স্বদেশ-বিদেশ

স্বদেশ

এশিয়ার সর্বোচ্চ ওয়াচ টাওয়ার ভোলায়

ভোলার চরফ্যাশনে নির্মিত হচ্ছে এশিয়ার সর্বোচ্চ ওয়াচ টাওয়ার। টাওয়ারটির উচ্চতা হবে প্রায় ১৭০ ফুট। যাতে ১০০ বর্গকিলোমিটার এলাকার নানা কিছু দেখা যাবে অনায়াসে। সেজন্য থাকবে উচ্চ ক্ষমতার বাইনোকুলার। টাওয়ারটিতে লিফটের সংযোজন করা হবে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে প্রায় ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৭ তলা বিশিষ্ট ঐ দৃষ্টিনন্দন টাওয়ারটি পর্যটকদের দারুণভাবে আকর্ষণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। সে লক্ষ্যে ইতিমধ্যে চর কুকরী-মুকরী ইকোপার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে। যেখানে দাঁড়ালেই পশ্চিমে তেঁতুলিয়া নদীর পানিপ্রবাহ, পূর্বে মেঘনা নদীর উথাল-পাথাল ঢেউ, দক্ষিণে দৃষ্টিনন্দন পর্যটন এলাকা চর কুকরী-মুকরীসহ বঙ্গোপসাগরের বিরাট অংশ নযরে আসবে। চরফ্যাশনের দক্ষিণে সাগর মোহনার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ চর কুকরী-মুকরী, ঢালচর ও তারুয়া’র সমুদ্র সৈকত যেন প্রকৃতির এক অপার সৃষ্টি। চর কুকরী-মুকরীর ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলে রয়েছে হরিণ, বানর সহ নানান প্রজাতির সাপ ও বন্যপ্রাণী। প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা অপার সৌন্দর্যের পাশাপাশি পর্যটকদের কাছে স্থানটি আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে নির্মিত হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন এই ওয়াচ টাওয়ারটি।

মিসরে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফযুল কুরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশী হাফেযের বিশ্বজয়

মিসরের রাজধানী কায়রোতে অনুষ্ঠিত ২২তম আন্তর্জাতিক হিফযুল কুরআন প্রতিযোগিতায় ৭০টি দেশের মধ্যে এবারো প্রথম হয়েছে বাংলাদেশী ক্ষুদে হাফেয মুহাম্মাদ নাহিয়ান কায়ছার। সে ঢাকার যাত্রাবাড়ী তাহফীযুল কুরআন ওয়াস সুন্নাহ মাদরাসার ছাত্র। কায়রোতে প্রথম স্থান অধিকারীর নাম ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন ধর্মমন্ত্রী মুখতার জমা, দুবাই আন্তর্জাতিক হিফয প্রতিযোগিতা কমিটির প্রধান এবং রাবেতা আলমে ইসলামীর প্রধান আবদুল বাসকাত। মিসরে ২২তম আন্তর্জাতিক হিফযুল কুরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ৭০টি দেশ থেকে ১০০ জনের অধিক প্রতিনিধি অংশ নেন। প্রতিযোগিতায় উত্তীর্ণদের আগামী রামাযানে পুরস্কার দেওয়া হবে। পুরস্কার অনুষ্ঠানে মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদুল ফাত্তাহ আল-সিসি উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

‘নামায’ শব্দটিকে ‘ছালাত’ বলায় এক দম্পতিকে পুনরায় বিবাহ প্রদান

রাজধানী ঢাকার নিকটবর্তী যেলা মানিকগঞ্জের ঘিওর উপযেলার হিজুলিয়া গ্রামে গত ২৭শে এপ্রিল’১৫ সোমবার ‘নামায’ শব্দটিকে ‘ছালাত’ বলায় মামূন বেপারী (৪০) ও শিল্পী বেগম (৩৬) নামে এক দম্পতির ‘ঈমান’ নষ্ট হয়ে গেছে এবং তাদের মধ্যকার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে এমন ফৎওয়া দিয়ে একটি মাদ্রাসার সুপার ও সমাজপতিরা জোর করে তাদের কালেমা পড়িয়ে নতুনভাবে বিবাহ দিয়েছে। ১৮ বছর দাম্পত্য জীবনে তাদের দু’টি ছেলে রয়েছে। ঐ গ্রামের কাযী ফখরুদ্দীন লোকজন নিয়ে সালিশ বৈঠকে বসে এই ফৎওয়া দিয়ে তা কার্যকর করেন।

