বিজ্ঞান ও বিস্ময়

বিজ্ঞান ও বিস্ময়

এবার রেস্তোরায় ওয়েটারের কাজ করবে ড্রোন!

সন্ত্রাসীদের ধরার জন্য অথবা সীমান্ত এলাকা পাহারার জন্য বিজ্ঞানের স্বল্পদিনের আবিষ্কার ড্রোন ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কিন্তু এবার ব্যতিক্রমী কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে ড্রোন।  ড্রোন এবার রেস্তোরায় ওয়েটারের কাজ করছে। প্রশিক্ষিত কর্মী না পাওয়ায় এমন কাজ করছে সিঙ্গাপুরের এক রেস্তোরা। তারা চালু করেছে এমনি কয়েকটি ড্রোন ওয়েটার। দিন শেষে যাদের বেতন দেওয়ার ঝামেলা নেই। অর্ডার পাওয়ার সাথে সাথে রান্নাঘরের গরম গরম খাবার নিয়ে মুহূর্তেই উড়তে উড়তে পৌছে যাচ্ছে কাস্টমারের টেবিলে। তরিৎ এবং বিস্ময়কর পদ্ধতির সেবা পেয়ে রেস্তোরায় আসা কাস্টমাররাও খুব খুশী। কারণ অর্ডারের সঙ্গে সঙ্গে চলে আসছে খাদ্য-সামগ্রী। মালিকরাও আনন্দে আছেন। কারণ সামান্য কিছু বেশী খরচের বিনিময়ে প্রতিদিন বেতন দেওয়া, ফাঁকিবাজি, চুরি, মন্দ আচরণ ইত্যাদি পর্যবেক্ষণ ছাড়াই স্বাচ্ছন্দ্যে তারা ব্যবসা চালাতে পারছেন।

মোবাইল ফোন চার্জ হবে মানবদেহ থেকে!

মোবাইল ফোনের চার্জ নিয়ে নানা ধরনের বিড়ম্বনার শিকার হ’তে হয় সবাইকে। সময় ও সুযোগের অভাবে অনেক সময় মোবাইল অচল হওয়ার অবস্থা হয়। মনের ভুলে চার্জ না দেওয়ার কারণে কথা বলার সমস্যাও তৈরী হয় হরহামেশা। তাই প্রযুক্তিবিদরা এবার নতুন প্রযুক্তির আবিষ্কার করেছেন। এখন আর কোন চার্জার লাগবে না। মানবদেহ থেকে শক্তি নিয়েই চার্জ হবে মোবাইল ফোন। গবেষকরা জানিয়েছেন, নয়া এই প্রযুক্তিটিতে একটি ব্যাটারীর সাহায্যে মোবাইল ফোনটি ব্যবহারকারীর শরীরে নড়াচড়া হ’তেই অটোমেটিক চার্জ হবে। চলাফেরার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকবে চার্জও। নয়া এই প্রযুক্তির ব্যাটারী তৈরী করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির গবেষকগণ। তারা জানিয়েছেন, ‘থার্মালি রিজেনারেটিভ ইলেকট্রো কেমিকেল সাইকেল’ নামের বিশেষ প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে এই নতুন প্রযুক্তির ব্যাটারী তৈরী করা হয়েছে। তারা বলেছেন, পুরোপুরি গবেষণা শেষ হ’লে এই ব্যাটারীটি বাণিজ্যিকভাবে বাজারে ছাড়া হবে।

স্টেম সেল ব্যবহার করে চুল গজানোর পদ্ধতি আবিষ্কার

চুল নিয়ে যাদের দুশ্চিন্তার শেষ নেই তাদের জন্য সুসংবাদ নিয়ে এসেছেন বিজ্ঞানীরা। মানুষের স্টেম সেল (প্রাথমিক কোষ) ব্যবহার করে নতুন চুল সৃষ্টিতে সফল হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের একদল বিজ্ঞানী। নতুন পদ্ধতি অনুসরণে মাথার টাক সমস্যার সমাধানের আশা করছেন তারা। যুক্তরাষ্ট্রের সানফোর্ড বার্নহাম মেডিকেল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা টাক মাথার মানুষের জন্য স্টেম সেলভিত্তিক চিকিৎসার প্রাথমিক ধারণা উপস্থাপন করেছেন। তারা বলেন, এখন আগের মত মাথার একস্থান থেকে লোমকূপ অন্যস্থানে স্থানান্তরিত করে চুল সৃষ্টি করতে হবে না। বরং আবিষ্কৃত স্টেম সেল পদ্ধতি অসংখ্য কোষ সৃষ্টির ব্যবস্থা করবে। তারা জানিয়েছেন, গবেষণাগারে প্রাথমিকভাবে সফলতা পাওয়ার পর তাদের পরবর্তী কাজ হবে মানবদেহের প্লোরিপটেন্ট সেল থেকে সৃষ্টি করা ডার্মাল পাপিলা সেলগুলোকে মানুষের মাথায় স্থানান্তরিত করা। এর মাধ্যমে হাযার বছরের টাক সমস্যার যুগান্তকারী সমাধান হ’তে পারে।