক স্যুটটি বানিয়েছে জাপানের রোবট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সাইবারডাইন। রোবটটির আকর্ষণীয় দিক হচ্ছে, মানুষের মস্তিষ্কের নির্দেশনায় এটি চলে। আমরা যখন আমাদের কোন পেশী সঞ্চালন করতে চাই তখন আমাদের নার্ভের মাধ্যমে সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম বৈদ্যুতিক সিগন্যাল বিচ্ছুরিত হয়। রোবটে সংযোজিত সেন্সরগুলো এসব সিগন্যাল অব্যাহতভাবে মনিটর করে এবং রোবটিক লিম্বকে কোনদিকে কীভাবে চলতে হবে তার নির্দেশ দেয়। ধাতু ও প্লাস্টিক ব্যবহার করে স্যুটটি বানানো হয়েছে। গেলাবাল সেফটি সনদ পাওয়া প্রথম নার্সিং রোবটটি ব্যাটারিতে চলে।

আসছে অদৃশ্য স্মার্টফোন

তাইওয়ানের প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা পলিট্রন টেকনোলজিস আপটুডেট ডিসপ্লে প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাঁচের তৈরী প্রায় অদৃশ্য স্মার্টফোন তৈরি করেছে। পরীক্ষামূলকভাবে তৈরী এই ফোন দেখতে প্রায় অদৃশ্য এবং এর ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্রগুলো খুবই পাতলা। মজার ব্যাপার হ’ল, এর সার্কিট কাঁচের দু’টি পরতের মাঝে খুবই চিকন তার বসিয়ে তৈরী করা হয়েছে। তবে ফোনটির ব্যাটারিসহ কয়েকটি যন্ত্রাংশ এখনো অদৃশ্য করা সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ভাবকরা।

৩০ দিনে মঙ্গল ভ্রমণ!

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসা ও ওয়াশিংটনভিত্তিক মহাকাশযান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এমএসএনডব্লিউ-এর গবেষকরা ‘নিউক্লিয়ার ফিউশন’ নির্ভর মহাকাশযান তৈরীর প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। গবেষকরা আশা করছেন, বর্তমানে মঙ্গল ভ্রমণে চার বছরের বেশী সময় লাগলেও তাঁদের তৈরী প্রযুক্তিটি সফল হলে মাত্র ৩০ দিনে অনেক কম খরচে মহাকাশ ভ্রমণ করা যাবে। গবেষকরা মনে করছেন, দ্রুতগতির মহাকাশযান তৈরী করা সম্ভব হ’লে ৩০ দিনে মঙ্গলগ্রহে বেড়িয়ে আসার জন্য অনেকেই উৎসাহী হবেন।