মামূন বেপারী জানান, গত ২২শে এপ্রিল একটি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত ‘নামায’ নয় ‘ছালাত’ প্রবন্ধ পড়ে তিনি এ নিয়ে একই গ্রামের পল্লী চিকিৎসক আলাউদ্দীন ও হাবীবের সাথে আলোচনা করেন। একপর্যায়ে তারা বিষয়টি স্থানীয় একটি ইয়াতীমখানা ও মাদ্রাসার সুপার মাওলানা কাযী ফখরুদ্দীনকে জানালে তিনি তাদের ঈমান নষ্ট হয়ে গেছে বলে জানান। অতঃপর একাধিক বৈঠকের পর গত ২৭শে এপ্রিল মসজিদে বিষয়টি নিয়ে কাযী ফখরুদ্দীন, মুফতী হান্নান ও স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার রামাযান আলীসহ এলাকার লোকজন সালিশী বৈঠকে বসেন। সেখানে মামূন ও তার স্ত্রীকে নানা ভয়-ভীতি দেখিয়ে কালেমা পড়িয়ে পুনরায় বিয়ে দেয়া হয়।

[ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। যা স্রেফ অজ্ঞতাপ্রসূত। আর এটুকু বলাতেই একটি মুসলিম দম্পতির বিবাহ বিচ্ছেদ হবে, এমন ফৎওয়া যারা দিয়েছেন ও যারা সালিশ করেছেন, তারা আরও বড় মূর্খ। ‘নামায’ ও ‘রোযা’ ফার্সী শব্দ। যার অর্থ উপাসনা ও উপবাস। অমুসলিমরা তাদের ঈশ্বরের জন্য উপাসনা করে বা উপবাস থাকে। কিন্তু মুসলমানরা ‘ছালাত’ ও ‘ছিয়াম’ পালন করে আল্লাহর রহমত ও ছওয়াব লাভের জন্য শরী‘আত নির্ধারিত ক্রিয়া-পদ্ধতি অনুযায়ী। অতএব অন্যদের উপাসনা ও উপবাস এবং মুসলমানদের ছালাত ও ছিয়াম এক নয়। বরং সম্পূর্ণ পৃথক বস্ত্ত। ইসলামের ৫টি বুনিয়াদ কালেমা শাহাদাত, যাকাত ও হাজ্জকে আমরা আরবীতে বলি। বাকী ছালাত ও ছিয়ামকে আরবীতে তার মূল নামে বলতে হবে। ফার্সীতে নামায-রোযা নয়। কেননা ছালাত ও ছিয়ামের অন্য ভাষায় কোন যথার্থ অনুবাদ হয় না। একইভাবে ‘আল্লাহ’ নামের কোন অনুবাদ হয় না (স.স.)]

২৫০০ ফুট উঁচুতে সড়ক : অসম্ভবকে সম্ভব করল সেনাবাহিনী

সমুদ্র সমতল থেকে আড়াই হাযার ফুট উঁচুতে বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু সড়কপথের নির্মাণ কাজ অবশেষে শেষ হ’ল। এটা দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সড়কপথ। বান্দরবানের থানচি থেকে আলীকদম হয়ে এ পথ চলে গেছে আরেক পর্যটন নগরী কক্সবাজারে। মে মাসে এ সড়কপথের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে সব ধরনের গাড়ি চলাচলের জন্য তা খুলে দেওয়া হবে। এরপর পাহাড় আর বন-বনানী ছুঁয়ে ছুঁয়ে প্রকৃতির সৌন্দর্য অবগাহন করে ঘুরে বেড়ানোর এ সুযোগ দেশের পর্যটন শিল্পকে করে তুলবে আরো সম্ভাবনাময়।

টানা এক যুগের চেষ্টায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়ন ৩৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়কের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে। স্থল যোগাযোগ না থাকায় বান্দরবান সদর থেকে নদীপথে থানচি যেতে দু’দিন লাগত। কিন্তু এখন পাহাড়ী রোমাঞ্চকর পথ বেয়ে পৌনে দুই ঘণ্টায় থানচি এবং মাত্র আড়াই ঘন্টায় যাওয়া যাবে আলীকদম। ফলে সারি সারি পাহাড় ও বিচিত্র সব ঝর্ণা-ঝিরি সমৃদ্ধ বান্দরবানের অনিন্দ্যসুন্দর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অবগাহনের ক্ষেত্রে পর্যটকদের জন্য থানচি-আলীকদম সড়ক নতুন মাত্রা যোগ করবে।

