বিজ্ঞান ও বিস্ময়

সৌরশক্তি দিয়ে হেলিকপ্টার উড়বে!

সৌরশক্তি দিয়ে হেলিকপ্টার চালানোর পরিকল্পনা করছেন একদল বিজ্ঞানী। এই গ্রীষ্মেই পরীক্ষামূলকভাবে তারা আকাশে উড়াবেন তাদের মিনি ‘সোলার কপ্টার’। লন্ডনের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটির গবেষকরা গত দু’বছর ধরে এই অভিনব প্রকল্প নিয়ে কাজ করছেন। গবেষকদলের নেতৃত্বে রয়েছেন স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড মেটেরিয়াল সায়েন্সে কর্মরত বাংলাদেশী বিজ্ঞানী ড. এম হাসান শাহীদ।

বাড়ি চিনবে গুগল গ্লাস

ইন্টারনেট জায়ান্ট গুগলের পরিধানযোগ্য ডিভাইস গুগল গ্লাস এখন বাড়ির ঠিকানা পর্যন্ত জানাবে। সপ্তাহের কাজের তালিকা সম্পর্কে জানতে গুগল গলাসে কমান্ড করা যাবে। মুখে নির্দেশনা দিলে সেটাও বুঝতে পারবে গুগল গ্লাস। এজন্য ‘ওকে গ্লাস, গুগল’ বলার পর একটি অপশন দেখাবে। সেখান থেকে বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া যাবে। গুগল গ্লাসে একবার বাড়ির ঠিকানা সেভ করা হলে, সেটা মুছবে না। অনেকটা গুগলের চালকবিহীন গাড়ির মতই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে গুগল গ্লাসে। অফিস বা বাড়ির ঠিকানা জানতে চাইলে ম্যাপের মাধ্যমে দিকনির্দেশনা জানা যাবে। ‘ডিরেকশন’ বলার পর যদি বলা হয় ‘হোম’ তবে একেবারে বাড়ির দরজা পর্যন্ত কিভাবে যেতে হবে, সেটা গুগল ম্যাপে দেখা যাবে।

সংবাদ পড়ে শোনাবে গাড়ি

মানুষ ও প্রযুক্তির মধ্যে সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করেছে ভয়েস রিকগনিশন সফটওয়্যার নির্মাতা ‘নুয়ানস’। মার্সিডিজ বেঞ্জ গাড়িতে সংবাদ পড়ে শোনাবে তাদের নুয়ানস অ্যাপ। নুয়ানস জানায়, অ্যাপটির লক্ষ্য হচ্ছে গাড়ি চালানোর সময় চালককে সহায়তা করা। এতে চালক গাড়ি চালানোর সময় তাকে সে টেক্সট কম্পোজ, মেসেজ শোনা ও ইমেইল পড়ে শোনাতে পারবে। মুখে কোন কমান্ড করলে তা বুঝতে পারবে সফটওয়্যারটি। কোন খবর শুনতে হ’লে চালককে কমান্ড করতে হবে। তবেই লিখিত সংবাদ পাঠ করে শোনাবে নুয়ানস অ্যাপ। এতে সংবাদের বিভিন্ন বিভাগ যেমন আন্তর্জাতিক, ক্রীড়া, দেশী খবর থেকে সিলেক্ট করে কমান্ড করলে তা পড়ে শোনাবে। এছাড়া নতুন কোন সংবাদ প্রকাশিত হ’লে অ্যাপটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তা জানাবে।

শীঘ্রই আসছে কৃত্রিম রক্ত

শীঘ্রই আসছে কৃত্রিম রক্ত। রক্তের ঘাটতি পূরণ এবং সংক্রমণ প্রতিরোধের লক্ষ্যে কৃত্রিম রক্ত উৎপাদনের জন্য বিজ্ঞানীরা অনেকদিন ধরেই চেষ্টা করছেন। সম্প্রতি রুমানিয়ার একদল গবেষক ইঁদুরের ওপর কৃত্রিম রক্তের একটি প্রক্রিয়া চালিয়ে সাফল্য অর্জনের দাবী করেছেন। তাঁরা কৃত্রিম রক্ত তৈরীতে ব্যবহার করেন সামুদ্রিক পোকামাকড়ের শরীর থেকে সংগৃহীত হেমারথাইরিন নামের এক ধরনের প্রোটিন। আগে রাসায়নিক ও যান্ত্রিক চাপ সামলানোর উপযোগী প্রোটিনের অভাবে বিজ্ঞানীরা কৃত্রিম রক্ত উৎপাদনে ব্যর্থ হয়েছিলেন। এ পরীক্ষার পর তারা শীঘ্রই সফলতা পাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।