মুসলিম জাহান

 সউদী আরবের নতুন যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন নায়েফ

বাদশাহ আব্দুল আযীযের সর্বশেষ সন্তান, সঊদী আরবের সদ্য সাবেক বাদশাহ আব্দুল্লাহ কর্তৃক নিয়োগকৃত বর্তমান যুবরাজ মুকরিন বিন আব্দুল আযীযকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বর্তমান বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আযীয তাঁর স্থলে নিজের ভাতিজা মুহাম্মাদ বিন নায়েফকে নতুন যুবরাজ নিয়োগ করেছেন। তিনি আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং উপ-যুবরাজ ছিলেন। তাছাড়া নিজের ছেলে প্রতিরক্ষামন্ত্রী মুহাম্মাদ বিন সালমানকে তার স্থলাভিষিক্ত করেছেন বাদশাহ সালমান। এছাড়া পররাষ্ট্র, শ্রম, স্বাস্থ্য ও অর্থ প্রভৃতি মন্ত্রাণালয়েও পরিবর্তন এসেছে এবং উপ-যুবরাজ মুহাম্মাদকে রাজকীয় আদালতের প্রধান হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। 

এসব পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে দেশটির ইতিহাসে প্রথমবারের মত প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল আযীয বিন সঊদের ছেলের পরিবর্তে তার পৌত্রকে পরবর্তী উত্তরাধিকারী হিসাবে মনোনীত করা হ’ল। উল্লেখ্য, ছাত্র জীবনে অত্যন্ত মেধাবী এবং পরিশ্রমী প্রিন্স মুহাম্মাদ বিন সালমান একমাত্র প্রিন্স যিনি সঊদী আরবের বাইরে কোন শিক্ষাকেন্দ্রে পড়াশুনা করেননি। তিনি কিং সঊদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিভাগ থেকে অনার্স শেষ করেছেন।

কঙ্গোতে চরমপন্থী কার্যকলাপ ঠেকাতে নেকাব নিষিদ্ধ করল ইসলামিক কাউন্সিল

চরমপন্থী কার্যকলাপ ঠেকাতে অবশেষে মহিলাদের জন্য নেকাব ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের ইসলামিক উচ্চ কাউন্সিল। গত ৩রা মে কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এক বিবৃতিতে ঘোষণাটি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এদেশের প্রায় আশি হাযার মুসলিম ঘোষণাটিকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন। কঙ্গো খৃষ্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হ’লেও সেখানে ১০ শতাংশ নিবন্ধিত মুসলমান রয়েছে।

[কিছু সংখ্যক জঙ্গি-সন্ত্রাসীর জন্য সাধারণ মুসলমানরা আজ এভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জানি না জঙ্গিরা নিজেদের বুদ্ধিতে চলে, না ইসলামের শত্রুদের দ্বারা পরিচালিত হয়। অতএব ঈমানদার তরুণরা সাবধান হও (স.স.)]

গাজার মানুষের দুর্দশা সহ্য করার মতো নয়

-জিমি কার্টার

নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার ফিলিস্তীন সফরের পর গাজা উপত্যকার মানুষের দুর্দশা দেখে ‘সেখানকার পরিস্থিতি সহ্য করার মতো নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন। মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ করা কার্টার গত ২রা মে শনিবার একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে পশ্চিম তীর সফর শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, আমরা সেখানে যা দেখেছি তা সহ্য করার মতো নয় এবং এসব দেখে শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে আরো জোরালোভাবে কাজ করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়েছি। ‘ভয়ংকর যুদ্ধ শেষ হওয়ার দীর্ঘ আট মাস পরও গাজায় ধ্বংস করে দেয়া একটি বাড়িও নতুন করে তৈরী করা যায়নি। সেখানকার মানুষজন যে সম্মান ও মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকার কথা তা পারছে না’। উল্লেখ্য, গত বছরের জুলাই মাসে হামাস এবং ইসরাইলের মধ্যে ৫০ দিন ধরে চলমান এক অসম যুদ্ধে দু’হাযারের বেশি ফিলিস্তীনীকে হত্যা করে ইসরাঈলী বাহিনী। এসময় গাজার কয়েক হাযার বাড়ি-ঘর, স্কুল ও হাসপাতাল ধ্বংস করে দেয়া হয়।