বিদেশ

নেপালে ভয়াবহ ভুমিকম্প : নিহতের সংখ্যা ১০ হাযার ছাড়িয়ে যাওয়ার আশংকা

গত ২৫শে এপ্রিল শনিবার ৭.৮ মাত্রায় নেপালের ইতিহাসে শতাব্দীর ভয়াবহতম ভুমিকম্প হয়েছে। ভুমিকম্পটি নেপালের লামজংয়ের দক্ষিণ-পূর্ব কেন্দ্রস্থলে প্রায় ১৫ কি.মি. গভীরে সংগঠিত হয়ে প্রায় বিশ সেকেন্ড ধরে চলে। এর আঘাতে কেবল নেপালেই এ পর্যন্ত ৭ হাযার ৪০ জনের মৃত্যু এবং ১৪ হাযার ২৩ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া প্রতিবেশী দেশ ভারত, চীন ও বাংলাদেশে শতাধিক লোকের প্রাণহানি ঘটেছে। ভূমিকম্পের সময় তুষার ধসে মাউন্ট এভারেস্টের বেস ক্যাম্পে এ পর্যন্ত ১৮ পর্বতারোহীর মৃত্যু এবং ৬১ জনের গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। উঁচু উঁচু পাহাড়-পর্বতে ঘেরা নেপালের বহু স্থানে এখনো উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছাতে না পারায় নিহতের সংখ্যা ১০ হাযার ছাড়িয়ে যাওয়ার আশংকা করা হচ্ছে। ভয়াবহ এ ভূমিকম্পে আড়াই লাখেরও বেশি বাড়ি-ঘর ভেঙে পড়েছে, প্রায় ৮০ লাখ লোক বা নেপালের মোট জনসংখ্যার চার ভাগের এক ভাগ লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ২৮ লাখ লোক গৃহহীন হয়ে পড়েছে। এছাড়া প্রায় ১৬ হাযার বিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

উল্লেখ্য, ভুমিকম্পের পর উদ্ধার কাজের সময় বেশ কিছু বিস্ময়কর ঘটনার অবতারণা হয়েছে। যেমন ভুমিকম্পের ২২ ঘন্টা পর ৪ মাসের শিশুকে সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। এছাড়া ৫ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর এক ১৫ বছর বয়সী কিশোর এবং ৭ দিন পর ১০৫ বছর বয়সী একজন বৃদ্ধকেও জীবিত উদ্ধার করা হয়।

আমেরিকার মারণাস্ত্রের নাম এজেন্ট অরেঞ্জ : যার শিকার হয়ে ৪৮ লাখ ভিয়েতনামী আজও ধুকছে!

ভিয়েতনামের দানাং বিমানবন্দর। বিমান বাহিনীর মাধ্যমে স্প্রে করার জন্য এখানেই নামানো হ’ত হাযার হাযার গ্যালন এজেন্ট অরেঞ্জ। চার দশক পর অবশেষে এখানকার মাটি এজেন্ট অরেঞ্জের দূষণমুক্ত হ’লেও স্পষ্টভাবেই সেই দাগ রয়ে গেছে। চার দশকে স্নায়ুযুদ্ধও বন্ধ হয়েছে। পাল্টে গেছে ভিয়েতনাম। কিন্তু পাল্টায়নি ভিয়েতনামে এজেন্ট অরেঞ্জের শিকার মানুষগুলোর দুর্বিষহ জীবন। প্রায় ১০ বছর ধরে ভিয়েতনামের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে মার্কিন সামরিক বাহিনী ভয়াবহ রাসায়নিক এজেন্ট অরেঞ্জ ছড়িয়ে দেয়। এর তেজস্ক্রিয়তায় সৃষ্টি হয় দুনিয়ার ইতিহাসে মানবসৃষ্ট স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের সবচেয়ে জঘন্যতম অধ্যায়গুলোর একটি।

১৯৬১ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত উত্তর ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট গেরিলাদের পরাস্ত করতে বিমান থেকে বিপুল পরিমাণ এজেন্ট অরেঞ্জ স্প্রে করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ঐ অভিযানে ভিয়েতনামের ৬০ লাখ একর জমিতে প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ গ্যালন বিষাক্ত রাসায়নিক ছড়িয়ে দেওয়া হয়। মারাত্মক বিষাক্ত রাসায়নিক ডায়োক্সিন-যৌগের একটি বিশেষ মিশেল এই এজেন্ট অরেঞ্জ। যা ছিটিয়ে দিলে গাছপালা মরে যায়, কৃষিজমি ফসলশূন্য হয়ে পড়ে এবং সেখানকার জমির উর্বরা শক্তি একেবারেই নষ্ট হয়ে যায়। রাসায়নিকের প্রভাবে মারাত্মক শারীরিক ও মানসিক বৈকল্য, শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা থেকে ক্যানসার এমনকি আক্রান্তদের সন্তানরা জন্মগত বৈকল্য নিয়ে ভূমিষ্ঠ হয়।

ভিয়েতনাম অ্যাসোসিয়েশন অব ভিকটিমস অব এজেন্ট অরেঞ্জ (ভিএভিএ) জানিয়েছে, দেশটির প্রায় ৪৮ লাখ মানুষ এজেন্ট অরেঞ্জের শিকার হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩০ লাখ মানুষ এজেন্ট অরেঞ্জের কারণে ক্যানসারসহ নানা মারাত্মক স্বাস্থ্য সংকটে পড়েছেন। এছাড়া অন্ততপক্ষে ৪ লাখ মানুষ এজেন্ট অরেঞ্জের শিকারে পরিণত হয়ে মারা গেছেন বা বিকলাঙ্গ হয়েছেন। আর পরবর্তী সময়ে ভিয়েতনামে এজেন্ট অরেঞ্জের শিকার প্রায় ৫ লাখ শিশু মারাত্মক জন্মগত বৈকল্য নিয়ে ভূমিষ্ঠ হয়েছে। বস্ত্ততঃ এজেন্ট অরেঞ্জ অনেক ছোট ছোট ট্রাজেডির সমন্বয়ে একটা বিশাল ট্র্যাজেডি যা সম্পূর্ণ মানুষের তৈরী। গত ৩০শে এপ্রিল ভিয়েতনাম যুদ্ধ অবসানের ৪০ বছর পূর্তিতে সেই জঘন্য ইতিহাস আবারও স্মরণ করল বিশ্ববাসী।

সর্বোচ্চ মৃত্যুদন্ডের দেশ চীন

২০১৪ সালে বিশ্বে মৃত্যুদন্ড দেয়ায় ক্ষেত্রে বরাবরের ন্যায় শীর্ষে রয়েছে চীন। আনুমানিক সহস্রাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এ বছর মৃত্যুদন্ড কার্যকর করে চীনের আদালত। চীন সরকার এ সংক্রান্ত পূর্ণ তথ্য প্রকাশ করলে সেখানকার আরো ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠতো। তবে এ বছর এর সংখ্যা অনেক কম। কারণ ২০১৩ সালে চীনে মৃত্যুদন্ড প্রাপ্তের সংখ্যা ছিল ২৪০০। মৃত্যুদন্ড নিয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বার্ষিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সারা বিশ্বে ২০১৪ সালে মোট ১৯ হাযার ৯৪ জনের মৃত্যুদন্ডের রায় হয়। আর মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার তালিকায় চীনের পরে শীর্ষে রয়েছে ইরান। দেশটিতে গত বছর ২৪৯ জনের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়। এরপর রয়েছে সঊদী আরব (৯০ জন), ইরাক (৬১ জন) এবং যুক্তরাষ্ট্র (৩৫ জন)।

রাসূল (ছাঃ)-এর কার্টুন আর অাঁকবে না শার্লি এবদোর সেই কার্টুনিস্ট

আলোচিত ফরাসি ব্যঙ্গাত্মক সাময়িকী শার্লি এবদোর অন্যতম প্রধান কার্টুনিস্ট রেনাল্ড লুজিয়ার ওরফে লুজ আর কখনো রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর ওপর কার্টুন অাঁকবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে। গত জানুয়ারীতে প্যারিসে সাময়িকীটির কার্যালয়ে হামলার পর ম্যাগাজিনটির প্রচ্ছদে রাসূল (ছাঃ)-এর ব্যঙ্গচিত্রটি অাঁকার ঘৃণ্য দায়িত্ব সেই পালন করেছিল। ফরাসী সাময়িকী ‘ইনরকস’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে লুজ জানিয়েছে, ‘সে মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর কার্টুন আঁকতে আর আগ্রহী নয়’। সে বলেছে, এসব কার্টুন এঁকে গোটা জীবন কাটিয়ে দেওয়ার কোন ইচ্ছাই আমার নেই।